1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
শেখ হাসিনা দেশে আসার কোনো সুযোগ নেই: পানি সম্পদমন্ত্রী টেকনাফে ৫৭ লাখ টাকা ডাকাতির ঘটনায় আটক ২ : উদ্ধার হয়নি টাকা সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণ, যুবকের পা বিচ্ছিন্ন সাবেক যুগ্ম সচিব জগলুল পাশা ৭ দিনের রিমান্ডে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ, অনুষ্ঠিত হবে ২০ আগস্ট সাদ্দাম-ইনানকে ফোনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের বাংলাদেশ-মিয়ানমার করিডোরে এগোতে চায় চীন, পরে যুক্ত হতে পারে ভারত আওয়ামী লীগের পরিণতি নির্ধারণ করবে আদালত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারি বৃষ্টিতে উখিয়ার ছেপটখালীতে তলিয়ে গেল সংযোগ সড়ক, যাতায়াতে ভোগান্তি শেখ হাসিনা ফ্যাসিস্ট নন, তিনি একজন মাফিয়া: উপদেষ্টা জাহেদ

সাদ্দাম-ইনানকে ফোনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৬/০৮/২০২৬ ২:৩০ পিএম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের ফোনালাপ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেছে প্রসিকিউশন।

বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় প্রসিকিউশন এই কল রেকর্ড দাখিল করে। প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৩ জুলাই ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানকে সরাসরি ফোন করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার নির্দেশ দেন তৎকালীন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কল রেকর্ডটি উপস্থাপন করা হয়।

ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপিত কল রেকর্ড অনুযায়ী, ১৩ জুলাই ওবায়দুল কাদের ফোনে তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেনের কাছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চান। সাদ্দাম জানান, প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন এবং রাত সাড়ে ৮টায় সংবাদ সম্মেলন করে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।

এ সময় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‌‘মারো না কেন? মারো না কেন ওদের?’ জবাবে সাদ্দাম পুলিশি অবস্থানের কথা উল্লেখ করলে কাদের আবার বলেন, ‘তা মারতেছ না কেন? নিজ থেকে হালকা হয়ে যাবে তো।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়াও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান আসামি।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, মামলার সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলছে। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। পরে গত ২ আগস্ট মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৮ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com