1. admin1@shimantoshohor.com : ডেস্ক নিউজ • : ডেস্ক নিউজ •
  2. info@shimantoshohor.com : Admin Panel : Admin Panel
  3. alamcox808@gmail.com : Bodi Alam : Admin5 Admin5
  4. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর ডেস্ক: : NR Akash
  5. admin@shimantoshohor.com : প্রকাশক : সীমান্ত শহর ডেস্ক: Islam
শিরোনামঃ
রামুতে পাহাড় কাটার সময় ড্রামট্রাক জব্দ উখিয়ায় অতিরিক্ত দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির দায়ে অর্থদণ্ড জরিমানা ভারত থেকে ভেনামি চিংড়ির নপলি আমদানির অনুমতি বাতিলের দাবি পোস্টাল ব্যালট পুনরায় ছাপানোর দাবি বিএনপির ঋণ পরিশোধ করেছেন বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল, মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ কক্সবাজার ০২ আসন: সাবেক দুই এমপির সামনে ৪ প্রার্থী চকরিয়ায় বসতঘর থেকে পিস্তল ও গুলি উদ্ধার : আটক ১ টেকনাফে প্রায় ৪ কোটি টাকার ইয়াবাসহ ২ পাচারকারি আটক ছাত্রসংযোগ মাস উপলক্ষে উখিয়ায় ছাত্রশিবিরের জনশক্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত কক্সবাজার সিটি কলেজের ওয়েবসাইট হ্যাক : ভারতীয় পতাকা দিলো হ্যাকাররা

নির্বাচনি ব্যয় বিবরণী দাখিল না করলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে: ইসি

✍️ প্রতিবেদক: সীমান্ত শহর ডেস্ক:

  • আপডেট সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৬ বার পঠিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনি ব্যয় বিবরণী দাখিল, নির্বাচনি ব্যয় বিবরণী দাখিল না করার শাস্তি, নির্বাচনে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ ও জাল ভোট প্রদান রোধকল্পে ব্যবস্থা গ্রহণে পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের জন্য সম্ভাব্য উৎসের বিবরণী মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল না করলে অথবা নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন ফলাফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে না করলে অথবা এ সংক্রান্ত নিয়মাবলী পরিপালন না করলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে বলে পরিপত্রে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ইসি সচিবালয়ের উপসচিব নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখা মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

পরিপত্র অনুসারে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচনের ব্যয় নির্বাহের জন্য অর্থ প্রাপ্তির সম্ভাব্য উৎস ও নির্বাচনি ব্যয়ের বিবরণী যথাসময়ে দাখিল নিশ্চিতকরণ এবং নির্বাচনে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ, ভীতি প্রদর্শন, বল প্রয়োগ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্যাদির ব্যবহার রোধকল্পে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের বিষয়ে আলোকপাত করবেন।

নির্বাচনি ব্যয়ের সম্ভাব্য উৎস ও বিবরণী দাখিল : নির্বাচনি ব্যয় বিবরণীর বিষয়ে ইতোমধ্যে জারিকৃত পরিপত্র-৪ এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবুও এ সম্পর্কে সচেতন থাকার লক্ষ্যে নিম্নলিখিত বিষয়ে প্রার্থীগণকে বার বার স্মরণ করে দিতে হবে। নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি ২৯ অনুসারে নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের জন্য তহবিলের সম্ভাব্য উৎসের বিবরণী ফরম-২০ এ এবং প্রার্থীর সম্পদ, দায়-দেনা ও তার বাৎসরিক আয়-ব্যয় বিবরণী ফরম-২১ মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করার বিধান রয়েছে।

নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল : নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি ৩০ অনুসারে ফরম-২২ এ প্রত্যেক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন দাখিলের নির্দেশনা রয়েছে। তাছাড়া গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৪৪গ এর দফা (১) এর বিধান অনুসারে নির্বাচিত প্রার্থীর নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে প্রার্থীর নির্বাচনি এজেন্টকে (যিনি নির্বাচনি এজেন্ট নিয়োগ করেননি, তিনি নিজেই তার নির্বাচনি এজেন্ট হিসাবে গণ্য হবেন) ফরম-২২-এ এফিডেভিটসহ সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের নিকট নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব দাখিল করতে হবে। রিটার্নের সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি ৩১ অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীগণকে ফরম ২২ক (যে ক্ষেত্রে প্রার্থী স্বয়ং তার নির্বাচনি এজেন্ট সে ক্ষেত্রে প্রার্থীর হলফনামা), ফরম-২২খ (নির্বাচনি এজেন্ট নিয়োগ করা হলে প্রার্থীর হলফনামা), ফরম-২২গ (নির্বাচনি এজেন্টের হলফনামা) এর নমুনায় হলফনামা দাখিল করতে হবে।

রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিলকৃত রিটার্ন ও এফিডেভিটের অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়েও পাঠাতে হবে। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য, সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে বা নির্বাচনে বিজয়ী/পরাজিত সকল প্রার্থীকে নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল করতে হবে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত প্রার্থীদের ক্ষেত্রেও নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন অবশ্যই দাখিল করতে হবে। এমনকি কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনে কোনো ব্যয় না হলেও তা নির্ধারিত ফরমে উল্লেখপূর্বক রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

নির্বাচনি ব্যয়ের বিষয়বস্তু : গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৪৪গ(১) অনুসারে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর দাখিলকৃত নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্নে নিম্নবর্ণিত বিষয়াদি উল্লেখ থাকতে হবে :

(ক) প্রত্যেক দিন ব্যয়িত অর্থের বিবরণীসহ পরিশোধিত অর্থের সকল বিল, রসিদ ও ভাউচারসমূহ।

(খ) আদেশের অনুচ্ছেদ ৪৪খখ এর দফা (ক) তে বর্ণিত তফসিলি ব্যাংকে খোলা একাউন্টে জমাকৃত অর্থ এবং উক্ত একাউন্ট হতে উত্তোলিত অর্থের প্রত্যয়িত বিবরণী। (গ) প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ব্যক্তিগত খরচ, যদি থাকে।

(ঘ) নির্বাচনি এজেন্ট অবহিত আছেন এরূপ সকল বিতর্কিত দাবীর বিবরণী। (ঙ) নির্বাচনি এজেন্ট অবহিত আছেন এরূপ সকল অপরিশোধিত দাবীর একটি বিবরণী। (চ) নির্বাচনি খরচের জন্য যেকোন উৎস থেকে প্রাপ্ত সকল অর্থ প্রাপ্তির প্রমাণসহ ও উক্ত অর্থের প্রত্যেক উৎসের নাম উল্লেখ করে বিবরণী।

নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল সংক্রান্ত বিধান অবহিতকরণ : রিটার্নিং অফিসার নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল সংক্রান্ত বিধান সংশ্লিষ্ট সকলকে জানিয়ে দিবেন। তারপরও যদি কেউ বিধান লংঘন করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৯০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, যে ক্ষেত্রে নির্বাচনের বিরুদ্ধে নির্বাচনি মামলা দায়ের হবে না, সেক্ষেত্রে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার দিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হবে এবং যে নির্বাচনে অপরাধ সংঘটিত হবে যদি ওই নির্বাচন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারাধীন থাকে এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত অপরাধ সম্পর্কে কোন আদেশ দান করেন তবে আদেশ দানের তিন মাসের মধ্যে রিটার্নিং অফিসারকে উপযুক্ত আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে। মামলা দায়েরের জন্য নির্বাচন কমিশনের পূর্বানুমতির প্রয়োজন নেই। ফলে এ বিষয়ে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর বিভিন্নভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের অবহিত করে ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল নিশ্চিত করা আবশ্যক।

নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের লক্ষ্যে তহবিলের সম্ভাব্য উৎসের বিবরণী এবং নির্বাচনি রিটার্ন দাখিল না করার শাস্তি : গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৭৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৪৪কক, ৪৪খ বা ৪৪গ অনুচ্ছেদের বিধানাবলী পালন করতে ব্যর্থ হলে অর্থাৎ নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের জন্য সম্ভাব্য উৎসের বিবরণী মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল না করলে বা নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন ফলাফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে দাখিল না করলে বা এ সংক্রান্ত নিয়মাবলী পরিপালন না করলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে।

সম্ভাব্য ব্যয়ের উৎসসহ বিভিন্ন বিবরণী ও রিটার্ন জমা না দেয়া বা এ সংক্রান্ত অপরাধের শাস্তি : গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৭৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৪৪কক অনুচ্ছেদের অধীন দাখিলকৃত বিবরণীতে বর্ণিত উৎস ব্যতীত অন্য কোন উৎস থেকে নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহ করলে বা ৪৪খ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত বিধান যেমন- নির্বাচনি এজেন্ট ব্যতীত অন্য কারও মাধ্যমে অর্থ খরচ করা, নির্বাচনি ব্যয়ের সীমা অতিক্রম বা কতিপয় নিষিদ্ধ কার্যক্রম গ্রহণ করলে অন্যূন ২ বৎসর ও অনধিক সাত বছরের কারাদণ্ডে এবং অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হতে পারে। অন্যদিকে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৪ অনুসারে ৪৪কক বা ৪৪গ এর বিধানাবলি পালনে ব্যর্থ হলে বা নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের লক্ষ্যে সম্ভাব্য উৎসের বিবরণী ও ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল না করলে অথবা এ সংক্রান্ত বিধি-বিধান প্রতিপালন না করলে দুর্নীতিমূলক অপরাধ বলে গণ্য হবে এবং এর জন্য অন্যূন দুই বছর ও অনধিক সাত বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হতে পারে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com