জমিতে দোকান-বাড়ি তুলে ভাড়া নেয়-এটা কীভাবে সম্ভব? দেশে আইন দুই রখম আছে নাকি। বনবিভাগকে কাউকে বুকে কাউকে পিঠে নেওয়ার সুযোগ কে দিয়েছে তা সরকারের খতিয়ে দেখা উচিত বলে মনে করছি।
২০২৪ সালে উখিয়া রেঞ্জে দায়িত্বে থাকা রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলম বলেছেন, ভিলেজার প্রথা বাতিল হওয়ার পরও মাঠপর্যায়ে আগের কিছু কাগজপত্র বা মৌখিক অনুমতির সুযোগ নিয়ে অনেকে মালিকানা দাবি করে গোপনে দখল বাড়িয়ে নেয়। নিয়মশৃঙ্খলার বাইরে এসব বরাদ্দ বা ‘দখল স্বীকৃতি’ কোনোভাবেই বৈধ নয়।
তিনি আরও বলেন, সরকারি জমিতে স্থাপনা নির্মাণ বা ভাড়া নেওয়া আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
স্থানীয় পরিবেশকর্মী জাহাঙ্গীরআলম বলেন,সরকারি জমি ব্যক্তিগত আয়-উপার্জনের উৎস হতে পারে না, অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে বনকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা জরুরি, দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
আরেক পরিবেশকর্মী ওমর ফারুখ বলেন ,’বনভূমি দখল মানে শুধু সরকারি ক্ষতি নয়-এটা পরিবেশেরও ক্ষতি। উখিয়ার বনাঞ্চল আগেই সংকুচিত। এখন আবার ভাড়া বাণিজ্য শুরু হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।
এ বিষয়ে জানতে বর্তমানে দায়িত্বে থাকা উখিয়া রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়েও সাড়া মেলেনি।
এদিকে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, বর্তমানে বনে ‘ভিলেজার’ নামে কোনো প্রথা কার্যকর নেই। ভিলেজারের নাম ভাঙিয়ে কাউকে বনের জমি ভোগদখলে দেওয়ার বৈধতা কারো নেই। আমি সদ্য দায়িত্ব নিয়েছি-বিষয়টি খতিয়ে দেখবো। অভিযোগের সত্যতা মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।