1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
শেখ হাসিনা ফ্যাসিস্ট নন, তিনি একজন মাফিয়া: উপদেষ্টা জাহেদ পথ হারালে এই জাদুঘরে এসে পথ খুঁজে নেবো: ড. ইউনূস উখিয়ায় ভূমি অফিসে দালালদের তালিকা প্রকাশের ঘোষণা উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে আবারো এক শিশুর মৃত্যু আমরা অপেক্ষা করছি দেশে আসেন, দেখা হবে রাজপথে: শেখ হাসিনার উদ্দেশে হাফিজ উদ্দিন বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে জাল নথি প্রস্তুত, সেই যুগ্ম সচিব জগলুল পাশা গ্রেপ্তার ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জামায়াতের সাবেক আমির গ্রেপ্তার সংঘাতের রাজনীতি নয়, শান্তির বাংলাদেশ চাই: আজহারী জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, বিদ্যালয়ে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ থাইংখালীতে জমিদখলের চেষ্টা, ১৪৪ ধারায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার আদেশ আদালতের

পথ হারালে এই জাদুঘরে এসে পথ খুঁজে নেবো: ড. ইউনূস

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৫/০৮/২০২৬ ৮:৩২ পিএম

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরকে শুধু ইতিহাস সংরক্ষণের স্থান নয়, বরং নতুন বাংলাদেশ গঠনের অনুপ্রেরণার কেন্দ্র হিসেবে বর্ণনা করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেছেন, পথ হারালে এই জাদুঘরই জাতিকে নতুন পথ দেখাবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশ গঠনের প্রেরণা জোগাবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) ঢাকার জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমরা পথ হারিয়ে ফেললে এখানে এসে পথ খুঁজে নেবো। আমাদের চিন্তায় যদি কোনো গাফিলতি আসে, এখান থেকেই তার ঠিকানা খুঁজে আবার নতুন করে যাত্রা শুরু করবো।’

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা ধরনের জাদুঘর থাকলেও এ জাদুঘরের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন। কারণ, এখানে বহু বছরের পুরোনো ইতিহাস নয়; গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাগুলো ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট দলিল, স্মারক, নিদর্শন এবং মানুষের অনুভূতি সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

তার ভাষায়, ‘ঘটনা ঘটেছে আর আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সেই ঘটনার প্রতিটি নমুনা ও ইতিহাস সংগ্রহ করে জাদুঘরে নিয়ে এসেছি। এটাই আমাদের ইতিহাস সংরক্ষণের এক নতুন অধ্যায়।

জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণদের আত্মত্যাগের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, অনেকেই কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই নিজেদের অনুভূতি লিখে গেছেন। পরিবারের বাধা উপেক্ষা করে কেন তারা রাজপথে নেমেছিলেন, সেটিও চিঠিতে তুলে ধরেছেন। এসব দলিল ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, দেশের প্রতিটি তরুণ যেন সেই চিঠিগুলোর লেখকদের মতো নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে আসে। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, প্রতিটি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, তরুণ-তরুণী এবং সাধারণ নাগরিক অন্তত একবার এই জাদুঘর পরিদর্শন করবেন। শুধু পরিদর্শন নয়, তারা যেন এখানে বসে নিজেদের স্বপ্ন, প্রত্যাশা ও ভবিষ্যতের পরিকল্পনাও লিখে রেখে যান।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এই জাদুঘর শুধু স্মৃতি সংরক্ষণের স্থান নয়, সংস্কৃতি, শিল্প, সংগীত, চিত্রকলা এবং অন্যান্য সৃজনশীল কর্মকাণ্ডেরও একটি প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com