1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
৬ মাসে সরকারের বিরুদ্ধে অপতথ্য প্রচার হয়েছে ৪৬৪টি : জাহেদ উর রহমান প্রেমিকের বিরুদ্ধে গর্ভপাতের চাপ ও নির্যাতনের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে প্রকাশ্যে বিচার চেয়েছিলো সুমাইয়া কক্সবাজারের বিশিষ্ট পীর ও আলেম শাহসূফি আলহাজ্ব আলিমুদ্দিন ফকির আর নেই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন না ৮ শ্রেণির মানুষ: নীতিমালা জারি খেলা দেখে বাড়ি ফেরার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় উখিয়ার যুবকের মৃত্যু মহানবীকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি, কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার সেই অনিক স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না : রাষ্ট্রপতি নাফ নদীতে অভিযান: ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৩ একাধিক মামলার পলাতক আসামী ফদনার ডেইলের কালু গ্রেপ্তার হাসনাত দুঃখপ্রকাশ না করলে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রোগ্রাম নিষিদ্ধ: রফিকুল মাদানী

টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের বিমান হামলা ও ভারী বিস্ফোরণের শব্দ, চরম আতঙ্ক ও সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০২/০৭/২০২৬ ৪:৫৭ পিএম

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সরকারি জান্তা বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) মধ্যে চলমান তীব্র সংঘর্ষের জেরে আবারো উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা। ওপারে রাতভর চলা ব্যাপক বিমান হামলা এবং ভারী বোমাবর্ষণের বিকট শব্দে কেঁপে উঠেছে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত। এতে ওপার থেকে ধেয়ে আসা বিস্ফোরণের শব্দে এপারে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

### রাতভর বোমাবর্ষণ, কাঁপছে টেকনাফ

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত থেকে শুরু করে পরদিন সকাল পর্যন্ত রাখাইন রাজ্যে দফায় দফায় বিমান হামলা ও ভারী গোলাবর্ষণ করা হয়। বোমার বিকট শব্দে টেকনাফের হোয়াইক্যং, হ্নীলা ও শাহপরীর দ্বীপসহ বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকার ঘরবাড়ি ও আশপাশের এলাকা কেঁপে ওঠে। ঘরবাড়ি কেঁপে ওঠায় নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন সীমান্তের বাসিন্দারা। এমনকি ওপারে জান্তা বাহিনীর বিমান থেকে ফেলা বোমার কারণে সৃষ্ট আগুনের লেলিহান শিখা ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী এপার থেকেও স্পষ্ট দেখা গেছে।

> **স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান:** “রাতের বেলা হঠাৎ করেই বিকট শব্দে চারপাশ কেঁপে ওঠে। মনে হচ্ছিল ভূমিকম্প হচ্ছে। জানালার কাচ ও ঘরের দেয়ালও কাঁপছিল। ওপারে আগুনের আলো দেখা যাচ্ছিল। আমরা আতঙ্কে পুরো রাত ঘুমাতে পারিনি।”

### অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের সর্বোচ্চ সতর্কতা

সীমান্তের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে যেকোনো ধরনের নতুন করে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী। টেকনাফের নাফ নদী ও স্থল সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে (অ্যালার্ট) রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও কোস্ট গার্ড।

* **টহল জোরদার:** নাফ নদীতে কোস্ট গার্ডের স্পিডবোট এবং স্থল সীমান্তে বিজিবির বিশেষ টহল দল সার্বক্ষণিক পাহারা দিচ্ছে।
* **কড়া নজরদারি:** দূরবীন ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ওপারের পরিস্থিতির ওপর কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে।
* **জিরো টলারেন্স:** সীমান্ত দিয়ে কোনো রোহিঙ্গা বা অন্য কোনো নাগরিক যেন অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করা হয়েছে।

বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সীমান্তে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানোর সুযোগ নেই। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। ওপারে সংঘর্ষের গতিবিধির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে এবং স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com