
কক্সবাজারে দুইটি দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী ও কুতুবদিয়া নিয়েই গঠিত কক্সবাজার-২ সংসদীয় আসন। কক্সবাজারের ৪ টি সংসদীয় আসনের মধ্যে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আসন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এ আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকালে প্রার্থী হিসেবে ৫ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। বাতিল করা হয়েছিল জামায়াতের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য ড. এ.এইচ.এম হামিদুর রহমান আযাদ সহ ২ জনের মনোনয়নপত্র।
ওই পরিস্থিতিতে আরও ৪ প্রার্থী মাঠে থাকলেও ফুরফুরে মেজাজে ছিলেন এই আসনের বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ। কিন্তু না এই ফুরফুরে মেজাজ টিকে থাকেনি। শেষ পর্যন্ত আপীল করে প্রার্থী হিসেবে বৈধতা পেয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য ড. এ.এইচ.এম হামিদুর রহমান আযাদ। এখন এই আসনটির সাবেক দুই সংসদ সদস্যের সামনে রয়েছেন নবীন ৪ প্রার্থী।
কক্সবাজার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য মতে, কক্সবাজার ২ মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনে এখন ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা হয়েছে।
এরা হলেন, বিএনপির প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, জামায়াতের কেন্দ্রিয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী জিয়াউল হক, খেলাফত মজলিশের প্রার্থী ওবাদুল কাদের নদভী, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) প্রার্থী এস এম রোকনুজ্জামান খান, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মাহমুদুল করিম।
মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনটি দ্বীপাঞ্চল হওয়ায় এখানকার রাজনীতিতে রয়েছে আলাদা বৈশিষ্ট্য ও চ্যালেঞ্জ। বিদ্যুৎ, বেড়িবাঁধ, যোগাযোগ, নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান এসব ইস্যুই এ আসনের ভোটের সমীকরণে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে।
সাধারণ ভোটাররা মনে করেন, সাবেক দুই এমপিকে ঘীরে এবার নির্বাচন জমে উঠেবে। এর মধ্যে নবীন ৪ প্রার্থীও চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে ক্রমাগত।
আসনটি মূলত দ্বীপকেন্দ্রিক জনপদ। বঙ্গোপসাগরের কোলঘেঁষা কুতুবদিয়া এবং পাহাড়-সাগর-চরামিলিয়ে গঠিত মহেশখালী উপজেলার মানুষ দীর্ঘদিন ধরেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ভাঙন ও অবকাঠামোগত সংকটের সঙ্গে লড়াই করে আসছেন। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙন এখানকার মানুষের নিত্যসঙ্গী।
কক্সবাজার জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য মতে, এই দুই উপজেলায় মোট ভোটার : ৩ লাখ ৭৩ হাজার ১০৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটর : ১ লাখ ৯৬ হাজার ৯৬৫ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৪৩ জন। যেখানে রয়েছে ১১৮টি কেন্দ্র। যার ৮১ টি মহেশখালী ও ৩৭টি কুতুবদিয়ায়।
সাধারণ ভোটারদের মধ্যে, কক্সবাজার-২ আসনে সাবেক দুই সংসদ সদস্য হওয়ায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি হিসেবে মাঠে সক্রিয়। বিশেষ করে মহেশখালীতে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র, এলএনজি টার্মিনাল ও অর্থনৈতিক অঞ্চলকে ঘীরেই জাতীয় দৃষ্টিও এ আসনটিতে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, ২০০৮ সালের নির্বাচনে চার দলীয় জোটের হয়ে জামায়াত প্রার্থী এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৪ হাজার ২৭১ ভোট। ওই নির্বাচনে পরাজিত আওয়ামীলীগের প্রার্থী আনসারুল করিম পেয়েছিলেন ৮৬ হাজার ৯৪৪ ভোট। এর আগে ২০০১ সালের নির্বাচনে আসনটি ছিল বিএনপির দখলে। ওই নির্বাচনে নির্বাচিত বিএনপির প্রার্থী আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ ফরিদ পেয়েছিলেন ১লাখ ৩ হাজার ৫০৩ ভোট। আর পরাজিত আওয়ামীলীগের প্রার্থী ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী পেয়েছিলেন ৪৯ হাজার ১৯০ ভোট। এর আগেও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ ফরিদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে তিনি পান ৪৪ হাজার ৪৪৫ ভোট। আর আওয়ামীলীগের প্রার্থী সিরাজুল মোস্তফা পেয়েছিলেন ৩২ হাজার ৪৪৩ ভোট। এর আগে ১৯৯১ সালের নির্বাচনে আসনটি ছিল বাকশালের দখলে। ওই নির্বাচনে বাকশালের প্রার্থী মোহাম্মদ ইসহাক বিএ পেয়েছিলেন ২৫ হাজার ৭২৭ ভোট। আর পরাজিত জামায়াত প্রার্থী শফি উল্লাহ পেয়েছিলেন ২৩ হাজার ৩৪৫ ভোট।
মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সবচেয়ে বড় উদ্বেগ বেড়িবাঁধ ও ভাঙন। কুতুবদিয়ায় একের পর এক ইউনিয়ন সাগরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে এই বাস্তবতা ভোটারদের ক্ষোভে রূপ নিচ্ছে। পাশাপাশি দ্বীপে স্থায়ী বিদ্যুৎ, সুপেয় পানি, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপদ নৌযোগাযোগ এখনো বড় চাহিদা।
ফলে ভোটাররা বলেছেন, “প্রতিবার ভোট আসে, প্রতিশ্রুতি আসে। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় এলেই ঘরবাড়ি ভাসে। আমরা স্থায়ী সমাধান চাই।”
ইতিমধ্যে মহেশখালী ও কুতুবদিয়াকে নিয়ে গঠিত এই উপকূলীয় আসনে প্রচারণায় সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বিভিন্ন দলের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বীরা। গ্রাম থেকে চরাঞ্চল, হাটবাজার থেকে ঘাট এলাকায় নিয়মিত উঠান বৈঠক, পথসভা ও গণসংযোগ চলছে।
প্রচারে কেমন সাড়া পাচ্ছেন এমন প্রশ্নে প্রার্থীদের বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা গেছে। প্রার্থীরা বলছেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডই তাদের বড় শক্তি।
বিএনপির প্রার্থী আলমগীর ফরিদ বলেন, মহেশখালীর অর্থনৈতিক সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা জরুরি। তিনি ক্ষমতায় গেলে প্রতিটি ইউনিয়নে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির জন্য কক্সবাজার-মহেশখালী নৌপথে সেতু করে চলাচল নির্বিঘ্ন করার প্রতিশ্রম্নতি দেন।
অন্যদিকে জামায়াত প্রার্থী এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ দাবি করেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিবর্তনের আকাক্সক্ষা স্পষ্ট। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বলছেন, দলীয় রাজনীতির বাইরে একটি উল্লেখযোগ্য ভোটব্যাংক রয়েছে। তবে মাঠ পর্যায়ের চিত্রে দেখা যায়, ভোটাররা প্রার্থীদের বক্তব্য শুনছেন, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে এখনো বেশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রসঙ্গে প্রার্থীদের মতামতও ভিন্ন। কেউ বলছেন, প্রচারের পরিবেশ মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে। আবার কেউ প্রশাসনের ভূমিকা ও প্রচারে প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ তুলছেন। তবে নির্বাচন কমিশনের তৎপরতা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অনেকে। ভোটারদের বড় অংশই মনে করছেন, ভোটের দিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত হওয়াই তাদের প্রধান প্রত্যাশা। এই আসনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়েই এখন মূল আলোচনা চলছে।
তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে প্রার্থীরা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার, শিক্ষিত তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা এবং কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রম্নতি দিতে দেখা গেছে নাগরিক অধিকারের প্রার্থীকে। জামায়াত প্রার্থী তরুণদের জন্য আলাদা পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। মাঠে দেখা গেছে, তরুণদের অংশগ্রহণ প্রচারে তুলনামূলক বেশি হলেও ভোটকেন্দ্রে তাদের উপস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা তরুণ ভোটারদের প্রধান বিবেচ্য বিষয় হিসেবে উঠে আসছে।
এবারের নির্বাচনে তরুণ ভোটাররাই বড় ফ্যাক্টর। মহেশখালীর কলেজ শিক্ষার্থী খুরশিদা বেগম বলেন, “আমরা প্রতিশ্রম্নতি শুনতে শুনতে ক্লান্ত। আমরা চাই সুশাসন এবং দখল-দূষণমুক্ত পরিবেশ। উন্নয়নের নামে যেন আমাদের ঐতিহ্যবাহী জীবনযাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। অন্যদিকে, কুতুবদিয়ার তরুণ ভোটার কামরুল ইসলাম মনে করেন, যে প্রার্থী স্থানীয় মাদক সমস্যা এবং বেকারত্ব দূরীকরণে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা দেবে, তিনি জয়ী হবেন। তরুণদের আকৃষ্ট করতে প্রার্থীরা কেবল স্লোগান নয়, সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এলে মাঠের চিত্র পাল্টে যেতে পারে।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কক্সবাজার-২ আসনের প্রধান সমস্যা বলতে নিরাপদ যোগাযোগ, জলবায়ু ঝুঁকি, কর্মসংস্থানের অভাব এবং স্বাস্থ্যসেবার সংকট। মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও ভাঙন নিয়মিত সমস্যা সৃষ্টি করছে। প্রার্থীরা এসব সমস্যা সমাধানে টেকসই বাঁধ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও হাসপাতাল উন্নয়নের প্রতিশ্রম্নতি দিচ্ছেন। তবে ভোটাররা বলছেন, প্রতিশ্রম্নতির বাস্তবায়নই তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নির্বাচনে বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নে কী করবেন জানতে চাইলে প্রার্থীরা অবকাঠামো উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। বিদ্যুৎ, সড়ক, ঘাট ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের পাশাপাশি পর্যটন ও শিল্প সম্ভাবনা কাজে লাগানোর কথা বলা হচ্ছে। কেউ মাতারবাড়ি ও মহেশখালীর অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির প্রতিশ্রম্নতি দিয়েছেন। তবে ভোটারদের প্রত্যাশা, উন্নয়ন যেন শুধু প্রতিশ্রম্নতিতে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবে প্রতিফলিত হয়।
এই নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে গত পনেরো বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার অবসান নিয়ে কক্সবাজার দুই আসনের সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা খুবই স্পষ্ট। মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার মানুষ দীর্ঘদিন ভোটাধিকার সংকোচন, প্রশাসনিক পক্ষপাত এবং জবাবদিহিহীন ক্ষমতার চর্চার অবসান চান। ভূমি ব্যবস্থাপনা, উন্নয়ন প্রকল্প ও নিরাপত্তা ইস্যুতে প্রভাবশালী গোষ্ঠীর দৌরাত্ম্য ক্ষোভ বাড়িয়েছে। ভোটাররা এবার এমন প্রতিনিধি চান, যিনি সংসদে দ্বীপাঞ্চলের বাস্তব সংকট তুলে ধরবেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেবেন এবং নির্বাচিত হয়ে জনগণের কাছেই দায়বদ্ধ থাকবেন। এই নির্বাচনকে তারা গণতান্ত্রিক পুনরুদ্ধারের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন।
তরুণ ভোটারদের দৃষ্টিতে এবারের নির্বাচন কেবল সরকার পরিবর্তনের বিষয় নয়, ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকনির্দেশনা নির্ধারণের সন্ধিক্ষণ হিশেবে দেখছেন। গত পনেরো বছরে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা সাধারণ ভোটারের মধ্যে চরম হতাশা যেমন তৈরী করেছে তেমনই দলীয় প্রভাব ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রাজনীতির প্রতি আস্থাহীনতাও বাড়িয়েছে। কক্সবাজার-২ আসনের তরুণরা স্বচ্ছ ভোট, নিরাপদ পরিবেশ ও সমান প্রচার সুযোগ প্রত্যাশা করছে। তারা সংসদে এমন নেতৃত্ব দেখতে চান, যারা কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা এবং দ্বীপাঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেবে। এই প্রত্যাশাই তাদের ভোটদানের সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করছেন সচেতন তরুণ সমাজ।
মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনে প্রার্থীরা ব্যাপক উদ্দীপনা নিয়ে প্রচার চালালেও, ভোটারদের মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। একদিকে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার অঙ্গীকার, অন্যদিকে রয়েছে সুশাসন ও অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি। কেন্দ্রের তথ্য এবং তরুণ ভোটারদের মনস্তত্ত্ব বিবেচনা করে বলা যায়, এই দ্বীপাঞ্চলের ভোটের ফয়সালা নির্ভর করবে প্রার্থীরা তাদের প্রতিশ্রম্নতিগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কতটা বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে পারে তার ওপর।
সব মিলিয়ে কক্সবাজার-২ আসনের ভোটের মাঠ এখনো চূড়ান্ত রূপ পায়নি। প্রার্থীদের প্রচার, ভোটারদের হিসাব আর ভৌগোলিক বাস্তবতা মিলিয়ে এই আসন নির্বাচনীভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ভোটার উপস্থিতি, তরুণদের ভূমিকা এবং ভোটের পরিবেশই নির্ধারণ করবে ফলাফলের গতিপথ। শেষ পর্যন্ত কাদের প্রতিশ্রম্নতি ভোটারদের আস্থা অর্জন করে, সেদিকেই তাকিয়ে আছে মহেশখালী ও কুতুবদিয়া।