1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
আ.লীগের চুরি ও পাচারের কারণেই বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে চাপ : তথ্যমন্ত্রী মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পেলেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী মহেশপুরে জামায়াতের ৩০০ নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান চট্টগ্রামের জিয়া স্মৃতি জাদুঘর দ্রুত খুলে দেওয়া হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী টেকনাফে ৬ কোটি টাকার ইয়াবা ফেলে পালালো পাচারকারীরা উখিয়া থেকে অপহৃত যুবক টেকনাফে উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি, চোরাই তারসহ ২ জন গ্রেফতার ৫০টি হারানো ফোন উদ্ধার করে মালিকদের পৌঁছে দিল কক্সবাজার পুলিশ আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে ফি অর্ধেক নেওয়ার ঘোষণা দিলেন চিকিৎসক বিজিবি-আরএসও গোলাগুলি, অস্ত্র-ইয়াবা উদ্ধার

ঢাবি হল ভিপির অডিও ফাঁস ক্যান্টিন রাখতে চাইলে ২ লাখ বা এর আশেপাশে একটা অঙ্ক দিতে হবে

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ১৩/১১/২০২৫ ৬:২৫ এএম

ঢাবি সুফিয়া কামাল হলে ভিপির বিরুদ্ধে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কবি সুফিয়া কামাল হলের ক্যান্টিন মালিকের কাছে ক্যান্টিন চালু রাখার বিনিময়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) সানজানা চৌধুরী রাত্রির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্যান্টিন মালিক আবদুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে রাত্রির কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, সুফিয়া কামাল হলে আবাসিক ছাত্রীদের জন্য দুটি ক্যান্টিন রয়েছে। গত ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের পর একটি ক্যান্টিনের মালিককে নানা অভিযোগে ক্যান্টিন ছাড়তে হয়। অন্য ক্যান্টিনটি টিকিয়ে রাখতে মালিকের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা দাবির অভিযোগ ওঠে ভিপি রাত্রির বিরুদ্ধে।

ফাঁস হওয়া অডিও রেকর্ডটি ২৬ অক্টোবর হলের মূল ফটকের বাইরে রেকর্ড করা হয়। সেখানে শোনা যায়, রাত্রি মামুনকে জিজ্ঞেস করছেন,

> “কতদিন লাগবে আপনার টাকা দিতে?”

 

মামুন তখন পারিবারিক দুরবস্থার কথা জানিয়ে সময় চান। উত্তরে রাত্রি বলেন,

> “ঠিক আছে, আজ ২৬ তারিখ। মাস শেষ ৩১ তারিখে। ওই তারিখের মধ্যে জানান, আপনি রাজি কি না।”

 

আলোচনার এক পর্যায়ে রাত্রি বলেন,

> “অ্যামাউন্ট একটু কম হলেও চলবে। আমি আরও ১০ মাস আছি, দেখব।”

 

অভিযোগ প্রসঙ্গে ক্যান্টিন মালিক আবদুল্লাহ আল মামুন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান,

> “আমি সুফিয়া কামাল হলের দ্বিতীয় তলার ক্যান্টিন চালাতাম। পরে ভিপি সানজানা বলেন, ক্যান্টিন টিকিয়ে রাখতে হলে দুই লাখ টাকা দিতে হবে। গরিব মানুষ, এত টাকা কোথায় পাব বলেছি।”

 

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ভিপি সানজানা চৌধুরী রাত্রি বলেন,

> “এমন কিছুই হয়নি। শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে হল প্রশাসনের সঙ্গে অভিযান চালানো হয়। কিছু পক্ষ পরিবর্তন চায় না, তারা আমাকে ও হল সংসদকে হেয় করার জন্য এসব মিথ্যা প্রচার করছে।”

 

এ বিষয়ে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সালমা নাসরীন বলেন,

> “দুই লাখ টাকার বিষয়টি বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। ক্যান্টিন থাকবে কি না, সেটা হল প্রশাসন ও সংসদ মিলে সিদ্ধান্ত নেবে। এখানে চাঁদা দাবির প্রশ্নই আসে না।”

 

তিনি আরও জানান,

> “প্রথম ক্যান্টিন মালিককে নিয়ম অনুযায়ী বাদ দেওয়া হয়েছে। অন্য ক্যান্টিনের মালিকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পর ১ সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু উন্নতি না হওয়ায় ক্যান্টিন পরিবর্তনের নোটিশ দেওয়া হয়েছে।”

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com