1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: মাহদী আমিন ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরি করতে গিয়ে বিস্ফোরণ, ব্যবসায়ীর মৃত্যু হামের টিকার ব্যবস্থা না করার ব্যর্থতা গত দুই সরকারের ক্ষমাহীন অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের মালয়েশিয়ায় মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত ৬৯,০০০ টন এলএনজি নিয়ে মহেশখালীতে পানামার জাহাজ পবিত্র কোরআনের বিশুদ্ধতা রক্ষায় ৮,৬৭২টি অননুমোদিত কোরআন সমুদ্রে বিসর্জন দিল মালয়েশিয়া মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনকালে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী- জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে কুতুবদিয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

অবৈধ পথে ইউরোপ প্রবেশে শীর্ষে বাংলাদেশ

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৮/০১/২০২৬ ২:১১ এএম

২০২৫ সালে অবৈধ পথে ইউরোপে পৌঁছানো অভিবাসীদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন বাংলাদেশিরা। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং ইউরোপীয় সীমান্ত ও উপকূলরক্ষী সংস্থা ফ্রন্টেক্সের সর্বশেষ অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

সেখানে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে ইউরোপের বহিঃসীমান্তে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হওয়া জাতীয়তার মধ্যে বাংলাদেশিরা শীর্ষে রয়েছেন।

 

আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে আসা অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশিদের পর মিসরীয় এবং আফগানদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি বলেও জানিয়েছে সংস্থাগুলো।

 

ফ্রন্টেক্সে আরও বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের প্রথম ১১ মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের অনিয়মিত সীমান্ত অতিক্রমের ঘটনা সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে।

সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা সত্ত্বেও বাংলাদেশিরা ইউরোপমুখী অনিয়মিত অভিবাসনে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছেন।

একই সঙ্গে ইউএনএইচসিআরের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বাংলাদেশিরা ভূমধ্যসাগরীয় বিভিন্ন পথ ব্যবহার করে ইউরোপে পৌঁছানো অভিবাসীদের মধ্যে সবচেয়ে প্রতিনিধিত্বশীল জাতীয়তাগুলোর একটি। বাংলাদেশ ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে আফ্রিকার দেশ মিসর ও এশিয়ার আরেক দেশ আফগানিস্তান।

ফ্রন্টেক্স এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশি নাগরিকেরা বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বহিঃসীমান্তে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হওয়া জাতীয়তার মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে। সীমান্ত নজরদারি ও মানবপাচারবিরোধী কার্যক্রম জোরদার হলেও এই প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।

ইউরোপে পৌঁছাতে বাংলাদেশিরা মূলত সেন্ট্রাল ভূমধ্যসাগর রুট ব্যবহার করছেন। বিশেষ করে লিবিয়া হয়ে ইতালির উপকূল এবং গ্রিসের বিভিন্ন দ্বীপে পৌঁছানোর প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ফ্রন্টেক্সের তথ্য অনুযায়ী, লিবিয়াভিত্তিক মানবপাচার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বাংলাদেশিরা এই ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথে যাত্রা করছেন।

সংস্থাটি বলেছে, বাংলাদেশিদের ইউরোপমুখী অভিবাসনের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক চাপ, কর্মসংস্থানের সংকট এবং বিদেশে ভালো আয়ের প্রত্যাশা। মানবপাচার চক্রগুলো এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশিদের ইউরোপে পৌঁছানোর আশ্বাস দিয়ে বিপজ্জনক যাত্রায় প্রলুব্ধ করছে।

 

ফ্রন্টেক্স বলছে, বাংলাদেশ থেকে অভিবাসনের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বাস্তবতা একটি বড় চালিকা শক্তি। কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা ও আয় বৃদ্ধির সুযোগের অভাব অনেককে অনিয়মিত পথে ইউরোপে যাওয়ার ঝুঁকি নিতে বাধ্য করছে।

ইউরোপীয় সংস্থাগুলোর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলাদেশ থেকে ইউরোপমুখী এই প্রবণতা নতুন নয়। গত কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশিরা ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানো শীর্ষ জাতীয়তাগুলোর মধ্যে রয়েছেন। তবে ২০২৫ সালে এসে এই সংখ্যা আরো বেড়েছে।

বাংলাদেশিদের পাশাপাশি মিসর ও আফগান নাগরিকরাও ইউরোপে অনিয়মিতভাবে পৌঁছানোদের তালিকায় উল্লেখযোগ্য অবস্থানে রয়েছে। মিসরীয়রা মূলত ইতালি ও গ্রিসের ক্রিট দ্বীপে পৌঁছাচ্ছেন, আর আফগানরা বিভিন্ন স্থল ও সমুদ্রপথ ব্যবহার করছেন।

সামগ্রিকভাবে ইউরোপীয় সীমান্তে নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ আরো কঠোর হলেও বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব সীমিত বলেই মনে করছে ফ্রন্টেক্স। ইনফোমাইগ্রেন্টস।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com