1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
টেকনাফে বিদেশী রাইফেল ও ৩২৭ রাউন্ড গুলিসহ নারী আটক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পরিদর্শন কালে ওড়না ও চুল পেঁচিয়ে নারী প্রকৌশলীর মৃত্যু ‘অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী’ জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে ভালো স্থানীয় নির্বাচন করতে চাই: প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ ও সমালোচনার অধিকার সবার: আইনমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ে কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজন করবে সরকার উখিয়া প্রেস ক্লাবের নির্বাচন ৮ সেপ্টেম্বর, তফসিল ঘোষণা আইফোনের কিস্তির চাপে যমুনায় ঝাঁপ দিলেন নৃত্যশিল্পী রোহিঙ্গা সংকটের দায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সম্মিলিতভাবে নিতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ কমিটমেন্টের সফল বাস্তবায়ন হবে: প্রেস সচিব

পারিবারিক সহিংসতায় বাড়ছে খুন

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৮/০৭/২০২৫ ৫:৩৩ এএম

ময়মনসিংহের ভালুকা পৌর শহরের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম। ৪০ হাজার টাকা ধার করে জেলে থাকা ছোট ভাই নজরুল ইসলামকে ছাড়িয়ে আনেন তিনি। এর কিছুদিন পরে পারিবারিক কলহের জেরে সেই রফিকুলের স্ত্রী ও দুই ছেলেমেয়েকে গলাকেটে হত্যা করে পালান নজরুল। এ ঘটনা গত ১৪ জুলাইয়ের।

সাইকেল কেনার টাকার জন্য খালার বাসায় যায় ১৪ বছরের কিশোর গোলাম রব্বানী খান ওরফে তাজ। খালার অগোচরে তিন হাজার টাকা চুরির সময় ধরা পড়ে সে। মাকে বলে দিতে চাওয়ায় টেবিলে রাখা ছুরি দিয়ে প্রথমে বড় খালাকে, পরে সেজো খালাকেও ছুরিকাঘাত করে। গত ৯ মে রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় দুই খালাকেই হত্যা নিশ্চিত করে পালিয়ে যায় ১৪ বছরের এ কিশোর।
২৮ মে ঢাকার মিরপুরে পরকীয়া প্রেমিকের হাতে খুন হন স্বামী ও স্ত্রী। মিরপুরের একটি বাড়িতে নাজমুল হাসান পাপ্পু ও দোলনা আক্তার দোলাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গাউস মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানায়, নিহত দোলা তার স্বামী পাপ্পুর সঙ্গে মিরপুরের ওই বাড়িতে সাবলেট হিসেবে ভাড়া থাকতেন। কিছুদিন আগে গাউস মিয়া প্রবাস জীবন শেষ করে দেশে এসে দোলার সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। পরে বিয়ে নিয়ে দোলার সঙ্গে মনোমালিন্য হলে দোলা ও তার স্বামীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন গাউস।

সামাজিক ও পারিবারিক দ্বন্দ্ব-কলহের কারণে অবলীলায় এভাবে খুন হচ্ছে মানুষ। অধিকাংশই ঘটনাই ঘটছে শিক্ষিত পরিবারে। বাবা-মায়ের হাতে সন্তান, সন্তানের হাতে বাবা-মা, পরকীয়ার কারণে স্বামীর হাতে স্ত্রী, স্ত্রীর হাতে স্বামী, সম্পত্তির জেরে এক ভাই আরেক ভাইকে হত্যা করছে। প্রায় প্রতিটি ঘটনাই তুচ্ছ কোনো কারণে ঘটছে। একটি ঘটনার নৃশংসতা ছাড়িয়ে যাচ্ছে আরেকটিকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা শুধু আইনশৃঙ্খলার অবনতির দৃষ্টান্ত নয়, দেশে আইনের শাসনের ঘাটতি ও সামাজিক অসুস্থতারও লক্ষণ।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com