1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
পুলিশ দেখে ইয়াবা ফেলে পালাল কারবারি, উখিয়ায় উদ্ধার ২ লাখ ইয়াবা ৬ মাসে সরকারের বিরুদ্ধে অপতথ্য প্রচার হয়েছে ৪৬৪টি : জাহেদ উর রহমান প্রেমিকের বিরুদ্ধে গর্ভপাতের চাপ ও নির্যাতনের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে প্রকাশ্যে বিচার চেয়েছিলো সুমাইয়া কক্সবাজারের বিশিষ্ট পীর ও আলেম শাহসূফি আলহাজ্ব আলিমুদ্দিন ফকির আর নেই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন না ৮ শ্রেণির মানুষ: নীতিমালা জারি খেলা দেখে বাড়ি ফেরার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় উখিয়ার যুবকের মৃত্যু মহানবীকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি, কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার সেই অনিক স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না : রাষ্ট্রপতি নাফ নদীতে অভিযান: ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৩ একাধিক মামলার পলাতক আসামী ফদনার ডেইলের কালু গ্রেপ্তার

কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইসসহ আটক পাঁচ

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৯/০৫/২০২৬ ৮:৫৭ পিএম

শেরপুরে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ পরীক্ষায় বিশেষ কায়দায় ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে পাঁচ পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, ১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে লিখিত পরীক্ষায় পাসের চুক্তিতে তারা এই জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছিলেন।

শনিবার (৯ মে) দুপুরে জেলা শহরের নবারুণ পাবলিক স্কুল কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—শেরপুর সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের খুনুয়া গ্রামের মো. মহিউর রহমান মশাল, বলাইয়েরচর ইউনিয়নের কুমড়ারচর গ্রামের মো. মমিনুল ইসলাম মমিন, চরশ্রীপুর গ্রামের মো. রসুল মিয়া, পাইকারতলা গ্রামের মো. রায়হান হোসেন এবং চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের পূর্ব খাসপাড়া গ্রামের মো. শান্ত মিয়া।

পুলিশ জানায়, ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদের শারীরিক মাপ ও অন্য ইভেন্টে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা ছিলো বেলা ১১টায়। পরীক্ষা চলাকালে সন্দেহভাজন পাঁচ পরীক্ষার্থীর শরীর তল্লাশি করে বিশেষভাবে তৈরি গেঞ্জির ভেতরে বসানো ডিজিটাল ডিভাইস ও কানে লুকানো ক্ষুদ্র ইয়ারফোন উদ্ধার করা হয়। কারো গেঞ্জির ভেতর আবার কারো জুতার ভেতর অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে এসব ডিভাইস লুকানো ছিলো।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক পরীক্ষার্থীরা পুলিশকে জানিয়েছেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সঙ্গে তাদের প্রত্যেকের ১৮ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছিলো। এই চুক্তির আওতায় লিখিত পরীক্ষায় পাসের নিশ্চয়তা দিয়ে তাদের ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ওই চক্রটিই জালিয়াতির জন্য বিশেষভাবে তৈরি পোশাক ও জুতা সরবরাহ করেছিলো।

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জানান, একটি চক্র নিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে পরীক্ষার্থীদের ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারে প্রলুব্ধ করেছে। আমরা পুরো চক্রটিকে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি। আটক পাঁচজনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

নিয়োগ পরীক্ষায় এমন আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার ঠেকিয়ে পুলিশের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানান জেলা পুলিশের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com