1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
টেকনাফে ৫ লাখ ইয়াবাসহ মিয়ানমারের দুই নাগরিক আটক বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর, মিলবে পেনশন স্টিমসেল থেরাপির নামে ভূঁয়া ডাক্তার মুজিবুলের শতকোটি টাকার ভয়াবহ প্রতারণা ৬ শিশুর মৃত্যু: আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল কক্সবাজারে ১১ হাজারের বেশি মিশুক-টমটম, নিয়ন্ত্রণে অভিযান শুরু এস আলমের গাড়িতে চড়ে সংবর্ধনা নেওয়া প্রসঙ্গ সংসদে, ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপি নেতার মোটরসাইকেল চুরি করলেন আ.লীগ নেতা খেলাফত আন্দোলনের নাম ১১ দলীয় জোটে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির আমির কক্সবাজারে পরকীয়া সন্দেহে বাসায় ঢুকে নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, আটক ৩ মাতামুহুরিতে ধর্ষণ ও ডাকাতির ঘটনায় ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা : গ্রেফতার ৫

কক্সবাজারে পরকীয়া সন্দেহে বাসায় ঢুকে নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, আটক ৩

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ১১/০৬/২০২৬ ১:০৫ এএম

কক্সবাজার শহরের টেকপাড়া এলাকায় পরকীয়া সম্পর্কের জেরে বাসায় ঢুকে সানজিদা আক্তার রেশমি নামের এক নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ইয়াসমিনসহ তিন নারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।

মঙ্গলবার (৯ জুন) মধ্যরাতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় মুদি ব্যবসায়ী শফিউল আলম সওদাগরের সাথে নিহত সানজিদা আক্তারের পরিচয় ও কথিত পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে নানা বিতর্ক চলছিল। এই বিরোধের জেরে গতকাল মঙ্গলবার রাতে একদল নারী টেকপাড়ায় সানজিদার বাসায় প্রবেশ করে তীব্র বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তারা সানজিদাকে লক্ষ্য করে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে।

হামলার সময় ঘরে থাকা সানজিদার ১২ বছর বয়সী ছেলে সাব্বির মায়ের আর্তচিৎকার শুনে ছুটে আসে এবং রক্তাক্ত দেহ দেখে চিৎকার করতে থাকে। শিশুর কান্নায় আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং গুরুতর আহত সানজিদাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও মধ্যরাতেই মারা যান তিনি।

নিহতের বাসায় কর্মরত গৃহকর্মী আনোয়ারা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। পূর্বের পারিবারিক বিরোধ ও ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে পরিকল্পিতভাবেই এই বর্বর হামলা চালানো হয়েছে।’

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন নিহতের সাবেক স্বামী ইমন। একমাত্র সন্তানের ভবিষ্যতের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের একটি সন্তান রয়েছে। যারা ঠাণ্ডা মাথায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, আমি তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা দাবি করছি।’

হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দারা ধাওয়া করে প্রধান অভিযুক্ত ইয়াসমিনসহ তিন নারীকে অবরুদ্ধ করে ফেলে এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেয়।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন চন্দ্র সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে গভীর তদন্ত চলছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com