1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
৩ টি পুলিশ ফাঁড়ি হবে টেকনাফের বাহারছড়ায় : প্রস্তাবিত কচ্ছপিয়ায় পুলিশ ফাঁড়ির জমি নির্ধারন উখিয়ায় সরকারি খাল ভরাট করে আওয়ামী লীগ নেতার দোকান নির্মাণ, প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন সাতক্ষীরার সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম ডিবির হাতে গ্রেফতার কাউন্সিলর একরাম হত্যা: হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন উখিয়ায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সমাবেশের ঘটনায় সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা, আসামী ১১৪, গ্রেফতার ২ সরকারবিরোধী মিছিলের প্রস্তুতি, যুবলীগ-ছাত্রলীগের ৫৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা বিএনপি নেতার বাড়িতে ককটেল হামলা: আ.লীগের ৬০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদ-সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ ছাত্রলীগ পুনর্বাসনের অভিযোগ তুলে ছাত্রশক্তির সভায় কমিটি নিয়ে হট্টগোল ৯৮টি মামলা, ৯৯ দিন রিমান্ডে ছিলাম’: পলক

সরকারবিরোধী মিছিলের প্রস্তুতি, যুবলীগ-ছাত্রলীগের ৫৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৬/০৭/২০২৬ ৭:৫৫ পিএম

সরকারবিরোধী মিছিলের প্রস্তুতি ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৩০-৪০ জনকে আসামি করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায়।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। ‎এ মামলায় মাসুদ মিয়া (২৮) ও রাহুল (২৫) নামে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মামলায় এসআই মাসুম বিল্লাহ উল্লেখ করেন, গত ২২ জুলাই সকালে তিনি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের মাদানীনগর এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীরা সরকারবিরোধী মিছিল ও স্লোগান দেওয়ার উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালালে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। ‎পরে স্থানীয়দের তথ্য ও পুলিশের তদন্তে অভিযুক্তরা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সক্রিয় সদস্য-সমর্থক এবং সরকারবিরোধী কর্মকা- ও দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে সেখানে সমবেত হয়েছিল বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

‎‎মামলায় আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা তাঁতী লীগ সভাপতি লিটন ওরফে গুজা লিটন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জহির, তার ভাই সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম, থানা ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, সাজ্জাদ, সুজন, মোস্তফা মিজিসহ ১৮ জন।

এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামি করা হয় মামলায়।

‎‎সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়েরের পর মাসুদ মিয়া ও রাহুলকে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আদালত চলাকালে পেপারওয়েট ছুড়ে আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক ডেস্ক রিপোর্ট বার্তা বাজার ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ণ 23 Shares facebook sharing buttonmessenger sharing buttonwhatsapp sharing buttontwitter sharing buttonlinkedin sharing buttonprint sharing button গোপালগঞ্জে আদালতের এজলাসে কাচের পেপারওয়েটের আঘাতে এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী আহত হয়েছেন। বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২–এ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীদের অভিযোগ, আদালতের বিচারক মো. সুজন মিয়া ওই পেপারওয়েট ছুড়ে মেরেছেন। আহত সাবিহা সুলতানাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই ঘটনার পর জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মৌখিক অভিযোগ করেন। পরে বিচারক সুজন মিয়ার আমলি ক্ষমতা (কগনিজেন্স পাওয়ার) প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে প্রজ্ঞাপন হয়েছে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। আদালত–সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এজলাস চলাকালে পেছনের দিকে কয়েকজন আইনজীবীর কথাবার্তা নিয়ে বিচারক সুজন মিয়া অসন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রথমে তিনি টেবিলে আঘাত করে তাদের চুপ থাকতে ইঙ্গিত দেন। এরপরও পরিস্থিতির পরিবর্তন না হওয়ায় তিনি টেবিলে থাকা একটি কাচের পেপারওয়েট দিকে ছুড়ে মারেন। সেটি শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথার ডান পাশে আঘাত হানে। আইনজীবীরা তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাবিহা সুলতানা বলেন, ‘আদালতের কার্যক্রম চলাকালে আমি এজলাসে চুপচাপ বসে আমার সেরেস্তার নথিপত্র দেখছিলাম। হঠাৎ একটি বস্তু এসে আমার মাথায় আঘাত করে। সঙ্গে সঙ্গে মাথা থেকে রক্ত পড়তে শুরু করে। পরে তাকিয়ে দেখি, সামনে একটি পেপারওয়েট পড়ে আছে।’ বুধবার রাতে তিনি জানান, তার কপালে সেলাই লাগেনি। তবে এখনো মাথায় ব্যথা আছে। জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ আলম সেলিম বলেন, ‘এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। একজন বিচারকের কাছ থেকে এটি মোটেও প্রত্যাশিত নয়। ঘটনার পর আমরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয়কে বিষয়টি অবহিত করি। সংশ্লিষ্ট বিচারককে বিচারিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার এখতিয়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেই, এটি উচ্চ আদালত পারেন। তাই আপাতত তার আদালতের কার্যক্রম অন্য বিচারকের মাধ্যমে পরিচালনার দাবি জানিয়েছি। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমাদের দাবি মেনে নিয়েছেন।’ এম এ আলম সেলিম জানান, ওই ঘটনা নিয়ে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা জজ বৃহস্পতিবার সকালে আইনজীবীদের সঙ্গে আবারও বৈঠক করবেন।

© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com