1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
বিয়ে নিয়ে শুভঙ্করের ফাঁকি, জামায়াত এমপির গোমর ফাঁস করলেন কাজী এবার ভাইরাল সেই জামায়াত এমপির বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী বরাবর লিখিত আবেদন কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ, প্রতিবেদন তলব ওরে নিয়ে আমি একবারই এসেছি: জামায়াতের ভাইরাল এমপি নজরুল নারীর সঙ্গে সেই ভাইরাল ভিডিও: জামায়াত এমপি বললেন তাকে ব্ল্যাকমেইল ও চরিত্রহননের চেষ্টা করা হয়েছে টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর ৩ সদস্য আটক সবুজায়নের বার্তা: এমপি শাহজাহান চৌধুরীর উপস্থিতিতে উখিয়া কলেজে বৃক্ষরোপণ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি হচ্ছেন মোজাফফর খালি পায়ের শিশু আফিফার আর্তিতে মমতার হাত বাড়ালেন ইউএনও পান্না আক্তার মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কিছুতেই থামছে না অপরাধ

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৭/১০/২০২৫ ১১:২২ এএম

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরগুলোতে বাড়ছে অস্থিরতা। কোনোভাবেই থামছে না খুন, অপহরণসহ নানান অপরাধ। ক্যাম্পের বাসিন্দারা বলছেন, আধিপত্য বিস্তারের জেরে এসব হত্যাকাণ্ড ঘটছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, ক্যাম্পে বেশকিছু গ্রুপ মাদক কারবার, চাঁদাবাজি ও অপহরণসহ অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করছে।

এতে বেড়েছে প্রাণহানি আর সংঘাত। গত আট বছরে উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন আশ্রয়শিবিরে ২৯০টি খুনের মামলা হয়েছে। এ সময় ধর্ষণ, গুম, মাদক, ডাকাতিসহ মোট মামলা হয়েছে ৪ হাজার ৫৩টি। রোহিঙ্গা নেতারা জানিয়েছেন সাম্প্রতিক সময়ে ক্যাম্পে খুনাখুনি কমেছে।

তবে আগের তুলনায় বেড়েছে অপহরণ ও মাদক পাচার। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ১০ ধরনের অপরাধের বিপরীতে ২৫০টি মামলা হয়েছে। যেখানে খুনের মামলা ১৮টি। সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে মাদক ও অপহরণের।
মাদকের ১৫০, অপহরণের ৫০ ও ধর্ষণের মামলা রয়েছে ১২টি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্যমতে, আগে টেকনাফের নোয়াপাড়া ও উখিয়ার কুতুপালংয়ে শরণার্থী শিবির থাকলেও এখন কক্সবাজার সদর, কুতুবদিয়া, চকরিয়া, মহেশখালী, রামু, উখিয়ার কুতুপালং ও বালুখালি, টেকনাফের লেদা ও পেকুয়া; অর্থাৎ সবকটি উপজেলায় রোহিঙ্গারা ছড়িয়ে পড়েছে। কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার সাইফউদ্দীন শাহীন বলেন, রোহিঙ্গারা সহজেই অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। সম্প্রতি জেলার ১০টি মামলা নিবিড়ভাবে তদন্ত করতে গিয়ে দেখা গেছে এ ঘটনায় শতকরা ৬৪ ভাগ রোহিঙ্গা দায়ী। রোহিঙ্গারা ক্যাম্পের বাইরে বের হচ্ছে, বাসাভাড়া নিচ্ছে, বিয়ে করছে।
ক্যাম্পের বাইরে তাদের পাওয়া গেলে কোন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে তার সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখা নেই। অতিরিক্ত রোহিঙ্গা ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার-আরআরআরসি (যুগ্ম সচিব) শামছু-দ্দৌজা বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তিনটি এপিবিএন কাজ করছে। রোহিঙ্গারা যাতে অপরাধে না জড়ায় সে জন্য ধর্মীয় নেতা, মাঝি ও যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করে কিছু কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। রাখাইন রাজ্যে ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বর গণহত্যা চালায় মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। ওই বছরের ২৫ আগস্ট থেকে দলে দলে রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে ঢোকে পড়ে। ১৫ লাখের বেশি রোহিঙ্গা নিয়ে এখন আর্থসামাজিক চাপে রয়েছে বাংলাদেশ

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com