1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
২০৩০ সালের মধ্যে মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনামকে টপকাবে বাংলাদেশ: আইএমএফ কক্সবাজারে শুল্ক ফাঁকি,জাল কাগজে যন্ত্রাংশ এনে তৈরীকৃত ৩ টি বিলাসবহুল গাড়ী জব্দ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোলাগুলি, শিশু নিহত, নারীসহ আহত ৬ কক্সবাজারে মদের বারে সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত আইনজীবীদের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: আইনমন্ত্রী ইয়াবা ট্যাবলেটসহ জামায়াত কর্মী গ্রেপ্তার দেশে ৮০ হাজার আইনজীবী থাকলেও তাদের মান নিয়ে সংশয় রয়েছে: আইনমন্ত্রী ইন্টারপোলে শেখ হাসিনার নামে রে’ড নোটিশ জারির জন্য আবেদন করা হয়েছে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সহায়তায় চীনে মেডিকেলে পড়ার স্বপ্ন পূরণ ফাতেমার জেলাভিত্তিক তদারকি ও সমন্বয়ের জন্যে দায়িত্ব বন্টন : কক্সবাজারের দায়িত্বে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোলাগুলি, শিশু নিহত, নারীসহ আহত ৬

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৮/০৮/২০২৬ ৬:২৮ পিএম

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। সন্ত্রাসীদের গুলিতে বিদ্ধ হয়ে পাঁচ বছর বয়সি এক শিশু নিহত হয়েছে। শিশুটির মা ও তিন নারীসহ আরও ছয়জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে উখিয়াস্থ ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) উপ-অধিনায়ক পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নতুন বিতর্কে কোথায় ঠেকছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন
এর আগে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প-৮ ইস্টের বি-৪০ ও বি-৪১ ব্লক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

ক্যাম্পের একাধিক বাসিন্দা জানান, আরাকান রোহিঙ্গা আর্মি (এআরএ), আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ও রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) সদস্যদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যায় শতাধিক গুলির শব্দ শোনা যায়। এতে ক্যাম্পজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ঘর থেকে বের হয়ে যান।

পুলিশ জানায়, গুলিতে নিহত শিশুটির নাম মোজাহেদ। সে ওই ক্যাম্পের বাসিন্দা নূর আলমের ছেলে। গোলাগুলির সময় মাথায় গুলি লেগে গুরুতর আহত হয় মোজাহেদ। পরে তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মোজাহেদের মা তাহেরা বেগমসহ আরও ছয়জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন নারী রয়েছেন। তাদের কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এপিবিএন কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আরাকান রোহিঙ্গা আর্মি (এআরএ) ও রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com