
কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের ‘বেদারবিল পাড়া থেকে ফুলতলা’ পর্যন্ত সড়কের আরসিসি ঢালাইয়ের কাজে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) পেকুয়া উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের অধীনে উক্ত সড়কের কাজ চলমান রয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ওই সড়কের কাজ বাস্তবায়নে এলজিইডির কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে কার্যাদেশপ্রাপ্ত হন জেলার বহুল আলোচিত দূর্নীতিবাজ ঠিকাদার প্রভাবশালী যুবলীগ নেতা আসাদ উল্লাহ। আর মগনামায় সড়কের আরসিসি ঢালাইয়ের কাজে অনিয়মের সুযোগ করে দিচ্ছে খোদ এলজিইডির পেকুয়া প্রকৌশলীর কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: শাহ জালাল নামের এক কর্মকর্তা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রভাবশালী যুবলীগ নেতা আসাদ উল্লাহ জেলার যেখানে উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় সেখানে অনিয়ম দূর্নীতির মাধ্যমে সরকারী কাজ বাস্তবায়ন করে। তার এহেন অনিয়ম-দূর্নীতির নেপথ্যে রয়েছে কক্সবাজার এলজিইডির কিছু অসাধু কর্মকর্তা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পেকুয়া উপজেলার উপকূলীয় মগনামা ইউনিনের প্রধান সড়কে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজে অতি নি¤œমানের পাথর, লোহা, সিমেন্ট ও বালু ব্যবহার করে যেনতেনভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ঠিকাদার আসাদ উল্লাহ। আরসিসি ঢালাইয়ের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত এলজিইডির কর্মকর্তা মো: শাহ জালাল প্রায় সময় সরেজমিন অনুপস্থিত থাকেন। এর সুবাধে ঠিকাদার ও প্রভাবশালী যুবলীগ নেতা আসাদ উল্লাহ’র লোকজন সড়কের কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির মাধ্যমে করছেন।
মগনামার বাসিন্দা আবু তালেব অভিযোগ করে বলেন, এলজিইডির তদারকির অভাবে সড়কের আরসিসি ঢালাইয়ের কাজে ব্যাপক অনিয়ম করছে ঠিকাদার। নি¤œমানের উপকরণ ব্যবহার করায় সড়কের স্থায়ীত্ব নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, মগনামা বেদারবিল পাড়া থেকে মগনামা ফুলতলা পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার সড়ক আরসিসি ঢালাইয়ের জন্য কয়েক মাস পূর্বে কাজ শুরু করেন ঠিকাদার আসাদ উল্লাহ। কাজের শুরু থেকেই স্থানীয়রা সড়কের কাজে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সড়কের অনিয়ম বন্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।
সড়কে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজে অনিয়মের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ঠিকাদার ও যুবলীগ নেতা আসাদ উল্লাহ বলেন, তিনি এলজিইডির শিডিউল মোতাবেক কাজ বাস্তবায়ন করছেন। কোন ধরনের অনিয়ম করছেন না।
ঠিকাদারকে অনিয়মের সুযোগ করে দেওয়ার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পেকুয়া এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: শাহ জালাল জানান, তিনি নিয়মিত কাজ তদারকি করেন। ঠিকাদার কোন অনিয়ম করছেনা।