1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
ফেসবুক লাইভে এসে দল থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন এনসিপি নেতা জাহিদুর রহমান ঈদগাঁওতে চার সন্তানের মায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার অন্যের নামে বরাদ্দ সাইকেলটি নিয়ে যাওয়ার পর ফেরত দিলেন জামায়াত নেতা টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের বিমান হামলা ও ভারী বিস্ফোরণের শব্দ, চরম আতঙ্ক ও সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা কক্সবাজারে পাঁচ মাসে ৫৩ হত্যা, ৭ ডাকাতি, ১৪ ছিনতাই আনুষ্ঠানিকভাবে নজরুল বর্ষ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী টেন হেডেড মাইক্রোস্কোপ ক্যান্সার নির্ণয়ে আরও ভূমিকা রাখবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৮ মাসের ভাড়া না দিয়ে হোটেল থেকে চম্পট দেন এনসিপি নেতারা এক মাস পর জুলাইযোদ্ধা সার্টিফিকেট দেব, পার পিস ৫০ টাকা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

দিবালোকে চোরাইপথে আসছে মিয়ানমারের গরুঃ নির্বিকার প্রশাসন

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৮/০৫/২০২৬ ২:৫৪ পিএম

কক্সবাজার-০৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজলের কঠোর অবস্থান এবং প্রশাসনের নজরদারির নির্দেশের পরও থামছে না চোরাইপথে মিয়ানমার থেকে গরু পাচার । কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে প্রকাশ্য দিবালোকে পাহাড়ি পথ ব্যবহার করে প্রতিদিন শত শত গরু প্রবেশের ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। খোদ প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন কর্মকাণ্ডে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।
​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ঈদগাঁও উপজেলার কালিরছড়া তেতুলতলা পাহাড়ি সড়ক দিয়ে সারিবদ্ধভাবে শত শত বার্মিজ গরু জনপদে প্রবেশ করতে দেখা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কোনো লুকোচুরি নয়, বরং প্রকাশ্যে সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই গরুগুলো আনা হচ্ছে।

​অভিযোগ উঠেছে, একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তোয়াক্কা না করেই এই অবৈধ কারবার চালিয়ে যাচ্ছে। পাহাড়ি দুর্গম পথ ব্যবহার করে দিনের আলোতে এত বড় পরিসরে গরু প্রবেশ করলেও কেন পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো বাধা বা অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে না, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে সন্দেহ দানা বাঁধছে।

​”দিনের পর দিন শত শত গরু ঢুকছে, অথচ পুলিশ বলছে তারা জানে না। এটা কীভাবে সম্ভব? প্রশাসনের নজরদারি শুধু কাগজ-কলমে, বাস্তবে এর কোনো প্রতিফলন নেই।”

​অবৈধভাবে বার্মিজ গরু আসায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় খামারিরা। তারা জানান, দেশি গরুর বাজারে ধস নামায় তারা চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। এছাড়া বৈধ পথে আমদানি না হওয়ায় সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
খামারিদের দাবি, দ্রুত এই চোরাচালান বন্ধ না করলে কোরবানির আগে স্থানীয় গবাদিপশু পালনকারীরা নিঃস্ব হয়ে যাবেন।

​কালিরছড়া ও তেতুলতলা এলাকার বাসিন্দারা অবিলম্বে এই রুটগুলোতে স্থায়ী চেকপোস্ট বসানো এবং চোরাচালান সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
​এ বিষয়ে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার চিরাচরিত আশ্বাস দিয়েছেন। তবে বাস্তবে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ এখনও দেখা যায়নি।

সূত্র: চিটাগং ট্রিবিউন

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com