1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
৬ মাসে সরকারের বিরুদ্ধে অপতথ্য প্রচার হয়েছে ৪৬৪টি : জাহেদ উর রহমান প্রেমিকের বিরুদ্ধে গর্ভপাতের চাপ ও নির্যাতনের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে প্রকাশ্যে বিচার চেয়েছিলো সুমাইয়া কক্সবাজারের বিশিষ্ট পীর ও আলেম শাহসূফি আলহাজ্ব আলিমুদ্দিন ফকির আর নেই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন না ৮ শ্রেণির মানুষ: নীতিমালা জারি খেলা দেখে বাড়ি ফেরার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় উখিয়ার যুবকের মৃত্যু মহানবীকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি, কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার সেই অনিক স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না : রাষ্ট্রপতি নাফ নদীতে অভিযান: ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৩ একাধিক মামলার পলাতক আসামী ফদনার ডেইলের কালু গ্রেপ্তার হাসনাত দুঃখপ্রকাশ না করলে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রোগ্রাম নিষিদ্ধ: রফিকুল মাদানী

৪৭তম বিসিএসে উখিয়ার রেকর্ড: এক ইউনিয়ন থেকে চারজন বিভিন্ন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৯/০৬/২০২৬ ১২:২৭ পিএম

৪৭তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের চার মেধাবী সন্তান বিভিন্ন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। একসঙ্গে চারজনের ক্যাডার সুপারিশ পাওয়াকে উখিয়া উপজেলার ইতিহাসে সর্বোচ্চ অর্জনের অন্যতম রেকর্ড হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সুপারিশপ্রাপ্তরা হলেন—উখিয়া সদর (৫ নম্বর ওয়ার্ড) এলাকার প্রয়াত মাস্টার ছৈয়দুর রহমানের পুত্র সাইমুম শারিক হিমেল। তিনি শিক্ষা ক্যাডার (ইংরেজি)-এ সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

কুতুপালং (৯ নম্বর ওয়ার্ড) এলাকার মাস্টার সামশুল আলমের পুত্র আরিফুল ইসলাম পরিসংখ্যান ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

একই ইউনিয়নের পাতাবাড়ী (৯ নম্বর ওয়ার্ড) এলাকার হাফেজ মো. আবুল কাশেমের পুত্র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম মৎস্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

এছাড়া মধ্য রাজাপালং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাবা ছৈয়দা শিরিন আখতারের কনিষ্ঠ সন্তান ইসফার সাঈফ আরিক পরিবার পরিকল্পনা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

চারজনের এই সাফল্যে আনন্দের বন্যা বইছে রাজাপালং ইউনিয়নজুড়ে। স্বজন, শিক্ষক, সহপাঠী ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের অভিনন্দন জানিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁদের সাফল্য নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা।

শিক্ষক ও সচেতন মহলের মতে, রাজাপালংয়ের এই চার কৃতী সন্তানের অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি পুরো উখিয়া উপজেলার জন্য গর্বের একটি অধ্যায়। তাঁদের এ সাফল্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণে নতুন করে অনুপ্রাণিত করবে।

স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী দিনেও উখিয়ার মেধাবী তরুণ-তরুণীরা জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার সুনাম আরও সমৃদ্ধ করবেন।

সূত্র: উখিয়া  নিউজ

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com