1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
পাঁচ-সাত দিনের মধ্যে গ্যাস সমস্যা স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরই ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী শাহপরীরদ্বীপে নাফ নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ দুই শিশুর মৃত্যু টেকনাফে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ফুটবলার সৈয়দ করিমের মৃত্যু চট্টগ্রামে এক ভবন থেকে ১৭০টি ডিভাইসসহ অনলাইন প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ৭০ বিদেশি আটক আ. লীগ ও ভারতের সঙ্গে আঁতাত করে দেশকে অশান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে জামায়াত হয় আমি থাকব, না হয় হাসপাতালের দুর্নীতি থাকবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ র‌্যাবের বিলুপ্তি চেয়েছিলাম, নাম বদলে একই বাহিনী চাইনি: জামায়াত আমির ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্টের রায়

১৬ মাসে বাংলাদেশে ঢুকেছে দেড় লাখ নতুন রোহিঙ্গা: ইউএনএইচসিআর

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ১৩/০৫/২০২৬ ৬:৪২ পিএম

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ কমছেই না। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংঘাত ও সহিংসতার কারণে ১৬ মাসে নতুন করে দেড় লাখের মতো রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে। বুধবার (১৩ মে) জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এই তথ্য জানিয়েছে।

মাসিক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করা এক লাখ ৪৯ হাজার ৭৬৯ জন রোহিঙ্গা নিবন্ধন করেছে। এর মধ্যে গত মাসে দুই হাজার ৭৮০ জন নতুন আগত হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন।

ইউএনএইচসিআর’র তথ্যমতে, বাংলাদেশের ক্যাম্পগুলোতে মোট ১১ লাখ ৯৪ হাজার ১২৩ জন রোহিঙ্গা চিহ্নিত করা গেছে। শরণার্থীদের মধ্যে ৭৮ শতাংশ নারী এবং শিশু, যেখানে ১২ শতাংশ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি।

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থাটি বলছে, ২০২৪ সাল থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা এবং নির্যাতনের কারণে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, যার ফলে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে নিরাপত্তা খুঁজছে। গত ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ইউএনএইচসিআর ১০ লাখ ৪৪ হাজার ৩৫৪ জন রোহিঙ্গার নিবন্ধন করেছে, যারা ১৯৯০ এবং ২০১৭ সাল থেকে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৯ হাজার ৬৯১ জন ১৯৯০ সালের পর এসেছেন এবং ১০ লাখ ৪ হাজার ৬৬৩ জন ২০১৭ সালের পর এসেছেন।

প্রতিবেদন বলছে, রাখাইন রাজ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের কারণে ২০২৪ সাল থেকে নতুন শরণার্থীরা বাংলাদেশে নিরাপত্তার সন্ধান অব্যাহত রেখেছে। ফলস্বরূপ, ২০২৪ সালের শেষের দিকে ক্যাম্পগুলোতে নতুন আগতদের একটি ঢেউ চিহ্নিত করা হয়েছিল এবং তাদের বায়োমেট্রিক সনাক্তকরণ চলছে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com