1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
ফ্যামিলি কার্ড নারীদের জন্য সেফগার্ড : নুরুল হক নুর প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক শিবিরকর্মী উখিয়ায় ফেসবুক পোস্টে হা হা রিয়েক্টের জেরে সংঘর্ষ, নিহত ১ গোপনে বিয়ে, দাওয়াত না পেয়ে বন্ধুদের বিক্ষোভ ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক নির্ভর করবে ফারাক্কা চুক্তি সম্পাদনের ওপর’: মির্জা ফখরুল আম বিক্রি থামাতে নতুন ষড়যন্ত্র করছে জামায়াত-শিবির: তারেক নোয়াখালীতে জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে ৯৬ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার ৩০ পর্যটক অসুস্থের ঘটনায় আল্-গণিতে যৌথ অভিযান, ৫০ হাজার টাকা দন্ড ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীদের সতর্ক করলো বাংলাদেশ ব্যাংক দরিদ্রদের চিকিৎসা ব্যয় বহন করবে সরকার: আমীর খসরু

স্বামীকে হত্যার পর টুকরো টুকরো করে কেটে ফ্রিজে রাখতে গিয়ে ধরা

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ১৬/০৫/২০২৬ ১:০৮ পিএম

শরীয়তপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে রড দিয়ে আঘাত করে হত্যার পর লাশ ছুরি দিয়ে টুকরো টুকরো করে ড্রামে ভরে রাখার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। ওই নারীর নাম আসমা আক্তার।

হত্যার তিনদিন পর লাশের অংশ বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দিয়ে মাংস ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে গিয়ে দুর্গন্ধে স্থানীয়দের সন্দেহ জাগে। পরে পুলিশকে খবর দিলে ওই নারীকে গ্রেপ্তার করা। জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত আসমা সব কিছু স্বীকার করেছেন।

জানা গেছে, পিরোজপুরের আসমা আক্তারের সঙ্গে শরীয়তপুরের মালয়েশিয়া প্রবাসী জিয়া সরদারের পরিচয় হয়েছিল মোবাইল ফোনে। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রায় আট বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। এটি দু’জনের জন্যই দ্বিতীয় বিয়ে ছিল। বিয়ের পর জিয়া সরদার আসমাকে শরীয়তপুর শহরের পালং এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় রাখেন। গত বছর জিয়া সরদার দেশে ফিরলে দু’জন চন্দ্রপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন। এরপর থেকেই দাম্পত্য কলহ বাড়তে থাকে। সেই কলহের জেরে চলতি মাসের ১২ মে রাতে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে আসমা স্বামী জিয়া সরদারের মাথায় রড দিয়ে আঘাত করেন। এতে জিয়া মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

মরদেহ লুকানোর উদ্দেশ্যে আসমা এরপর ছুরি দিয়ে দেহটি কয়েক টুকরো করেন এবং হাড় ও মাংস আলাদা করে ড্রামে ভরে রাখেন। তিনদিন পর শুক্রবার (১৫ মে) সন্ধ্যায় অটোরিকশা ভাড়া করে ড্রাম থেকে মরদেহের একটি অংশ বস্তায় ভরে আটং এলাকার বৃক্ষতলায় ফেলে আসেন। নিহতের চার হাত-পা ফেলা হয় নড়িয়ার পদ্মা নদীর তীরে, যেগুলো পরে নড়িয়া থানা পুলিশ উদ্ধার করে।

এরপর দেহের মাংসের অংশ নিয়ে আসমা যান শহরের পালং এলাকায় তার পুরনো ভাড়া বাসার এক ভাড়াটিয়ার ফ্রিজে রাখতে। কিন্তু তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করেন। পুলিশ এসে আসমাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে তিনি সব কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত সাড়ে ৯টার দিকে বৃক্ষতলা এলাকার একটি পুকুর থেকে মাথাসহ হাড় উদ্ধার করা হয়।

অভিযুক্ত আসমা আক্তার বলেন, ‘আমার স্বামী প্রায়ই আমাকে মারধর করতো। ১২ মে রাতে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে তাকে মাথায় রড দিয়ে আঘাত করলে সে মাটিতে পড়ে যায়। আমি বুঝতে পারিনি এতো জোরে আঘাত লাগবে। পরে চাকু দিয়ে মরদেহ টুকরো করে কয়েক জায়গায় ফেলে দেই। আমি একটা পিঁপড়াও মারিনি। কিন্তু এই ঘটনা কীভাবে ঘটে গেলো বুঝতে পারিনি।’

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, ‘আসমা তার স্বামী জিয়া সরদারকে হত্যার পর মরদেহের হাত-পা টুকরো করে মাংস আলাদা করে ফেলে। পরে শুক্রবার সন্ধ্যায় ড্রামে ভরে অটোতে করে মরদেহের বিভিন্ন অংশ কয়েকটি জায়গায় ফেলে রাখেন। পরে মাংসগুলো তার সাবেক ভাড়াবাসায় ফ্রিজে রাখতে গেলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা জরুরি সেবা নম্বরে কল দেয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘ড্রাম খুলে বিষয়টি নিশ্চিত হলে তাকে জিজ্ঞেস করলে সব কথা স্বীকার করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃক্ষতলা এলাকার একটি পুকুর থেকে মাথাসহ হাড় উদ্ধার করি। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।’

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com