1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
আসিফ-হাসনাত জেলা পরিষদের তহবিল থেকে ২৫ কোটি টাকা নিয়েছেন: প্রশাসক অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে নেতাকর্মীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান টেকনাফে মাদক মামলায় ৮ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি জহির গ্রেফতার পটিয়ায় ২৭০০ ইয়াবাসহ টেকনাফের রোহিঙ্গা দম্পতি আটক কক্সবাজারে ২০ হাজার টাকায় শিশু কেনার দাবিটি ‘গুজব’, মুক্ত পর্যটক দম্পতি টেকনাফে সালিশ বৈঠকে হামলায় ইউপি সদস্য আহত ১৭ বছর পর স্বাধীনভাবে নেতাকে স্মরণ করার সুযোগ হয়েছে : মির্জা ফখরুল নারীর হাতে জুতাপেটার শিকার এনসিপি নেতা, দল থেকে অব্যাহতি শহীদ জিয়ার ভাষণ বাংলাদেশের জনগণকে জাতীয় মুক্তির দিকে নিয়েছিল: ভারতীয় হাইকমিশনের বিবৃতি জুলাই আন্দোলনে ১,৪০০ জনের মৃত্যুর তথ্য প্রত্যাহারে জাতিসংঘে ‘শেখ হাসিনার চিঠি’

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে শিশুকে ‘কেনার’ অভিযোগ, দম্পতি পুলিশের হেফাজতে

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ৩০/০৫/২০২৬ ১২:০৪ পিএম

ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার বেড়াতে এসে সমুদ্রসৈকত এলাকা থেকে আড়াই মাস বয়সী এক শিশুকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগে চট্টগ্রামের এক দম্পতিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

আটকরা হলেন চট্টগ্রামের দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ার সৌরভ হাসান ও লাইলা বেগম লতা। তারা কক্সবাজার শহরের একটি আবাসিক হোটেলে উঠেছিলেন। সঙ্গে ছিল তাদের ৬ বছরের এক কন্যাশিশুও।

জানা গেছে, শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে তারা একটি আবাসিক হোটেলে রুম বুকিং নেন। পরে সমুদ্রসৈকত এলাকায় ঘুরতে গিয়ে বিচের হকার জাহাঙ্গীর আলম ও তার স্ত্রী ফাতেমা বেগমের সঙ্গে পরিচয় হয়।

ফাতেমা বেগম অভিযোগ করেন, তার আড়াই মাস বয়সী সন্তান কান্না করছিল। এসময় লাইলা বেগম শিশুটিকে কোলে নিয়ে আদর করতে থাকেন। একপর্যায়ে মাসিক ৫ হাজার টাকা খরচ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে শিশুটিকে নিতে চান। এতে রাজি না হলে পরে শিশুটিকে কৌশলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ফাতেমা আরও জানান, পানি খেতে যাওয়ার সুযোগে শিশুটিকে কোলে নিয়ে ওই দম্পতি দ্রুত সরে পড়েন। পরে শিশুকে নিয়ে তারা হোটেলে ফিরে রুম চেকআউট করতে চাইলে সন্দেহ হয় হোটেল ম্যানেজারের।

হোটেল ম্যানেজার জানতে চান, একদিন থাকার কথা বলে কেন তারা হঠাৎ চলে যাচ্ছেন এবং শিশুটি কার। এসময় দম্পতি শিশুটিকে তাদের বোনের সন্তান বলে দাবি করলে সন্দেহ আরও বাড়ে।

পরে জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে ট্যুরিস্ট পুলিশের উপ-পরিদর্শক সাইমন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করেন।

থানায় নিয়ে আসার পর ওই দম্পতি ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে শিশুটিকে নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। পরে তারা ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ করবেন না মর্মে মুচলেকাও দেন।

সদর মডেল থানার ওসি তদন্ত হিমেল রায় জানান, ঘটনাটির প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের হেফাজতে রাখা হয়েছে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com