1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম অস্ত্রসহ আটকের পর যুবদল নেতা আয়াত উল্লাহ হুমাইনী বহিষ্কার ইষ্ট বেকারের জ্যাম-ফিল্ড ব্রেডে স্বাস্থ্যঝুঁকি, বিক্রি বন্ধের নির্দেশ অভিযানের তথ্য ফাঁস করায় সোর্সকে কারাদণ্ড জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনক্ষোভের বিস্ফোরণ: রাষ্ট্রপতি মিয়ানমারের উপকূলে দুটি নৌকাডুবি, ৫ শতাধিক মৃত্যুর শঙ্কা ৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার মেসিদের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের গোপন ছক, এক পানির বোতলেই সব ফাঁস! অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী এই আন্দোলনে অনেকে আছে যারা ছাত্রই না, কিছু মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রক্তপাতহীন স্থানীয় সরকার নির্বাচন চাই : সিইসি

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২১/০৫/২০২৬ ১১:১৩ পিএম

রক্তপাতহীন স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। অতীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সংঘাত ও প্রাণহানির নানা ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান লক্ষ্য হবে শান্তিপূর্ণ ও সহিংসতামুক্ত নির্বাচন আয়োজন। এ জন্য রাজনৈতিক দলসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতাও কামনা করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (আনফ্রেল)। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সিইসি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অতীতের সহিংসতার চিত্র তুলে ধরে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর তথ্যে দেখা গেছে, ২০১৬ সালের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ২৩৬ জন নিহত হন। অন্যদিকে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রাণ হারান ১১৬ জন। এসব ঘটনা ভবিষ্যতের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সিইসি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন নির্বাচন কমিশনের জন্য একটি ‘বিরাট চ্যালেঞ্জ’। কারণ দেশে বর্তমানে ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ, ৬১টি জেলা পরিষদ, ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং প্রায় ৩৩০টি পৌরসভার নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। এত বিপুল সংখ্যক নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে কমিশন সর্বাত্মক চেষ্টা চালাবে বলেও জানান তিনি।

ঋণখেলাপিদের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। তাই এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। তবে নির্বাচন কমিশন এ ক্ষেত্রে ‘চেরি পিক’ বা বাছাই করে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের চলমান কর্মশালার প্রসঙ্গ টেনে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, কোথায় কোথায় উন্নতির সুযোগ রয়েছে, তা চিহ্নিত করার কাজ চলছে। তিনি বলেন, একটি নির্বাচন কমিশন সাধারণত দুটি জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের সুযোগ পায় না। একটি নির্বাচন সম্পন্ন করার পরই কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। ফলে নতুন কমিশনকে নতুনভাবে সবকিছু শুরু করতে হয়। সেই অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বর্তমান কমিশন ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা সংরক্ষণ করতে চায়।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com