1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
উখিয়া প্রেস ক্লাবের নির্বাচন ৮ সেপ্টেম্বর, তফসিল ঘোষণা আইফোনের কিস্তির চাপে যমুনায় ঝাঁপ দিলেন নৃত্যশিল্পী রোহিঙ্গা সংকটের দায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সম্মিলিতভাবে নিতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ কমিটমেন্টের সফল বাস্তবায়ন হবে: প্রেস সচিব পেকুয়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ আটক ২ জামিনে মুক্তি পেলেন টেকনাফের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদ কক্সবাজারে ৩১ ভরি সোনার গহনা জব্দ, আটক ২ তালাকের কাগজ ছিঁড়ে আদালতেই স্বামীকে জড়িয়ে ধরলেন স্ত্রী! ক্যাম্পের শিশুদেরও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় রাখার আহ্বান শামা ওবায়েদের কক্সবাজার থেকে ঘুরতে এসে নোয়াখালীতে রোহিঙ্গা কিশোর-কিশোরী আটক

ক্যাম্পের শিশুদেরও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় রাখার আহ্বান শামা ওবায়েদের

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৩/০৮/২০২৬ ৪:২৯ পিএম

বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়ায় ক্যাম্পগুলোতে জন্ম নেওয়া শিশুদের অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘অক্সফাম’ এবং ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত এক যৌথ সেমিনারে তিনি এই আহ্বান জানান।

সেমিনারে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৭ সালের পর থেকে রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের দ্রুত পরিচয় যাচাই করা দরকার। তাদের জন্য নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।

২০১৭ সালের সংকটের কথা উল্লেখ করে শামা ওবায়েদ জানান, ব্যাপক রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সময় বাংলাদেশ মানবিক কারণে সীমান্ত খুলে দিয়েছিল। বর্তমানে ১২ লাখের বেশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা বাংলাদেশে বসবাস করছে। সীমিত ভূমি, ঘনবসতি ও পরিবেশের ওপর অতিরিক্ত চাপ থাকার পরও বাংলাদেশ নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে তাদের আশ্রয়, খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করে আসছে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা দিতে পারে, তবে এই সংকট তো বাংলাদেশ সৃষ্টি করেনি। তাই এর একা সমাধান করা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়।’

রোহিঙ্গা তহবিলে আন্তর্জাতিক অর্থায়ন কমে যাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালের যৌথ প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা (জেআরপি) বাজেট ছোট করা হলেও মানবিক প্রয়োজন একটুও কমেনি। খাদ্য, পুষ্টি, পানি, স্যানিটেশন, শিক্ষা ও নিরাপত্তা বিলাসিতা নয়, এগুলো রোহিঙ্গাদের বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকার। এই সংকট সমাধানে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সহযোগীদের পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ অব্যাহত রাখা হবে বলেও জানান তিনি।

সেমিনারে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধি দলের প্রধান মাইকেল মিলার বলেন, রোহিঙ্গা সংকট একটি মানবসৃষ্ট দুর্যোগ এবং এর সমাধান রাজনৈতিকভাবেই হতে হবে। সংকট সমাধানে বহুপক্ষীয় উদ্যোগ ও রোহিঙ্গাদের আত্মনির্ভরশীল করার ওপর জোর দেন তিনি। একই সঙ্গে তাদের দক্ষতা উন্নয়নে ১৪ মিলিয়ন ইউরো সহায়তার ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম মন্তব্য করেন, একা কোনো পক্ষের পক্ষে এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়, যার কারণে বহুপক্ষীয় আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

সেমিনারে অক্সফাম ও ডিক্যাবের শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com