1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম অস্ত্রসহ আটকের পর যুবদল নেতা আয়াত উল্লাহ হুমাইনী বহিষ্কার ইষ্ট বেকারের জ্যাম-ফিল্ড ব্রেডে স্বাস্থ্যঝুঁকি, বিক্রি বন্ধের নির্দেশ অভিযানের তথ্য ফাঁস করায় সোর্সকে কারাদণ্ড জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনক্ষোভের বিস্ফোরণ: রাষ্ট্রপতি মিয়ানমারের উপকূলে দুটি নৌকাডুবি, ৫ শতাধিক মৃত্যুর শঙ্কা ৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার মেসিদের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের গোপন ছক, এক পানির বোতলেই সব ফাঁস! অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী এই আন্দোলনে অনেকে আছে যারা ছাত্রই না, কিছু মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

উখিয়ায় টমটম থেকে ৪০ হাজার ইয়াবা ছিনতাই, গা-ঢাকা দুই কারবারির

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৬/০৫/২০২৬ ২:৩৫ এএম

উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে টমটম (অটো-রিকশা) থেকে প্রায় ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (১ মে) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে ভাদিতলি এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত হিসেবে স্থানীয় দুই মাদক কারবারির নাম উঠে এসেছে। তারা হলেন, ভাদিতলি এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী মার্বেল ও ছৈয়দুল আমিন। ঘটনার পরপরই তারা এলাকা ছেড়ে গা-ঢাকা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন সন্ধ্যায় একটি অটো-রিকশায় করে ইয়াবার বড় একটি চালান পাচার করা হচ্ছিল। বিষয়টি আগে থেকেই জানতে পারে অভিযুক্তরা। পরে তারা গাড়িটিকে ধাওয়া করে একটি গ্যারেজে নিয়ে যায়। সেখানে টমটম থামিয়ে ইয়াবা ভর্তি ব্যাগ ছিনতাই করে তারা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ব্যাগে থাকা চারটি প্যাকেটের মধ্যে তিনটি প্যাকেট মোহাম্মদ আলী মার্বেল ও ছৈয়দুল আমিন নিয়ে যায়। বাকি একটি প্যাকেট গ্যারেজে থাকা এক অটোচালক জোবাইর দ্রুত নিয়ে পালিয়ে যায়।

সূত্রের দাবি, ছিনতাইয়ের পর ইয়াবাগুলো নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয় অভিযুক্তরা। এর মধ্যে ছৈয়দুল আমিন প্রায় ১০ হাজার পিস এবং মোহাম্মদ আলী মার্বেল ২০ হাজার পিস ইয়াবা নিজেদের দখলে নেয় বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পুরো চালানে আনুমানিক ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ছিল।

ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তাদের কারণে সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে।

একাধিক বাসিন্দা জানান, প্রকাশ্যে এমন বড় একটি ইয়াবার চালান ছিনতাইয়ের ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ঘটনার পর থেকে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অভিযুক্তদের ধরতে তৎপরতা শুরু করেছে। তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখনো তাদের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

উখিয়া থানার ওসি মুজিবুর রহমান জানান, মাদকবিরোধী অভিযানে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে এবং পলাতক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।

সূত্র: টিটিএন

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com