গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ ও রাষ্ট্রীয়ভাবে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়েছে। শুক্রবার (৮ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, জুলাই রেভুলোশনারি জার্নালিস্ট অ্যালায়েন্স কর্তৃক আয়োজিত এক
গাজীপুর মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে সাংবাদিক মো. আসাদুজ্জামান তুহিনকে (৩৮)। পুলিশের ধারণা, দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘটিত এক মারধরের ঘটনা মোবাইলে ভিডিও ধারণ করায় এই হত্যাকাণ্ড
গাজীপুরে এক সাংবাদিককে কুপিয়ে হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) এক বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন,
গাজীপুরে চাঁদাবাজি নিয়ে লাইভ করার পর আসাদুজ্জামান তুহিন (৩৮) নামের এক সাংবাদিককে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত পৌনে ৮টার দিকে মহানগরীর ব্যস্ততম চান্দনা চৌরাস্তায়
গাজীপুর মহানগরীর সদর মেট্রো থানার কাছে প্রকাশ্যে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে এক সাংবাদিককে পিটিয়ে ও ইট দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। এ সময় সাংবাদিক বাঁচার জন্য
সাবেক এমপি যুবলীগ নেতা ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন। বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এ দাবি করেন। ইলিয়াস বলেন, ৩ আগস্ট