1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
সীমান্তে লাশ মাড়িয়ে দুটো দেশের সত্যিকারের বন্ধুত্ব হতে পারে না: আসিফ নজরুল ঘুষ না দেওয়ায় ‘ভুল’ রায় দিলেন এসিল্যান্ড গুলিতে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নিহত সুপ্রিম কোর্ট বারে ১৪ পদের ১৩টিতে বিএনপির বিজয় প্রকাশ্যে শপথ করে যুবদল নেতা বললেন ‘ আমি অপহরণ করিনি’ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছে ইসি শেখ হাসিনা উন্নয়নের নামে দেশকে দেউলিয়া করেছিল, বর্তমান সরকারকে সেই ফাঁদে পড়ার প্রয়োজন নেই: মাহমুদুর রহমান মির্জা আব্বাসকে দেখতে মালয়েশিয়ায় হাসপাতালে গেলেন মাসুদ সাইদী নাইক্ষ্যংছড়িতে ইয়াবা নেটওয়ার্কের অভিযোগ, আলোচনায় ‘সোর্স’ পরিচয়ের নুরুল আমিন কক্সবাজারে ৬ কোটি টাকার ইয়াবা মামলায় যুবকের ১৫ বছরের সাজা

এনসিপি যখন জুলাইকে জামায়াতের হাতে তুলে দেয়, তখন আমিই বা থাকি কি করে?

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৮/১২/২০২৫ ৯:৩৬ এএম

নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে নাটকীয় মোড় নিল নবগঠিত দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অভ্যন্তরীণ রাজনীতি। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আসন সমঝোতা এবং দলের শীর্ষ নেতাদের ‘মাইনাস পলিটিকস’-এর অভিযোগ তুলে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন দলটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবীন।

আজ রোববার এক দীর্ঘ ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে তিনি দল ছাড়ার পাশাপাশি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।

তাজনূভা জাবীন তাঁর পোস্টে অভিযোগ করেন, জামায়াতের সঙ্গে এই জোট কোনো আকস্মিক রাজনৈতিক কৌশল নয়, বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। তিনি লিখেছেন, ‘পুরো জুলাইকে (গণ-অভ্যুত্থান) রাজনৈতিক কৌশলের নাম করে তুলে দেওয়া হচ্ছে জামায়াতের হাতে।’

তাঁর দাবি, এনসিপির স্বকীয়তা বিসর্জন দিয়ে প্রথম নির্বাচনেই কেন জামায়াতের ওপর নির্ভরশীল হতে হলো, তা নিয়ে দলে কোনো জবাবদিহি নেই। তিনি আরও বলেন, যেখানে এনসিপিকে জামায়াতের ‘বি টিম’ বা ‘অন্য দোকান’ বলা হয়, সেখানে আগে নিজের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা না করে কেন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য জামায়াতকে বেছে নেওয়া হলো, তা প্রশ্নবিদ্ধ।

তাজনূভা জাবীন বলেন, সারা দেশ থেকে ১২৫ জনকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের ডাক দিয়ে শেষ মুহূর্তে মাত্র ৩০টি আসনে সমঝোতা করা হয়েছে। বাকিদের নির্বাচন করতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এই বিষয়টি একদম শেষ সময় পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে, যাতে কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও দাঁড়াতে না পারে। তার ভাষায়, ‘পুরো আগোছালো করে চোখের পলকে ডিসওউন করে দিয়েছে।’

দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘এক শীর্ষ নেতা আরেক শীর্ষ নেতার সাথে যে মাইনাসের রাজনীতি করে ওখানে, সেটা ভয়ংকর। এরা নিজেদের মধ্যে রাজনীতি করতে এত ব্যস্ত যে এরা কখনো দেশের জন্য নতুন কোনো রাজনীতি করতে পারবে না।’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, এনসিপির নেতারা জুলাইয়ের স্পিরিটকে চর্চা করেন না, বরং নিজেদের ফায়দাতে ‘ব্যবহার’ করেন। যারা দলের নীতিকথা বলেন, তাঁদের ‘আবেগি’ তকমা দিয়ে থামিয়ে দেওয়া হয়।

তাজনূভা জানিয়েছেন, তিনি স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করবেন না। কারণ, সেটির কোনো পরিবেশ রাখা হয়নি। নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য সংগৃহীত মানুষের অনুদান (ডোনেশন) তিনি একে একে সবাইকে ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘নিজেরও ভালো লাগছে না এভাবে ছেড়ে যেতে। কিন্তু এই দল ছেড়ে দেওয়া ছাড়া আমার সামনে আর কোনো সম্মানজনক অপশন নাই।’

যুগ্ম আহ্বায়ক তাসনিম জারার পর তাজনূভা জাবীনের এই পদত্যাগ এনসিপির ‘মধ্যপন্থা’ ও ‘নতুন বন্দোবস্ত’-এর রাজনীতিকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে ফেলল। বিশেষ করে গণ-অভ্যুত্থান থেকে জন্ম নেওয়া একটি দল কেন প্রথম ভোটেই পুরোনো মেরুকরণে আটকা পড়ল, তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com