
কক্সবাজার জেলায় চলতি বছর ৭ হাজার ৭১৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৫ হাজার ৭২০ জন রোহিঙ্গা, যা মোট আক্রান্তের ৭৪ শতাংশের বেশি। একই সময়ে ডেঙ্গুতে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে, এদের মধ্যে ১০ জন রোহিঙ্গা এবং একজন স্থানীয় বাংলাদেশি, ফলে মৃত্যুহারে রোহিঙ্গাদের অংশ ৯০ শতাংশের বেশি।
কক্সবাজার জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় জানায়, ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসায় জেলা সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ফিল্ড হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছে। চিকিৎসক ও নার্সদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
ডা. মোহাম্মদুল হক বলেন, “রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় ঘনবসতি, জমে থাকা আবর্জনা এবং বিভিন্ন নালায় পানি জমে থাকার কারণে মশার উপদ্রব বেড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উষ্ণ তাপমাত্রা মশার প্রজননকে অনুকূল করছে, যা আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার উভয়েই বেশি।”
পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সতর্কতা আরও প্রয়োজন।