1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
খাল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় যুবকের লাশ উদ্ধার মানব পাচার প্রতিরোধে অঙ্গীকারবদ্ধ কক্সবাজারের সাংবাদিকেরা টেকনাফে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার উখিয়ায় চাঞ্চল্যকর অপহরণ মামলার প্রধান আসামি আবু সিদ্দিক টেকনাফে গ্রেফতার যারা সংস্কার সংস্কার করে তারা কিন্তু নারীর স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলে না: প্রধানমন্ত্রী ৩৩ মরদেহ সাগরে ফেলার লোমহর্ষক বর্ণনা দেওয়া রফিকুলকে প্রাণনাশের হুমকি নৌবাহিনীর অভিযান: মিয়ানমার পাচারকালে সিমেন্টসহ আটক ১১ জন, বোট জব্দ অ্যাডভোকেট শামীম আরা,নারী এমপি হয়ে ইতিহাসের অংশ হতে যাচ্ছেন কক্সবাজারে ৫৪ টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ২৬ হাজার ৭৪৭জন : মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিতে সৌদির তাগিদ

ডাকসু নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়েছে, বড় অসঙ্গতি পাওয়া যায়নি

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৯/০৯/২০২৫ ৪:২৫ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নেটওয়ার্কের পর্যবেক্ষক দলের সদস্য অধ্যাপক সামিনা লুৎফা। তবে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় কিছু ঘাটতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে দলটির আরেক সদস্য অধ্যাপক গীতি আরা নাসরিন জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অসঙ্গতি তাদের চোখে পড়েনি।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেটওয়ার্কের পর্যবেক্ষক দল এ মন্তব্য করে।

অধ্যাপক সামিনা লুৎফা বলেন, অনেক ভোটার বুথের কলম নিয়ে বেরিয়ে গেছেন এবং পরে নিজেদের বলপয়েন্ট দিয়ে ভোট দিয়েছেন। এসব ব্যালট যদি মেশিনে রিড না হয়, তবে এর দায়ভার কার ওপর পড়বে?

তিনি আরও বলেন, যদিও নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়েছে, তবে এর মান কেমন ছিল সেটা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। কারণ নির্বাচনী পরিবেশে গুজব, অস্থিরতা, প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা এবং তথ্যগত ঘাটতি লক্ষ্য করা গেছে। অনেক প্রার্থী ও পোলিং এজেন্ট সময়মতো প্রবেশপত্র পাননি, কেউ দেরিতে পেয়েছেন, আবার কারও আবেদন সত্ত্বেও অনুমতি মেলেনি।

পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, দুটি হলকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সমভাবে কাজ করেননি। কোথাও কোথাও অস্বচ্ছতা ছিল। কিছু কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছে ধীরগতিতে। রোকেয়া হলে সহকারী প্রক্টরের সঙ্গে ছাত্রদলের বাকবিতণ্ডার কারণে ভোটগ্রহণ ব্যাহত হয় এবং উপস্থিতি কমে যায়।

অধ্যাপক সামিনা অভিযোগ করেন, অনেক কেন্দ্রেই প্রার্থীদের প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়নি। গেটকিপারদের কাছে যথাযথ তথ্য না পৌঁছানোয় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তার মতে, এ ধরনের অব্যবস্থাপনা না থাকলে নির্বাচনকে আরও বিশ্বাসযোগ্য বলা যেত।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com