1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
স্ত্রীকে নির্যাতন শেষে ‘ঝুলিয়ে’ হত্যার অভিযোগ, স্বামী পলাতক কক্সবাজারে রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের গণবিজ্ঞপ্তি: আবেদনের সময়সীমা ১৫ এপ্রিল হাদির হত্যাকারীদের ফেরত পাঠাতে সম্মত ভারত: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কক্সবাজারে রাজনৈতিক মামলার যাচাই শুরু, গঠিত হয়েছে বিশেষ কমিটি আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় বৃহস্পতিবার প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিষিদ্ধই থাকছে আ.লীগের কার্যক্রম, সংসদে বিল পাশ ভারতকে মনে করানোর দরকার ছিল, আমাদেরও মেরুদণ্ড আছে আ.লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের অধ্যাদেশ: শেষ মুহূর্তে সময় চাইলেন বিরোধীদলীয় নেতা, স্পিকার বললেন—সুযোগ নেই সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা গায়ের জোরে বিসিবি দখল করেছিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আ.লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের অধ্যাদেশ: শেষ মুহূর্তে সময় চাইলেন বিরোধীদলীয় নেতা, স্পিকার বললেন—সুযোগ নেই

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৮/০৪/২০২৬ ৫:১৭ পিএম

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় সংসদ। আজ বুধবার জাতীয় সংসদে এ-সংক্রান্ত সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল-২০২৬ পাস হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মতক্রমে কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সত্তা কার্যক্রম চালালে শাস্তির বিধান যুক্ত করার বিষয়টি শোনা গেলেও সংসদে পাস হওয়া সংশোধনী বিলে তা করা হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে জারি করা অধ্যাদেশ হুবহু সংসদে পাস হয়েছে।

আজ (৮ এপ্রিল) সকালের অধিবেশনে দিনের সম্পূরক কার্যসূচির অংশ হিসেবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিলটি উত্থাপনের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফ্লোর দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রথমে বিলটি তোলার পর স্পিকারের আহ্বানে আবার বিবেচনার জন্য তোলেন। দফাওয়ারি কোনো সংশোধনী না থাকায় এই বিষয়ের ওপর কোনো আলোচনা হয়নি।

তবে শেষ পর্যায়ে বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করার সময় ফ্লোর চান বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ফ্লোর পেয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘এ-সংক্রান্ত একটি তুলনামূলক শিট আমরা ৩-৪ মিনিট আগে হাতে পেয়েছি। এটা পুরো পড়তে পারিনি। আইনটি অবশ্যই একটি স্পর্শকাতর আইন। আমরা কি আইনটি পাসের জন্য একটু সময় চাইতে পারি?’

জবাবে স্পিকার বলেন, ‘আপত্তি জানানোর জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় আছে। সেই সময় আপত্তি হলে আমরা গ্রাহ্য করতে পারতাম। বিলের এই পর্যায়ে এসে আর আপত্তির সুযোগ নেই।’

জবাবে বিরোধী দলের নেতা বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে শিটটা তো পেয়েছি এইমাত্র।’

জবাবে স্পিকার বলেন, ‘যা হোক, এ বিষয়টি হয়তো পরে আমরা দেখব, বিলের এই পর্যায়ে আপত্তির কোনো সুযোগ নেই।’ এরপর তিনি বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফ্লোর দেন।

ফ্লোর পেয়ে আওয়ামী লীগের নাম উল্লেখ না করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিলটি একটি গণহত্যাকারী সন্ত্রাসী সংগঠনের নিষিদ্ধকরণ-সংক্রান্ত একটি সংশোধনী। আগের যে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ছিল, তা সংশোধনের জন্য।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতার নিশ্চয় স্মরণ থাকার কথা—উনারা এবং এনসিপির বন্ধুরা সবাই মিলে একটি আন্দোলন করেছিলেন। সেই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে মোটামুটি বাংলাদেশে একটা জনমত সৃষ্টি হয়েছিল। সেই প্রেক্ষিতে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে। একর্ডিংলি নির্বাচন কমিশনের তাদের নিবন্ধনটাও স্থগিত হয়ে আছে। এই আইনের অনুবলে পরবর্তীতে আইসিটি অ্যাক্টকেও পরিবর্তন এনে সংগঠনের বিচারে বিধান যুক্ত করে সেই আইনটাও সংশোধন করা হয়েছে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সংশোধনের সেকেন্ড রিডিং স্টেজে যদি আপনারা সংশোধনী দিতেন, ফাস্ট রিডিং উত্থাপনের পরে যদি আপনারা আপত্তি তুলতেন, তাহলে আলোচনার সুযোগ থাকত…।’

এ পর্যায়ে স্পিকার বলেন, ‘এই বিষয়ে আমি আমার রুলিং দিয়েছি। আপনি পাস করার প্রস্তাব করতে পারেন।’

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জাতিকে পরিষ্কার করার জন্য এই কথাগুলো বলেছি। জাতি পরিষ্কার আছে। আমরাই ময়লা করি। যাক মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ, মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা মেনে নিয়েছেন।’

পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখেই সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ সংসদে পাসআওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখেই সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ সংসদে পাস
২০২৫ সালের ১১ মে অধ্যাদেশের মাধ্যমে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সংশোধনী এনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও দলটির নেতাদের বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দলটির যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। এর আগে আইনে কোনো সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিধান ছিল না। তখন বলা ছিল, কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কাজের সঙ্গে জড়িত থাকলে সরকার প্রজ্ঞাপন দিয়ে ওই ব্যক্তিকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে পারে বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে পারবে। অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংশোধনী এনে কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিধান যুক্ত করা হয়।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com