1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
প্রকাশ্যে শপথ করে যুবদল নেতা বললেন ‘ আমি অপহরণ করিনি’ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছে ইসি শেখ হাসিনা উন্নয়নের নামে দেশকে দেউলিয়া করেছিল, বর্তমান সরকারকে সেই ফাঁদে পড়ার প্রয়োজন নেই: মাহমুদুর রহমান মির্জা আব্বাসকে দেখতে মালয়েশিয়ায় হাসপাতালে গেলেন মাসুদ সাইদী নাইক্ষ্যংছড়িতে ইয়াবা নেটওয়ার্কের অভিযোগ, আলোচনায় ‘সোর্স’ পরিচয়ের নুরুল আমিন কক্সবাজারে ৬ কোটি টাকার ইয়াবা মামলায় যুবকের ১৫ বছরের সাজা ওয়ারেন্ট তামিলে কঠোর মহেশখালী থানা পুলিশ, আটক ১১ ১৭ বছর পর কক্সবাজার জেলা বিএনপির নতুন কমিটি, নেতৃত্বে কারা আসছেন? রামুর রেজুখাল চেকপোস্টে ২ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা নারী ফাতেমা আটক র‌্যাবের অভিযান: টেকনাফে ১ লাখ পিস ইয়াবাসহ ২ জন ও ঈদগাঁওয়ে অস্ত্রসহ ২ জন গ্রেফতার

শেখ হাসিনা উন্নয়নের নামে দেশকে দেউলিয়া করেছিল, বর্তমান সরকারকে সেই ফাঁদে পড়ার প্রয়োজন নেই: মাহমুদুর রহমান

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ১৫/০৫/২০২৬ ১২:৩৬ এএম

বিগত শেখ হাসিনার আমলে উন্নয়নের নামে দেশকে দেউলিয়া করে দেওয়া হয়েছিল। পদ্মা ব্রিজে রেলওয়ে লাইন স্থাপন, কর্ণফুলি টানেল নির্মাণ, গাজীপুর-এয়ারপোর্টে বিআরটিএর মতো প্রকল্পের মাধ্যমে রাষ্ট্রের টাকা অপচয় করা হয়েছে। এগুলো হলো উন্নয়নের ফ্যালাসি। বর্তমান সরকারকে এ ধরনের উন্নয়নের ফাঁদে পড়ার দরকার নেই। সরকারের যে কোনো বিনিয়োগের আগে তা থেকে রেট অব রিটার্নের বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিজ অ্যান্ড থটস আয়োজিত প্রাক বাজেট আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান এসব কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত আলোচনায় আরো বক্তব্য রাখেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ, সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী, সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ, সাবেক সচিব ড. শরিফুল আলম জিন্নাহ, অর্থনীতিবিদ আহমেদগ আবদুল কাদের প্রমুখ। সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিজ অ্যান্ড থটসের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুর রবের সঞ্চালনায় ও সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে এম ওয়ারেসুল করিম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহমুদুর রহমান বলেন, বাজেটের আকার বৃদ্ধির দিকে না তাকিয়ে সরকারের উচিত কোয়ালিটির দিকে তাকানো। জিডিপির প্রবৃদ্ধির চেয়ে সরকারের লক্ষ্য হওয়া উচিত উন্নয়ন প্রকল্পে লিকেজ বন্ধ করা। আমাদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) প্রচুর লিকেজ রয়েছে। সক্ষমতা ছাড়া যদি বাজেটের আকার, এডিপির আকার বাড়ানো হয় তাহলে লিকেজ আরো বাড়বে। বাজেট কিংবা এডিপির আকার বাড়িয়ে সরকার হয়তো বলবে আমাদের সময় এগুলোর আকার বেড়েছে, এটা একটা রাজনৈতিক বক্তব্য ছাড়া কিছু নয়।

আগামী বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, কৃষিখাতের উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, আমাদের মূল্যস্ফীতি ইতোমধ্যে ৯ শতাংশের উপরে রয়েছে। সুদের হার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার কমানো সরকারের জন্য একিটি বড় চ্যালেঞ্জ। কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশের বাস্তবতায় শ্রমঘন শিল্পে বিনিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে শিক্ষাখাতে দ্রুততার সাথে সংস্কার করতে হবে। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের মূল্য পাচ্ছে না। কৃষকরা যাতে তাদের পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায় এবং প্রান্তিক চাষীরা যেন দেউলিয়া হয়ে না যায় সে ব্যাপারে সরকারের পলিসি থাকতে হবে।

আমার দেশ সম্পাদক বলেন, বিগত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দুর্নীতির জন্য মেঘা প্রজেক্ট হয়েছে কিন্তু কর্মসংস্থান হয়নি। কর্মসংস্থান তৈরির কাজ বেসরকারি খাতের, সরকারের কাজ নয়। সরকারি চাকরি দেশের জন্য ভালো খবর নয়। এতে সরকারের ব্যয় বেড়ে যায়।

দেশের রপ্তানি আয়ে পোশাক খাতের উপর থেকে নির্ভরতা কমিয়ে পণ্যের বহুমুখীকরণ, সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশের জিডিপি, জিডিপির প্রবৃদ্ধিসহ যেসব পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে সেগুলোর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মাহমুদুর রহমান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সেটা হবে বলে আশা করেছিলাম কিন্তু হয়নি। তবে বর্তমানে একটি নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আছে, যাদের প্রতি জনগণের ম্যান্ডেট রয়েছে তাদের উচিত এগুলোর সঠিকতা যাচাই করা।

তিনি আরও বলেন, সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে হবে। সমাজের উচ্চবিত্ত শ্রেণির ১০ শতাংশ মানুষের হাতে ৫০ শতাংশ সম্পদ। আর নিম্ন আয়ের ৩০ শতাংশ মানুষের হাতে ১০ শতাংশ সম্পদও নেই। সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে না পারলে দরিদ্র মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন হবে না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, অর্থনীতি এক ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। আমি কোনো আশার আলো দেখতে পাচ্ছি না। সরকারের ঋণের পরিমাণ বাড়ছে, রপ্তানিব আয় নিম্নগামী। বেকার মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পাহাড়। ব্যাংকগুলো চলছে না। জোর করে এগুলো চালানোর চেষ্টা চলছে। সরকারের পরিচালনা ব্যয় বাড়ছে। সুদ এবং করের উচ্চ হার দিয়ে কোনো ব্যাবসা বাণিজ্য হয় না। কর্মসংস্থান তৈরি করতে হলে শিল্পায়ন করতে হবে। কিন্তু গ্যাস না থাকার কারণে কল কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com