1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের খবর ‘অসত্য ও ভিত্তিহীন’: প্রেস কর্মকর্তা প্রবাসীর বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখলেন জামায়াত নেতা, এলাকাবাসীর মানববন্ধন আমির হামজার মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য বন্ধে প্রশাসনকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি ড. ইউনূসকে করের ৬৬৬ কোটি টাকা দিতে বলা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা সব সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী আগুনে পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে মরদেহগুলো : ডিএনএ টেস্টে সময় লাগবে ৪ সপ্তাহ টুপটুপ রিসোর্ট ট্র্যাজেডি : খোঁজ নেই নাহিদসহ পরিবারের ৪ জনের ইনানীতে রিসোর্টে আগুন: মালিক ও ম্যানেজারসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১ ২৮ কেজি গাঁজাসহ রামুতে ৩ রোহিঙ্গা গ্রেফতার অগ্নিকান্ডের ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি : ৫ কার্যদিবসে তদন্ত প্রতিবেদন

যানজটে নাকাল পর্যটন শহর কক্সবাজার

✍️ এন. এ সাগর •

প্রকাশিত: ২০/০১/২০২৬ ৭:০৯ এএম

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ঘিরে গড়ে ওঠা পর্যটন শহর কক্সবাজারে পর্যটন মৌসুম এলেই মানুষের ঢল নামে। বিশেষ করে শহরের কলাতলী এলাকায় প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। যানজট নিরসনে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কথা বলা হলেও মাঠপর্যায়ে তার বাস্তব চিত্র ভিন্ন।

 

সম্প্রতি কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়ক চার লেনে উন্নীত হওয়ায় কিছুটা যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছিল। তবে এখন আবারও দেখা যাচ্ছে উল্টো চিত্র। ট্রাফিক পুলিশের উপস্থিতিতেই উল্টো পথে গাড়ি চালানো, যত্রতত্র পার্কিং এবং অবৈধভাবে যাত্রী ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে।

 

কলাতলীসহ পর্যটন এলাকায় প্রায় প্রতিটি পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশ বক্স বসানো থাকলেও তার সামনেই অটোরিকশা, টমটম, ইজিবাইক ও টুরিস্ট জিপের বেপরোয়া চলাচল চোখে পড়ছে। নির্দিষ্ট গাড়ি ঘোরানোর স্থান কিংবা পার্কিং এলাকা থাকা সত্ত্বেও চালকেরা সেই দূরত্বে না গিয়ে উল্টো পথে গাড়ি চালাচ্ছেন। এতে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ ও পর্যটকেরা।

 

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক মো. সাকিব ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘কক্সবাজার এসেছি সমুদ্রসৈকত দেখতে। কিন্তু এখানে এসে এতটা বিব্রত হব, তা কল্পনাও করিনি। প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত গাড়ি, যানজট আর বিশৃঙ্খলার কারণে চলাচল করাই কঠিন হয়ে পড়েছে। দুর্ঘটনা ও ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাও শুনতে হচ্ছে।’

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, ট্রাফিক পুলিশের সামনে প্রকাশ্যে আইন ভঙ্গ হলেও সিএনজি, টমটম, মিশুক ও মোটরসাইকেল চালকদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা সতর্ক সংকেত দেওয়া হচ্ছে না। ফলে চালকেরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছেন।

 

কক্সবাজার নাগরিক আন্দোলনের সদস্যসচিব এইচ এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘পর্যটন শহরের যানজট এখন যেন স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। সরকার পরিবর্তনের পর কক্সবাজার অনেকটা বেওয়ারিশ নগরীতে রূপ নিয়েছে। যার যেমন ইচ্ছা, তেমনভাবে ফুটপাত দখল করছে, সড়কের ওপর গাড়ি পার্কিং করছে। অতিরিক্ত টমটম, ইজিবাইক ও মিশুকের দৌরাত্ম্যের পেছনে রয়েছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট। এতে প্রশাসনের অব্যবস্থাপনার চিত্রই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।’

 

সংশ্লিষ্টদের মতে, পর্যটন শহরের ভাবমূর্তি রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ও দৃশ্যমান ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, অবৈধ যান নিয়ন্ত্রণ এবং আইন প্রয়োগে কঠোরতা বাড়ানো জরুরি। নইলে পর্যটকদের কাছে কক্সবাজারের আকর্ষণ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com