1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
আদালত চলাকালে পেপারওয়েট ছুড়ে আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক ডেস্ক রিপোর্ট বার্তা বাজার ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ণ 23 Shares facebook sharing buttonmessenger sharing buttonwhatsapp sharing buttontwitter sharing buttonlinkedin sharing buttonprint sharing button গোপালগঞ্জে আদালতের এজলাসে কাচের পেপারওয়েটের আঘাতে এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী আহত হয়েছেন। বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২–এ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীদের অভিযোগ, আদালতের বিচারক মো. সুজন মিয়া ওই পেপারওয়েট ছুড়ে মেরেছেন। আহত সাবিহা সুলতানাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই ঘটনার পর জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মৌখিক অভিযোগ করেন। পরে বিচারক সুজন মিয়ার আমলি ক্ষমতা (কগনিজেন্স পাওয়ার) প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে প্রজ্ঞাপন হয়েছে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। আদালত–সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এজলাস চলাকালে পেছনের দিকে কয়েকজন আইনজীবীর কথাবার্তা নিয়ে বিচারক সুজন মিয়া অসন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রথমে তিনি টেবিলে আঘাত করে তাদের চুপ থাকতে ইঙ্গিত দেন। এরপরও পরিস্থিতির পরিবর্তন না হওয়ায় তিনি টেবিলে থাকা একটি কাচের পেপারওয়েট দিকে ছুড়ে মারেন। সেটি শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথার ডান পাশে আঘাত হানে। আইনজীবীরা তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাবিহা সুলতানা বলেন, ‘আদালতের কার্যক্রম চলাকালে আমি এজলাসে চুপচাপ বসে আমার সেরেস্তার নথিপত্র দেখছিলাম। হঠাৎ একটি বস্তু এসে আমার মাথায় আঘাত করে। সঙ্গে সঙ্গে মাথা থেকে রক্ত পড়তে শুরু করে। পরে তাকিয়ে দেখি, সামনে একটি পেপারওয়েট পড়ে আছে।’ বুধবার রাতে তিনি জানান, তার কপালে সেলাই লাগেনি। তবে এখনো মাথায় ব্যথা আছে। জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ আলম সেলিম বলেন, ‘এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। একজন বিচারকের কাছ থেকে এটি মোটেও প্রত্যাশিত নয়। ঘটনার পর আমরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয়কে বিষয়টি অবহিত করি। সংশ্লিষ্ট বিচারককে বিচারিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার এখতিয়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেই, এটি উচ্চ আদালত পারেন। তাই আপাতত তার আদালতের কার্যক্রম অন্য বিচারকের মাধ্যমে পরিচালনার দাবি জানিয়েছি। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমাদের দাবি মেনে নিয়েছেন।’ এম এ আলম সেলিম জানান, ওই ঘটনা নিয়ে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা জজ বৃহস্পতিবার সকালে আইনজীবীদের সঙ্গে আবারও বৈঠক করবেন। সেই ইকনের পড়ালেখার দায়িত্ব নিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী তারেক রহমানের পাঙ্খা গজাইছে, সব পাঙ্খা ভেঙে মাটিতে পড়ে যাবে: পাটওয়ারী কক্সবাজারে বিসিএস কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রেমের ফাঁদ! এমপি গাজী নজরুলকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে জামায়াত এমপি নজরুলের কুশপুত্তলিকা দাহ, থুথু নিক্ষেপ একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম স্নাতক নির্ধারণে হাইকোর্টের রুল টেকনাফের ‘জাফর চেয়ারম্যান’ দুনীর্তির দায়ে ৭ বছরের সাজা নিয়ে কারাগারে টেকনাফে অনলাইন জুয়া চক্রের ৯ সদস্য আটক

মাছ চুরির অভিযোগ এনে গাছে বেঁধে পেটালেন জামায়াত নেতা

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৫/১১/২০২৫ ১০:১৬ এএম

পুকুর থেকে মাছ চুরির অভিযোগে মুরাদনগরের পাহাড়পুর গ্রামের মোঃ আরমান হোসেন এবং সামু সেন নামক দুই ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে গাছে বেঁধে বেধড়ক পিটিয়েছেন উপজেলা জামায়াত নেতা মোঃ হাকিম এবং তার সহযোগী ইকরাম। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনা পরিপ্রেক্ষিতে জানা যায়, গত (৩১শে অক্টোবর) শুক্রবার, স্থানীয় জামায়াত নেতা মোঃ হাকিম এর নির্দেশে মাছ চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত আরমান এবং সামুকে ডেকে আনা হয়। অতঃপর পুকুর থেকে মাছ চুরির প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এক পর্যায়ে তারা চাপের মুখে অপরাধ স্বীকার করে নেয়। বিষয়টিকে সামাজিক ভাবে শৃঙ্খলা পরিপন্থি জাহির করে, তাদের উভয়কে প্রকাশ্যে গাছের সঙ্গে বেঁধে প্রহার করার নির্দেশ দেন জামায়াত নেতা মোঃ হাকিম । অতঃপর তার সহযোগী ইকরাম তাদেরকে গাছের সঙ্গে বেঁধে ফেললে, জামায়েত নেতা হাকিম এবং ইকরাম যৌথ ভাবে তাদেরকে অমানবিক ভাবে প্রহার করেন।

যদিও বিষয়টি নিয়ে কেউ কেউ বলছেন, স্থানীয় পুকুরে মাছ চুরি করার মতো কোন ঘটনা কমবেশী ঘটে। তবে তাই বলে ইতিপূর্বে কখনোই এরকম প্রকাশ্যে কাউকে বেঁধে পেটানোর মতো ঘটনা ইতিপূর্বে কখনো প্রকট হয়নি। বরং কারো কারো অভিমত পুরো বিষয়টিকে সাজিয়ে লোকজন জড়ো করে ব্যক্তি আধিপত্য জাহির করার উদ্দেশ্যে পুরো বিষয়টি ঘটানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অনেকেই।

মাছ চুরির অভিযোগ এনে জনসম্মূখ্যে গাছে বেঁধে পেটানোর বিষয়টির বিস্তারিত জানতে স্থানীয় মেম্বার মোঃ কামালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পুরো বিষয়টি অনাকাঙ্খীত। আমি নিজে বিষয়টি প্রতিহত করি। এবং স্থানীয় ভাবে এটির মিমাংসার ব্যবস্থা করি। গত (৪ঠা নভেম্বর) মঙ্গলবার, ভুক্তভোগী পক্ষ এবং অভিযুক্তদের সবাইকে নিয়ে বাদ জোহর আমরা একটি গ্রাম্য সালিশের আয়োজন করি। যেখানে ভুক্তভোগীদের চিকিৎসা ব্যায় থেকে শুরু করে তাদের আগামী বেশ কয়েকদিনের দিনমুজুরীর নগদায়ন উভয়ের কাছে তুলে দেয়া হয়। তিনি আরো বলেন, পাহাড়পুর গ্রাম একটি ঐতিহ্যবাগী গ্রাম। এখানে শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাতয়কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক আধিপত্য জাহিরের সুযোগ কখনোই কাউকে দেয়া হয় না। বরং গ্রাম্য অসংগতির মিমাংসা গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমেই বেশিরভাগ সমাধান হয়ে যায়। এটিও তেমনি ভাবে সমাধান করা হয়েছে। একই সাথে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা ও তার সহযোগীদের সতর্ককরা হয়েছে যে, ভবিষ্যতে এরকম নিন্দনীয় ঘটনা যেন তাদের মাধ্যমে প্রকট না হয়।

বিষয়টি নিয়ে মুরাদনগর থানার দ্বায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমরা বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পেরেছি। যথাযথ প্রকৃয়ায় আমাদের নিকট কোন অভিযোগ আসলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আদালত চলাকালে পেপারওয়েট ছুড়ে আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক ডেস্ক রিপোর্ট বার্তা বাজার ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ণ 23 Shares facebook sharing buttonmessenger sharing buttonwhatsapp sharing buttontwitter sharing buttonlinkedin sharing buttonprint sharing button গোপালগঞ্জে আদালতের এজলাসে কাচের পেপারওয়েটের আঘাতে এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী আহত হয়েছেন। বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২–এ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীদের অভিযোগ, আদালতের বিচারক মো. সুজন মিয়া ওই পেপারওয়েট ছুড়ে মেরেছেন। আহত সাবিহা সুলতানাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই ঘটনার পর জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মৌখিক অভিযোগ করেন। পরে বিচারক সুজন মিয়ার আমলি ক্ষমতা (কগনিজেন্স পাওয়ার) প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে প্রজ্ঞাপন হয়েছে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। আদালত–সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এজলাস চলাকালে পেছনের দিকে কয়েকজন আইনজীবীর কথাবার্তা নিয়ে বিচারক সুজন মিয়া অসন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রথমে তিনি টেবিলে আঘাত করে তাদের চুপ থাকতে ইঙ্গিত দেন। এরপরও পরিস্থিতির পরিবর্তন না হওয়ায় তিনি টেবিলে থাকা একটি কাচের পেপারওয়েট দিকে ছুড়ে মারেন। সেটি শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথার ডান পাশে আঘাত হানে। আইনজীবীরা তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাবিহা সুলতানা বলেন, ‘আদালতের কার্যক্রম চলাকালে আমি এজলাসে চুপচাপ বসে আমার সেরেস্তার নথিপত্র দেখছিলাম। হঠাৎ একটি বস্তু এসে আমার মাথায় আঘাত করে। সঙ্গে সঙ্গে মাথা থেকে রক্ত পড়তে শুরু করে। পরে তাকিয়ে দেখি, সামনে একটি পেপারওয়েট পড়ে আছে।’ বুধবার রাতে তিনি জানান, তার কপালে সেলাই লাগেনি। তবে এখনো মাথায় ব্যথা আছে। জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ আলম সেলিম বলেন, ‘এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। একজন বিচারকের কাছ থেকে এটি মোটেও প্রত্যাশিত নয়। ঘটনার পর আমরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয়কে বিষয়টি অবহিত করি। সংশ্লিষ্ট বিচারককে বিচারিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার এখতিয়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেই, এটি উচ্চ আদালত পারেন। তাই আপাতত তার আদালতের কার্যক্রম অন্য বিচারকের মাধ্যমে পরিচালনার দাবি জানিয়েছি। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমাদের দাবি মেনে নিয়েছেন।’ এম এ আলম সেলিম জানান, ওই ঘটনা নিয়ে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা জজ বৃহস্পতিবার সকালে আইনজীবীদের সঙ্গে আবারও বৈঠক করবেন।

© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com