1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
টেকনাফে পৃথক অভিযানে ৪ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৪ সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী আমাকে দেখলে তো লোকে সংবিধান বলে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি স্বামী-স্ত্রী নন, সুইটিকে চেনেই না নজরুলের পরিবার নেশার টাকা না পেয়ে মাকে জবাই করে হত্যা করলেন ছেলে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন: অভিযুক্ত জামায়াত নেতা বললেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে’ কক্সবাজারে দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় সেই রাজুর ৩ দিনের রিমান্ড ছাত্রলীগের কমিটিতে জামায়াত নেতার ছেলের নাম, বললেন ‘আগে জানলে ত্যাজ্য করতাম’ রাষ্ট্রপতির সহকারী প্রেস সচিব হলেন কাজী রাকিব রোহিঙ্গাদের ৪৬ কোটি পাউন্ডেরও বেশি সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাজ্য: ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক

সীমান্ত পেরিয়ে একে-৪৭ ঢুকছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে!

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ১৭/০৯/২০২৫ ৫:১৩ এএম

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের অরক্ষিত পাহাড়ি ও নদীপথ দিয়ে মাদকের পাশাপাশি ঢুকছে মারাত্মক অস্ত্র। নেই কাঁটাতারের বেড়া ফলে সীমান্তজুড়ে বেড়েছে অস্ত্র চোরাচালান।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্র বলছে, একে–৪৭, জি–থ্রি রাইফেলসহ নানা বিদেশি অস্ত্র নাইক্ষ্যংছড়ি, উখিয়া ও টেকনাফের চোরাপথ দিয়ে আসছে। এসব অস্ত্র রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপগুলো ক্যাম্পে নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় চক্রের সহায়তায়। আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে এ অস্ত্র এখন তাদের প্রধান চালিকাশক্তি।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে রোহিঙ্গা গ্রুপগুলোর অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে প্রাণ গেছে দুই শতাধিক মানুষের। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তত ৯টি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গেও এসব অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।

রামু সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ সোমবার সাংবাদিকদের বলেন,
“মিয়ানমার থেকে অস্ত্র ঢুকে সরাসরি ক্যাম্পে চলে যায়। সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বিজিবির নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।”

বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, গত তিন মাসে অন্তত ২২টি দেশি-বিদেশি অস্ত্রের চালান আটক হয়েছে। এতে সীমান্ত এলাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর দৌরাত্ম্যে তারা সবসময় ভয়ে থাকেন। তাদের ভাষায়, “বাংলাদেশিদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় এখন প্রধান ব্যবসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

৮ এপিবিএনের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক পুলিশ সুপার রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, “কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, অস্ত্রবাজি বা সহিংসতা মেনে নেওয়া হবে না। এপিবিএন কঠোর অবস্থানে আছে এবং অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা গুলো দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। সুত্র,টিটিএন

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com