1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতাদের অংশগ্রহণ আটকাতে ইসিতে জামায়াতের প্রস্তাব লাইভ করিয়ে দেয়ার কথা বলে জামায়াত এমপির ফোন নিয়ে উধাও এনসিপির জেলা আহ্বায়কের পর এবার যুগ্ম আহ্বায়কেরও পদত্যাগ ফুটপাত দখলমুক্ত ও যানজট নিরসনে মাঠে ইউএনও পান্না আক্তার মিয়ানমারের নতুন বাস্তবতায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মধ্যস্থতা করবে চীন জামায়াতের মতো মোনাফেক দল পৃথিবীতে আর জন্ম হয়নি : ফজলুর রহমান তারেক রহমান নাটক কম করেন প্রিয়, গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যেতে বাধ্য হবো: নাহিদ ইসলাম চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেউ বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না: মির্জা ফখরুল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপজয়ীরা পাবেন ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’ কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আজ থেকে

স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতাদের অংশগ্রহণ আটকাতে ইসিতে জামায়াতের প্রস্তাব

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ১৯/০৭/২০২৬ ৩:৩৪ এএম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর লোগোফাইল ছবি
কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা থাকায় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামী লীগ। এখন দলটির নেতাদের স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বন্ধ করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সরকার কর্তৃক কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের পদধারী বা সক্রিয় নেতা–কর্মীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণা করার বিধান স্থানীয় সরকারের সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রস্তাবিত নির্বাচনী আচরণ বিধিমালায় যুক্ত করত হবে, এই প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।

সংসদে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী সম্প্রতি ইসির জ্যেষ্ঠ সচিবকে দেওয়া এক চিঠিতে এই প্রস্তাব জানায়।

জানতে চাইলে দলটির প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আজ শনিবার দুপুরে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের কোনো পর্যায়ের নেতার স্বাভাবিকভাবেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই। ইসিকে পাঠানো চিঠিতে জামায়াতের পক্ষ থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের কাউকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি আরও কিছু প্রস্তাব করা হয়েছে জানিয়ে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘আশা করা যায়, ইসি এই প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করবে।’

২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরের বছর দলটির কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে অন্তর্বর্তী সরকার। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগ ও দলটির নেতাদের বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এরপর ইসি আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করায় গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামী লীগ।

বর্তমান সরকার আগামী অক্টোবর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোয় ভোটের পরিকল্পনা গ্রহণের পর আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুনভাবে আলোচনা ওঠে। কেননা, স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে নির্দলীয় প্রতীকে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কেউ অংশ নিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে নানা মত আসার পটভূমিতে সম্প্রতি স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সংসদে এই প্রশ্ন তুলেছিলেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এর কোনো স্পষ্ট জবাব আসেনি। এর আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নে ইসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, এ ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে ইসি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করবে না। সে কারণে নির্বাচনের খসড়া আচরণ বিধিমালা প্রস্তুত করে তার ওপর রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত চায় ইসি। সেই মতামত জানিয়ে দেওয়া চিঠিতেই আওয়ামী লীগের কারও এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ বন্ধ করার প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

জামায়াতে ইসলামী আরও যেসব প্রস্তাব দিয়েছে, সেগুলো হলো—নির্বাচনী প্রচার–প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হলেও মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই, এটি নিষিদ্ধ করার বিধান সংযোজন; স্থানীয় সরকার প্রশাসনে নিযুক্ত কোনো প্রশাসক বা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ পদে নিযুক্ত ব্যক্তিকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার বিধান যুক্ত করা; নির্বাচনী প্রচারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারে আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করা।

প্রস্তাবের মধ্যে আরও রয়েছে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা রাখার পাশাপাশি প্রার্থীর আপিল করার সুযোগও বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা; নির্বাচনী ক্যাম্প বা অফিসে এলইডি ডিসপ্লে, প্রজেক্টর, ল্যাপটপ ইত্যাদি ব্যবহারের বিষয়ে সুস্পষ্ট বিধান সংযোজন করা; স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচনে সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ ও সংবাদ সংগ্রহের অধিকার সম্পর্কে সুস্পষ্ট বিধান সংযোজন করা।

দুটি বিশেষ প্রস্তাবও দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। তার একটি হচ্ছে সংরক্ষিত নারী সদস্যপদ বাতিল করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিটি ওয়ার্ডে নারী সদস্যপদে সরাসরি নির্বাচন। অন্যটি হচ্ছে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে কারা ভোটার হবেন, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com