মিয়ানমারের মংডুর বাসিন্দা রোহিঙ্গা জামাল উদ্দিন ২০১২ সালে সেনা নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। কুতুপালং নিবন্ধিত ক্যাম্পে আত্মীয়ের বাসায় থাকলেও নানা জটিলতায় তিনি নিবন্ধিত হতে পারেননি। পরে চট্টগ্রামে কয়েক বছর থাকার পর আবার উখিয়ায় এসে কুতুপালং সড়কের পাশে ফার্মেসি ব্যবসা শুরু করেন।
বর্তমানে জামাল উদ্দিন পরিচয় দেন ‘জাফর আলম’ নামে এবং ওই নামে বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র (NID- 2845010079) নিয়েছেন। তাঁর দেওয়া চকবাজারের ঠিকানা বাস্তবে যাচাই করে পাওয়া যায়নি।
এদিকে তিনি উখিয়ার হাজমরোড এলাকায় বনবিভাগের প্রায় ১৪ শতক জমিতে টিনশেড ঘর তুলে পরিবারসহ বসবাস করছেন। বনবিভাগ জানায়, জমিটি কাগজে দিলশাদ বেগম নামে এক নারী ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করলেও প্রকৃতপক্ষে জাফর আলম প্রায় ২০ লাখ টাকায় ক্রয় করেছেন বলে তথ্য মিলেছে।
রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান জানান, ইউএনওর সাথে আলোচনা করে যৌথ অভিযানে জমিটি উদ্ধার করা হবে। জাফর আলম রোহিঙ্গা পরিচয় সরাসরি না মানলেও বলেন—“জাতীয় পরিচয়পত্র বাতিল করলে অসুবিধা নেই।”
স্থানীয়দের অভিযোগ—শুধু জাফর আলম নন, আরও অনেক রোহিঙ্গা ভুয়া পরিচয়ে এনআইডি ও জন্মনিবন্ধন সংগ্রহ করছেন, বনের জমি কিনে স্থায়ী বসতি গড়ে তুলছেন। এতে রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরার আগ্রহ কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।