1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ

জমি ‘দখল করে’ ঘর নির্মাণ করছেন জামায়াত নেতা

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৫/০৪/২০২৬ ৬:৩১ পিএম

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে জামায়াত নেতা শঈমি ইমরান হিকিমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় একাধিকবার লিখিত অভিযোগ করেও প্রতিকার না পেয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ। পরে হাইকোর্ট বিতর্কিত ওই জমির ওপর ‘স্থিতাবস্থা’ জারি করেন। শঈমি ইমরান হিকিম উপজেলা জামায়াতের আবু সাঈদ ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক। তিনি উপজেলার বন্দবেড় গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রৌমারী উপজেলার মহিলা কলেজপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল আজিজ ১৯৯৩ সালে শাহিনা ওরফে রেহেনা বেগমের কাছ থেকে এসএ রেকর্ড মোতাবেক সাড়ে ১৩ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। কিন্তু ২০০১ সালে আরএস রেকর্ড সংশোধিত না হয়ে মূল মালিক রেহেনার নামেই থেকে যায়। এ সুযোগে রেহেনা বেগম একই জমি দ্বিতীয়বার শঈমি ইমরান হিকিমের কাছে বিক্রি করেন। হিকিম রাতের অন্ধকারে আব্দুল আজিজের একটি ৩৩ ফুটের দোকানঘর দখল করে সেখানে ‘খাদিজা টাইলস’ নামক সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেন। একই সঙ্গে পাশে একটি টিনশেড ঘর নির্মাণ করছেন। এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন আব্দুল আজিজ। থানা পুলিশের কাছে এ ঘটনার প্রতিকার না পেয়ে হাইকোর্টে দ্বারস্থ হন আজিজ। পরে বিরোধপূর্ণ জমিটিতে ‘স্থিতাবস্থা’ জারি করেন আদালত।

আজিজ বলেন, আদালতের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও জামায়াত নেতা হিকিম ও তার সহযোগীরা নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে তারা ভূমি অফিস ও প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। এ ছাড়া আমাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।

অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে জানতে চাইলে জামায়াত নেতা শঈমি ইমরান হিকিম কালবেলাকে বলেন, আমি কাউকে কোনো ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়নি। তবে জমিটি নিয়ে রেহেনা ও আব্দুল আজিজের মধ্যে দীর্ঘদিন মামলা চলার পর রেহেনা মামলার রায় পান।

তিনি আরও বলেন, সেই রায় অনুযায়ী এবং জমির কাগজপত্র দেখে ওই জমি ক্রয় করে নিয়েছি। আমরা এখন বৈধভাবে জমির মালিক হওয়ায় জমিতে নতুন ঘর নির্মাণ করছি।

রৌমারী থানার ওসি কাওসার আলী কালবেলাকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার পুলিশ পাঠিয়ে তাদের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। কিন্তু তারা পুলিশের কথা মানছে না। বিষয়টি আদালতের; তাই আমরা ভুক্তভোগীকে ফের আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।

সূত্র: কালবেলা

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com