1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের খবর ‘অসত্য ও ভিত্তিহীন’: প্রেস কর্মকর্তা প্রবাসীর বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখলেন জামায়াত নেতা, এলাকাবাসীর মানববন্ধন আমির হামজার মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য বন্ধে প্রশাসনকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি ড. ইউনূসকে করের ৬৬৬ কোটি টাকা দিতে বলা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা সব সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী আগুনে পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে মরদেহগুলো : ডিএনএ টেস্টে সময় লাগবে ৪ সপ্তাহ টুপটুপ রিসোর্ট ট্র্যাজেডি : খোঁজ নেই নাহিদসহ পরিবারের ৪ জনের ইনানীতে রিসোর্টে আগুন: মালিক ও ম্যানেজারসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১ ২৮ কেজি গাঁজাসহ রামুতে ৩ রোহিঙ্গা গ্রেফতার অগ্নিকান্ডের ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি : ৫ কার্যদিবসে তদন্ত প্রতিবেদন

আত্মীয়স্বজনের যে আচরণের কারণে মৃত ব্যক্তিকে কবরে শাস্তি দেওয়া হয়

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ১৮/০৯/২০২৫ ৬:৫৩ এএম

মৃত্যু মানবজীবনের অবিচ্ছেদ্য সত্য। ধনী-গরিব, রাজা-প্রজা, শক্তিশালী-দুর্বল— সবার জন্যই মৃত্যু এক অনিবার্য গন্তব্য। আর আমরা যে দুনিয়ায় বাস করি, এটি সাময়িক। এখানে সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আশা-হতাশা সবই অস্থায়ী। কিন্তু মানুষ ভুলে যায় মৃত্যুর কথা, মায়ার দুনিয়ার চাকচিক্যেই সে বেশি ডুবে থাকে।

অথচ সুরা নাহলে আল্লাহ তায়ালা বলছেন, ‘অতঃপর নির্ধারিত সময়ে যখন তাদের মৃত্যু এসে যাবে, তখন এক মুহূর্তও বিলম্বিত কিংবা ত্বরান্বিত করতে পারবে না।’ (আয়াত : ৬১)

 

মৃত্যুকে ‘আলিঙ্গনের’ পর প্রত্যেকের কাছে তার চিরস্থায়ী আবাসস্থল তুলে ধরা হয়। হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, মারা যাওয়ার পর মৃত ব্যক্তির সামনে তার মূল বাসস্থানকে তুলে ধরা হবে। সে যদি জান্নাতি হয়, তবে জান্নাতের বাসস্থান আর যদি সে জাহান্নামী হয়, তবে জাহান্নামের বাসস্থান। পরে বলা হবে, এই তোমার স্থান। অবশেষে আল্লাহ তায়ালা তোমাকে কিয়ামতের দিন উত্থিত করবেন। (তিরমিজি : ১০৭২)

বাবা-মা কিংবা প্রিয়জনের মৃত্যুতে আমরা কষ্ট পাই। কান্না করি। এটা স্বাভাবিক বিষয়। তবে অনেকে কান্না করতে গিয়ে বিলাপ করেন, অর্থাৎ শরিয়তের সীমা লঙ্ঘন করেন। এ ক্ষেত্রে প্রশ্ন জাগে, ‘মৃতের আত্মীয়স্বজন বিলাপ করে কান্না করলে তার কবরে আজাব হয় কি না।’

 

চলুন, জেনে নিই শরিয়তের দৃষ্টিভঙ্গি—

হাদিসের ভাষ্য

হজরত মুগীরা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) বলেছেন, যদি ব্যক্তির (মৃত) জন্য বিলাপ করা হয়, তবে তাকে বিলাপকৃত বিষয়ের ওপর আজাব দেওয়া হবে। (বোখারি : ১২১৪)

অন্য হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, যারা (মৃত ব্যক্তির জন্য শোক প্রকাশে) গাল চাপড়ায়, জামার বুক ছিঁড়ে ফেলে এবং জাহিলিয়াত যুগের মতো চিৎকার দেয়, তারা আমাদের তরিকাভুক্ত নয়। ( বোখারি : ১২১৭)

বিশেষজ্ঞ আলেমদের মত

শায়খ আহমাদুল্লাহসহ বেশিরভাগ ইসলামি স্কলারদের ভাষ্য, স্বাভাবিকভাবে মৃত ব্যক্তির জন্য কান্না করা জায়েজ। প্রিয়জনের চলে যাওয়ায় যে কেউ চোখের জল ফেলে কাঁদতেই পারেন, তবে বিলাপ করে কান্না করা বা কপাল বা হাত মাটিতে চাপড়ে কান্না করা ইসলামে বৈধ নয়। খোদ নবীজিও (সা.) এমনটা নিষেধ করেছেন।

কোন কোন মৃত ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়া হবে?

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসা জামিয়া কৌড়িয়ার প্রধান মুফতি মাওলানা হেলাল আসহাব কাসেমি কালবেলাকে বলেন, যদি মৃত ব্যক্তি জীবিত থাকাকালে অবগত থাকেন যে, তিনি মারা যাওয়ার পর তার স্বজনরা তাকে নিয়ে বিলাপ করবেন। আর এটা জানার পর তিনি যদি তাদের নিষেধ না করেন বা এমনটা করাকে পছন্দ করেন, তবে তাকে এর জন্য কবরে শাস্তি দেওয়া হবে। অন্যথায় বিলাপকারী ছাড়া অন্য কাউকে শাস্তি দেওয়া হবে না।

কেউ মারা গেলে ধৈর্যধারণ

প্রিয়জনের বিয়োগ কিংবা বিপদ-আপদের মুহূর্তে ধৈর্য ধারণ করে মহান রবের নিকট সাহায্য চাওয়া প্রত্যেক মুমিনের কর্তব্য। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে রয়েছেন।’ (সুরা বাকারা : ১৫৩)

এ ছাড়াও যেকোনো বিপদ-আপদে ধৈর্যধারণ করলে গোননাহ মাফ হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মুসলিম ব্যক্তির ওপর যেসব যাতনা, রোগ-ব্যাধি, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তা, কষ্ট ও পেরেশানি আপতিত হয়, এমনকি যে কাটা তার দেহে বিদ্ধ হয়; এসবের দ্বারা আল্লাহ তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন। (বোখারি : ৫২৩৯)

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com