
কক্সবাজারের উখিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কর্তৃক পরিচালিত অস্ত্র বিরোধী বিশেষ অভিযানে একটি পিস্তল (শর্ট গান) ও একটি চাকুসহ একজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এ অভিযান পরিচালনা করে।
বিজিবি সূত্র জানায়, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীন উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি চোরাচালান, মাদকদ্রব্য পাচার, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং আন্তঃরাষ্ট্রীয় সীমান্ত অপরাধ দমনে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবির এ ভূমিকা স্থানীয় জনগণের আস্থা ও প্রশংসা অর্জন করেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে উখিয়া ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অস্ত্র পাচারের গোপন তথ্য পাওয়া গেলে জীম্বংখালী বিওপি এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় অধিনায়কের দিকনির্দেশনা ও পরিকল্পনায় সোমবার দুপুর আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে জীম্বংখালী বিওপি’র নায়েক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে জীম্বংখালী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বিআরএম-১৬ হতে আনুমানিক ৩ দশমিক ৫ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং বিওপি থেকে প্রায় ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণ দিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জীম্বংখালী পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদ রফিক (৩৭) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
তিনি টেকনাফ উপজেলার গোদার বিল এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি শর্ট গান ও একটি চাকু উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তিকে উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও আলামতসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য দুষ্কৃতকারীদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে উখিয়া ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ জহিরুল ইসলাম, জি বলেন,
“সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্তকে নিরাপদ রাখতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”