উখিয়া রত্না পালং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খাইরুল আলম চৌধুরী বলেছেন, “বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী একজন ভালো মানুষ, সারা জীবন উখিয়া-টেকনাফের মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। এবারের নির্বাচনে নানা সমীকরণ থাকলেও জয় তাঁরই হবে।”
৫ আগস্টের পর এক সভায় তাঁকে আওয়ামী লীগের দোসর বলে অভিযুক্ত করা প্রসঙ্গে খাইরুল আলম চৌধুরী বলেন, “আমি তখন চেয়ারম্যান ছিলাম, ক্ষমতাসীন দল ছিল আওয়ামী লীগ। জনগণের স্বার্থে তখন তাদের সঙ্গে কাজ করতে হয়েছে। এটা অপরাধ নয়। যে দেশ ও দশের ক্ষতি করে, তাকেই দোসর বলা যায়—আমি নয়।”
রাজনীতির সৌন্দর্য নিয়ে তিনি বলেন, “উখিয়া-টেকনাফের নেতৃত্বে আমরা একে অপরকে যত কথাই বলি না কেন, দিন শেষে সবাই একই টেবিলে বসে কথা বলি। আমরা সবাই আত্মীয়।”
জামায়াতের প্রচারণা প্রসঙ্গে তাঁর বিশ্লেষণ, “জামায়াত একটি সুসংগঠিত দল, তারা মাঠে আগে নেমেছে। এখন মনে হচ্ছে এগিয়ে আছে, কিন্তু ভোটের হিসাবে এগিয়ে থাকবেন ধানের শীষের শাহজাহান চৌধুরী।”
খাইরুল আলম চৌধুরীর হিসাবে, “১ লাখ ৫ হাজার ভোট কাস্ট হলে জামায়াত পাবে প্রায় ৩৫ হাজার ভোট, আর বিএনপি পাবে প্রায় ৭০ হাজার ভোট। ১ লাখ ২০ হাজার ভোট কাস্ট হলে জামায়াত ৪০ হাজার আর বিএনপি পাবে ৮০ হাজার ভোট।”
তবে তাঁর এই বিশ্লেষণে টেকনাফের ভোটের হিসাব উল্লেখ করা হয়নি। অথচ পুরো আসনের তুলনায় টেকনাফের ভোটার সংখ্যা উখিয়ার চেয়ে বেশি। এ কারণে শেষ মুহূর্তে উখিয়া-টেকনাফ আসনের ভোটের সমীকরণ কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে এলাকাজুড়ে চলছে নানা আলোচনা।
শেষে তিনি বলেন, “এটি আমার ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ। তবে মাঠের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, ধানের শীষের পক্ষে হাওয়া বইছে।”