1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ

নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য আমরা প্রস্তুত

✍️ বার্তা বাজার •

প্রকাশিত: ২৯/০১/২০২৬ ৪:০০ পিএম

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, ‘আমরা নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে ঘরে ফেরার জন্য প্রস্তুত।’ আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর বাসাবোতে ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহার মিলনায়তনে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে আয়োজিত মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট এবং খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে।

 

বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ভবেশ চাকমার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার ও ধর্মসচিব মো. কামাল উদ্দিন বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন।

 

ধর্ম উপদেষ্ট বলেন, ‘একবার ক্ষমতায় বসতে পারলে ছলেবলে-কৌশলে চেয়ার ধরে রাখার দুঃখজনক প্রবণতা এ দেশে রয়েছে। কিন্তু আমরা যেদিন দায়িত্ব নিয়েছি সেদিন থেকেই বিদায়ের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। ইতোমধ্যে আমাদের অনেক উপদেষ্টা তাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট স্যারেন্ডার করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘আমরা মানসিকভাবে প্রস্তুত রয়েছি একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় আসবে তাদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করব।’

সবাইকে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত গড়ে তোলার অনুরোধ জানিয়ে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হবে বাংলাদেশের ইতিহাসের এক মাইলফলক। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ যদি পাস হয় তাহলে দেশে আর কোনো দিন স্বৈরতন্ত্রের জন্ম হবে না। দেশকে আমরা উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে পারব।”

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি যখন ভোট দিতে যাবেন তখন আপনাকে দুটো ব্যালট দেওয়া হবে।

একটি সাদা, আরেকটি গোলাপি। সাদা ব্যালটের মাধ্যমে আপনার বিবেচনায় যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেবেন। আর গোলাপি ব্যালটের মাধ্যমে আমাদের জনপ্রতিনিধিরা কিভাবে দেশ পরিচালনা করবেন, সেই গাইডলাইন আপনি তৈরি করে দেবেন।’ এ সময়ে তিনি স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদীমুক্ত দেশ গড়তে সবাইকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার অনুরোধ করেন।

জুলাই সনদের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, ‘সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com