1. admin1@shimantoshohor.com : ডেস্ক নিউজ • : ডেস্ক নিউজ •
  2. info@shimantoshohor.com : Admin Panel : Admin Panel
  3. alamcox808@gmail.com : Bodi Alam : Admin5 Admin5
  4. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর ডেস্ক: : NR Akash
  5. admin@shimantoshohor.com : প্রকাশক : সীমান্ত শহর ডেস্ক: Islam
শিরোনামঃ
রামুতে পাহাড় কাটার সময় ড্রামট্রাক জব্দ উখিয়ায় অতিরিক্ত দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির দায়ে অর্থদণ্ড জরিমানা ভারত থেকে ভেনামি চিংড়ির নপলি আমদানির অনুমতি বাতিলের দাবি পোস্টাল ব্যালট পুনরায় ছাপানোর দাবি বিএনপির ঋণ পরিশোধ করেছেন বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল, মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ কক্সবাজার ০২ আসন: সাবেক দুই এমপির সামনে ৪ প্রার্থী চকরিয়ায় বসতঘর থেকে পিস্তল ও গুলি উদ্ধার : আটক ১ টেকনাফে প্রায় ৪ কোটি টাকার ইয়াবাসহ ২ পাচারকারি আটক ছাত্রসংযোগ মাস উপলক্ষে উখিয়ায় ছাত্রশিবিরের জনশক্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত কক্সবাজার সিটি কলেজের ওয়েবসাইট হ্যাক : ভারতীয় পতাকা দিলো হ্যাকাররা

গুমের অপরাধে র‍্যাব জড়িত ২৫ শতাংশ, পুলিশ ২৩ শতাংশ: গুম তদন্ত কমিশন

✍️ প্রতিবেদক: সীমান্ত শহর ডেস্ক:

  • আপডেট সময়ঃ সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৮ বার পঠিত

গত ১৭ বছরে দেশে সংঘটিত গুমের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জড়িত থাকার ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে জাতীয় গুম কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) গুলশানে গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সার্বিক বিষয় তুলে ধরেন কমিশনের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মাইনুল ইসলাম চৌধুরী। এরআগে, রোববার (৪ জানুয়ারি) গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।

ব্রিফিংয়ে গুমের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জড়িত থাকার তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, প্রায় ২৫ শতাংশ গুমের অভিযোগে র‍্যাব জড়িত, এরপর পুলিশ ২৩ শতাংশ। এছাড়াও ডিবি, সিটিটিসি, ডিজিএফআই ও এনএসআই ব্যাপকহারে গুম করেছে। আর সর্বোচ্চ আলামত নষ্ট করা হয়েছে র‍্যাবের।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, প্রায় ২৫ শতাংশ গুমের অভিযোগে র‍্যাব জড়িত, এরপর পুলিশ ২৩ শতাংশ। এছাড়াও ডিবি, সিটিটিসি, ডিজিএফআই ও এনএসআই ব্যাপকহারে গুম করেছে। আর সর্বোচ্চ আলামত নষ্ট করা হয়েছে র‍্যাবের।

গুম কমিশনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বহু ক্ষেত্রে সাদাপোশাকধারী বা প্রশাসনের লোক পরিচয়ে অপহরণ করা হয়েছে। র‍্যাব, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দ্বারা একক ও যৌথ অভিযান সংঘটিত হয়েছে, যা বিচ্ছিন্ন অসদাচরণের পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় সমন্বিত কার্যক্রমের ইঙ্গিত দেয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে আনা গুমের অভিযোগগুলোর তদন্তক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পৃথকভাবে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

কমিশন জানায়, মোট এক হাজার ৫৬৯টি অভিযোগ কমিশনের সক্রিয় বিবেচনায় ছিল, এরমধ্যে ২৫১ জন নিখোঁজ ও ৩৬ জনের গুম পরবর্তী লাশ উদ্ধার হয়। তদন্ত চলাকালে মোট ২২২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পাশাপাশি ৭৬৫ জন গুমের শিকার ও তাদের পরিবারের সদস্যদের একাধিকবার সাক্ষাৎকার নেয়া হয়।

এদিকে কমিশনের রিপোর্টের আলোকে গৃহীত পদক্ষেপ ও অগ্রগতি বিষয়ে আগামী ছয় মাসের মধ্যে মানবাধিকার কমিশনকে জানাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

কমিশন বিভিন্ন সরকারি সংস্থার নথি ও তথ্য পর্যালোচনা, পরিদর্শন ও যাচাই বাছাই করাসহ স্বীকৃত ও গোপন উভয় ধরনের ৪০টি আটক কেন্দ্রও পরিদর্শন করেছে বলেও ব্রিফিংয়ে জানানো হয়।

ব্রিফিংয়ে গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারির অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com