1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
মুছে ফেলেছিলেন আসল পরিচয়, একটি ভুলই তার ছদ্মবেশের অবসান ঘটে জিয়ার খুনি মোজাফফরের রাজাপালং ভেঙে হচ্ছে ‘উয়ালাপালং’ ইউনিয়ন, গণশুনানির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ একসঙ্গে মরার সিদ্ধান্ত নিয়ে যমুনায় ঝাঁপ দিলেন প্রেমিক, পালিয়ে গেলেন প্রেমিকা চকরিয়ার বন্যকবলিত এলাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী/ সরকার সবসময় জনগণের পাশে থাকবে নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম অস্ত্রসহ আটকের পর যুবদল নেতা আয়াত উল্লাহ হুমাইনী বহিষ্কার ইষ্ট বেকারের জ্যাম-ফিল্ড ব্রেডে স্বাস্থ্যঝুঁকি, বিক্রি বন্ধের নির্দেশ অভিযানের তথ্য ফাঁস করায় সোর্সকে কারাদণ্ড জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনক্ষোভের বিস্ফোরণ: রাষ্ট্রপতি মিয়ানমারের উপকূলে দুটি নৌকাডুবি, ৫ শতাধিক মৃত্যুর শঙ্কা

অবৈধভাবে রোহিঙ্গাদের নগদ টাকা বিতরণ, তদন্তের মুখে এনজিও সওয়াব

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৯/০৪/২০২৬ ২:১০ পিএম

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কার্যক্রম পরিচালনা করা বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) সোস্যাল এজেন্সি ফর ওয়েলফেয়ার এন্ড এডভান্সমেন্ট ইন বাংলাদেশ তুথা ‘সওয়াব’-এর বিরুদ্ধে অনুমতি ছাড়া অবৈধভাবে রোহিঙ্গাদের নগদ টাকা বিতরণ ও নিয়মবহির্ভূত কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে।

গত ২৬ এপ্রিল ইস্যুকৃত এক চিঠিতে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সওয়াবের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে।

সহকারী সচিব নওশের ইবনে হালিম স্বাক্ষরিত সেই চিঠিতে উখিয়ার ১৯ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্যাম্প-ইনচার্জ (সিআইসি) কর্তৃক গত ১৩ এপ্রিল প্রেরিত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে বলা হয়, ‘ ঈদ-উল ফিতরের কয়েকদিন আগে ‘সওয়াব’ নামের সংস্থাটি মুসলিম চ্যারেটি নামে একটি দাতা সংস্থার অর্থায়নে তাদের দ্বারা পরিচালিত লার্নিং সেন্টারে প্রায় ৫০ জন রোহিঙ্গা পরিবারকে যাকাত দেওয়ার কথা বলে ডেকে আনে।’

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘ সেসময় উপস্থিত পরিবারগুলোর প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে খামে প্রদান করা হয় এবং একই সময়ে গ্রুপ ছবি তোলা হয়। ফটোসেশনের পরে সওয়াবের কর্মকর্তারা ওই অর্থ সম্বলিত খামগুলো ফেরত নেন এবং পরে লার্নিং সেন্টারে পুনরায় বিতরণ করা হবে বলে রোহিঙ্গাদের জানান।’

এছাড়াও সওয়াব পরিচালিত আরেকটি লার্নিং সেন্টারে প্রায় ১০০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ১ হাজার ১০০ টাকা করে নিয়মবহির্ভূতভাবে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

চিঠিতে বলা হয়, ‘এই দুই কার্যক্রম পরিচালনায় ক্যাম্প-ইনচার্জের কোনো অনুমতি বা পূর্ব অবহিতকরণ ছিল না।’ চিঠিতে এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সওয়াব সংস্থাকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সওয়াবের জেনারেল ম্যানেজার লোকমান হোসেন তালুকদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলে বলেন, ‘আমরা কোনো অনিয়ম করিনি। আমাদের সব কার্যক্রম স্বচ্ছতার সঙ্গেই পরিচালিত হয়। ক্যাম্প প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কিছু করা হয়েছে—এ অভিযোগ সঠিক নয় আমরা সেভাবেই জবাব দিয়েছি।

এদিকে এঘটনায় ১৯ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদের মাঝেও বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

ফটোশেসনে অংশ নেওয়া এক রোহিঙ্গা নারী নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘ আমাদের হাতে ১০ টি ৫০০ টাকার নোট দিয়েছিলো লেফুয়ায় (খামে) ভরে। ছবি তুলে টাকাগুলো তারা নিয়ে নেয় পরে বাচ্চার স্কুলে ১১শত টাকা দেয়, বাকি টাকা নাকি বাচ্চার পড়ালেখার পেছনে তারা খরচ করে ফেলেছে।’

সওয়াব কর্মকর্তা লোকমান জবাব দেওয়ার কথা বললেও বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে মুঠোফোনে নওশের ইবনে হালিম প্রতিবেদককে জানান,’ ক্যাম্প-১৯ এর সিআইসি প্রেরিত পত্রের প্রেক্ষিতে সংস্থাটিকে অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। চারদিন পেরোলেও আমরা এখনো জবাব পাইনি।’

অনিয়মের সত্যতা পেলে সংস্থাটির বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সূত্র: টিটিএন

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com