1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
চাকরি হারাচ্ছেন যে ৩৩ এসপি চীনা করিডোর: মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ ও ভারতের টেনশন প্রধান বাধা অপরাধ প্রমাণিত হলে নিষিদ্ধ হতে পারে আ.লীগ: চিফ প্রসিকিউটর ব্রাজিল বিদায় নেবে, ভবিষ্যদ্বাণী করলেন ক্রিস সাটন ভিক্ষা করে ৭০ টাকা দিয়েছিলেন নির্বাচনী তহবিলে, বদলে পেলেন নতুন ঘর সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা এবার ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনিজুয়েলার পাশে দাঁড়ালেন মেসি নতুন কর্মপরিকল্পনা: টেকনাফকে অপরাধ মুক্ত করতে বার্তা এমপি শাহজাহান চৌধুরীর ফেরার কথা বলে আ.লীগের নেতাকর্মীদের বিপদে ফেলার আরেকটি ভণ্ডামি করছেন হাসিনা: সোহেল তাজ টেকনাফ পৌর বিএনপির ৩১ সদস্যের কমিটি ঘোষনা, আহবায়ক রাজ্জাক- সদস্য সচিব এনামুল

কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইসসহ আটক পাঁচ

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৯/০৫/২০২৬ ৮:৫৭ পিএম

শেরপুরে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ পরীক্ষায় বিশেষ কায়দায় ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে পাঁচ পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, ১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে লিখিত পরীক্ষায় পাসের চুক্তিতে তারা এই জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছিলেন।

শনিবার (৯ মে) দুপুরে জেলা শহরের নবারুণ পাবলিক স্কুল কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—শেরপুর সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের খুনুয়া গ্রামের মো. মহিউর রহমান মশাল, বলাইয়েরচর ইউনিয়নের কুমড়ারচর গ্রামের মো. মমিনুল ইসলাম মমিন, চরশ্রীপুর গ্রামের মো. রসুল মিয়া, পাইকারতলা গ্রামের মো. রায়হান হোসেন এবং চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের পূর্ব খাসপাড়া গ্রামের মো. শান্ত মিয়া।

পুলিশ জানায়, ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদের শারীরিক মাপ ও অন্য ইভেন্টে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা ছিলো বেলা ১১টায়। পরীক্ষা চলাকালে সন্দেহভাজন পাঁচ পরীক্ষার্থীর শরীর তল্লাশি করে বিশেষভাবে তৈরি গেঞ্জির ভেতরে বসানো ডিজিটাল ডিভাইস ও কানে লুকানো ক্ষুদ্র ইয়ারফোন উদ্ধার করা হয়। কারো গেঞ্জির ভেতর আবার কারো জুতার ভেতর অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে এসব ডিভাইস লুকানো ছিলো।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক পরীক্ষার্থীরা পুলিশকে জানিয়েছেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সঙ্গে তাদের প্রত্যেকের ১৮ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছিলো। এই চুক্তির আওতায় লিখিত পরীক্ষায় পাসের নিশ্চয়তা দিয়ে তাদের ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ওই চক্রটিই জালিয়াতির জন্য বিশেষভাবে তৈরি পোশাক ও জুতা সরবরাহ করেছিলো।

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জানান, একটি চক্র নিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে পরীক্ষার্থীদের ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারে প্রলুব্ধ করেছে। আমরা পুরো চক্রটিকে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি। আটক পাঁচজনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

নিয়োগ পরীক্ষায় এমন আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার ঠেকিয়ে পুলিশের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানান জেলা পুলিশের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com