1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
পাঁচ-সাত দিনের মধ্যে গ্যাস সমস্যা স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরই ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী শাহপরীরদ্বীপে নাফ নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ দুই শিশুর মৃত্যু টেকনাফে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ফুটবলার সৈয়দ করিমের মৃত্যু চট্টগ্রামে এক ভবন থেকে ১৭০টি ডিভাইসসহ অনলাইন প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ৭০ বিদেশি আটক আ. লীগ ও ভারতের সঙ্গে আঁতাত করে দেশকে অশান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে জামায়াত হয় আমি থাকব, না হয় হাসপাতালের দুর্নীতি থাকবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ র‌্যাবের বিলুপ্তি চেয়েছিলাম, নাম বদলে একই বাহিনী চাইনি: জামায়াত আমির ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্টের রায়

ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, দখলে নিয়েছে বিস্তৃত এলাকা

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ৩০/০৬/২০২৬ ৪:৪২ পিএম

ভারতের অরুণাচল প্রদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন আপার সুবানসিরি জেলায় চীনা সামরিক বাহিনীর অনুপ্রবেশ নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্থানীয় ‘নহ্’ উপজাতি সম্প্রদায়। তাদের দাবি, গত ছয় বছরে পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) তাদের ঐতিহ্যবাহী চারণভূমি, শিকার অঞ্চল এবং কৃষিজমির একটি বড় অংশ দখল করে নিয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এবং আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। সম্প্রতি আপার সুবানসিরির ডেপুটি কমিশনারের কাছে জমা দেওয়া এক স্মারকলিপিতে ‘নহ্ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’-এর সভাপতি কেরু চাদের এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তোলেন।

স্মারকলিপিতে কেরু চাদের উল্লেখ করেন, “আমাদের পূর্বপুরুষদের যেসব জমিতে আমরা কয়েক বছর আগেও অবাধে যাতায়াত করতাম, বনের ফলমূল সংগ্রহ করতাম এবং গবাদি পশু চরাতাতাম—সেসব শিকার ও চারণভূমি এখন চীনা সেনার দখলে চলে গেছে। আমরা দিন দিন আমাদের মাতৃভূমি হারাচ্ছি।”

সংগঠনটির দাবি, আপার সুবানসিরির তাকসিং রাজস্ব সার্কেলের অধীনে থাকা অন্তত পাঁচটি কৌশলগত স্থানে চীন তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর বেইজিং অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে তাদের আধিপত্য বাড়াচ্ছে বলে অভিযোগ নহ্ সম্প্রদায়ের।

নহ্ ওয়েলফেয়ার সোসাইটির তথ্যমতে, ২০২০ সাল পর্যন্ত যেসব এলাকা তাদের ঐতিহ্যগত নিয়ন্ত্রণে ছিল, সেগুলো এখন চীনা সেনারা নিজেদের কবজায় নিয়েছে। গত ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে তাকসিং সীমান্ত এলাকায় চীন তাদের তৎপরতা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি করেছে।

অনুপ্রবেশের শিকার প্রধান এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে আসাফিলা অঞ্চলের ওইং, চুজারতা অঞ্চলের পানিয়ার, মারনাফে অঞ্চলের মারপান, পোত্রাং লেক ও তিনদিংতাং। স্থানীয়দের দাবি, এই এলাকাগুলো তাকসিং সদরের অত্যন্ত কাছাকাছি এবং এর মধ্যে কয়েকটি স্থান তাদের পবিত্র তীর্থভূমি হিসেবে গণ্য হয়।

স্মারকলিপিতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, ভারতীয় সীমানার ভেতরে ঢুকে চীনা বাহিনী রাস্তাঘাট এবং স্থায়ী সামরিক ক্যাম্প তৈরি করেছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর ওপর আস্থা প্রকাশ করে এনডব্লিউএস সভাপতি বলেন, “আমরা আমাদের সেনাবাহিনীকে সন্দেহ করি না। তারা দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সীমান্ত পাহারা দিচ্ছেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে চীনা পিএলএর আগ্রাসনের গতি ও উদ্দেশ্য এতটাই ভয়াবহ যে, কেবল বর্তমান প্রচেষ্টা দিয়ে তা ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না।”

বিষয়টিকে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে দেখছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। নাচোর বিধায়ক নাকাপ নালো বলেন, “যেহেতু এটি জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়, তাই অভিযোগগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত সরকারি তদন্ত ও যাচাইকরণ প্রয়োজন।”

তবে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে আপার সুবানসিরির ডেপুটি কমিশনার গাম্বো তাসো বা অরুণাচল প্রদেশ সরকারের কোনো শীর্ষ কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com