1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
হ্নীলা স্টেশনের অগ্নিকাণ্ডে ওয়ালটন-ভিশন শোরুমসহ পুড়ে ছাই ৮ দোকান; আহত অন্তত ২০ সাহিত্যিকা পল্লীতে গোলাগুলির ঘটনায় আবুল মনসুর লুদুকে আটক করেছে পুলিশ পুলিশ দেখে ইয়াবা ফেলে পালাল কারবারি, উখিয়ায় উদ্ধার ২ লাখ ইয়াবা ৬ মাসে সরকারের বিরুদ্ধে অপতথ্য প্রচার হয়েছে ৪৬৪টি : জাহেদ উর রহমান প্রেমিকের বিরুদ্ধে গর্ভপাতের চাপ ও নির্যাতনের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে প্রকাশ্যে বিচার চেয়েছিলো সুমাইয়া কক্সবাজারের বিশিষ্ট পীর ও আলেম শাহসূফি আলহাজ্ব আলিমুদ্দিন ফকির আর নেই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন না ৮ শ্রেণির মানুষ: নীতিমালা জারি খেলা দেখে বাড়ি ফেরার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় উখিয়ার যুবকের মৃত্যু মহানবীকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি, কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার সেই অনিক স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না : রাষ্ট্রপতি

টেকনাফে নারীকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ৩১/১০/২০২৫ ৩:৪৬ এএম

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকায় পরকীয়ার অভিযোগ তুলে এক নারীকে প্রকাশ্যে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। তার হাত মোটা রশি দিয়ে বাঁধা, রশিতে লেগে আছে রক্তের দাগ।

ঘটনাটির একটি ভিডিও মঙ্গলবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে।

দেড় মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়- এক নারী মাটিতে লুটিয়ে আছেন, চারপাশে কয়েকজন যুবক তাকে লাঠি ও বেত দিয়ে আঘাত করছে। এক পর্যায়ে তাদের একজন চিৎকার করে বলে উঠছে, রাতের বেলায় আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ছে। ওই সময় উপস্থিত আরও কয়েকজন যুবক উল্লাসধ্বনি দেয়। একই ভিডিওতে আরেকজন যুবককেও মারধরের দৃশ্য ধরা পড়ে, যাকে ‘পরকীয়া প্রেমিক’ বলে দাবি করছে নির্যাতনকারীরা।

স্থানীয়রা জানান, নির্যাতনের শিকার নারীর স্বামী বর্তমানে বিদেশে প্রবাসী। অভিযোগ উঠেছে, তার অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু যুবক নারীকে জোর করে ঘর থেকে বের করে এনে এভাবে নির্যাতন চালায়।

ভিডিওতে উল্লেখ রয়েছে ঘটনাস্থল টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকা। তবে সুনির্দিষ্টভাবে কোন পাড়া বা ওয়ার্ডে ঘটনাটি ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই ঘটনাটিকে মধ্যযুগীয় বর্বরতা আখ্যা দিয়ে লিখেছেন- ‘অভিযোগ থাকলে আদালত আছে, কিন্তু এভাবে প্রকাশ্যে নারীকে নির্যাতন করার অধিকার কারও নেই।’

কক্সবাজার জেলা জজ আদালতের আইনজীবী শিপ্ত বড়ুয়া বলেন, ‘কেউ অপরাধ করেছে বলে ধরে নিলেও নিজ হাতে শাস্তি দেওয়া আইনবিরোধী কাজ। এটি নিজেরাই আরেকটি অপরাধ করে বসেছে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া ফৌজদারি অপরাধ।’

বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর দূর্জয় বিশ্বাস বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। তবে ভিডিওটি আমরা দেখেছি। অভিযোগ পেলে বা প্রমাণ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এদিকে, মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন- এ ধরনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়া সমাজে ভয়াবহ বার্তা দেয়। অপরাধী যেই হোক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচিত ভিডিওতে যাদের মুখ স্পষ্টভাবে দেখা গেছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া।

স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ওই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই ‘সামাজিক বিচারের নামে’ নারী নির্যাতনের সংস্কৃতি চলে আসছে। প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় এমন নৃশংসতা প্রায়ই গোপনে ঘটে যাচ্ছে। সুত্র,এনপিবি

 

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com