1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
হেল্প ফর স্মাইল’-এর উদ্যোগে উখিয়ায় ১০০ পিস লুঙ্গি বিতরণ ফেসবুকে মন্তব্যে অপহরণের অভিযোগ, জামায়াত নেতাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: সন্ত্রাসী জিয়াউর রহমানসহ আটক ১৭, অস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার উখিয়ায় বিএসটিআইয়ের লোগো লাগিয়ে চলছিলো বেকারি পণ্য, এসিল্যান্ডের অভিযানে জরিমানা শুক্রবারই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন: রয়টার্স প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ মোদির গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্পিকার ও ইসিকে জামায়াতের চিঠি আদালত চলাকালে পেপারওয়েট ছুড়ে আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক ডেস্ক রিপোর্ট বার্তা বাজার ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ণ 23 Shares facebook sharing buttonmessenger sharing buttonwhatsapp sharing buttontwitter sharing buttonlinkedin sharing buttonprint sharing button গোপালগঞ্জে আদালতের এজলাসে কাচের পেপারওয়েটের আঘাতে এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী আহত হয়েছেন। বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২–এ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীদের অভিযোগ, আদালতের বিচারক মো. সুজন মিয়া ওই পেপারওয়েট ছুড়ে মেরেছেন। আহত সাবিহা সুলতানাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই ঘটনার পর জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মৌখিক অভিযোগ করেন। পরে বিচারক সুজন মিয়ার আমলি ক্ষমতা (কগনিজেন্স পাওয়ার) প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে প্রজ্ঞাপন হয়েছে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। আদালত–সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এজলাস চলাকালে পেছনের দিকে কয়েকজন আইনজীবীর কথাবার্তা নিয়ে বিচারক সুজন মিয়া অসন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রথমে তিনি টেবিলে আঘাত করে তাদের চুপ থাকতে ইঙ্গিত দেন। এরপরও পরিস্থিতির পরিবর্তন না হওয়ায় তিনি টেবিলে থাকা একটি কাচের পেপারওয়েট দিকে ছুড়ে মারেন। সেটি শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথার ডান পাশে আঘাত হানে। আইনজীবীরা তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাবিহা সুলতানা বলেন, ‘আদালতের কার্যক্রম চলাকালে আমি এজলাসে চুপচাপ বসে আমার সেরেস্তার নথিপত্র দেখছিলাম। হঠাৎ একটি বস্তু এসে আমার মাথায় আঘাত করে। সঙ্গে সঙ্গে মাথা থেকে রক্ত পড়তে শুরু করে। পরে তাকিয়ে দেখি, সামনে একটি পেপারওয়েট পড়ে আছে।’ বুধবার রাতে তিনি জানান, তার কপালে সেলাই লাগেনি। তবে এখনো মাথায় ব্যথা আছে। জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ আলম সেলিম বলেন, ‘এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। একজন বিচারকের কাছ থেকে এটি মোটেও প্রত্যাশিত নয়। ঘটনার পর আমরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয়কে বিষয়টি অবহিত করি। সংশ্লিষ্ট বিচারককে বিচারিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার এখতিয়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেই, এটি উচ্চ আদালত পারেন। তাই আপাতত তার আদালতের কার্যক্রম অন্য বিচারকের মাধ্যমে পরিচালনার দাবি জানিয়েছি। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমাদের দাবি মেনে নিয়েছেন।’ এম এ আলম সেলিম জানান, ওই ঘটনা নিয়ে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা জজ বৃহস্পতিবার সকালে আইনজীবীদের সঙ্গে আবারও বৈঠক করবেন। সেই ইকনের পড়ালেখার দায়িত্ব নিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী তারেক রহমানের পাঙ্খা গজাইছে, সব পাঙ্খা ভেঙে মাটিতে পড়ে যাবে: পাটওয়ারী

ফেসবুকে মন্তব্যে অপহরণের অভিযোগ, জামায়াত নেতাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৪/০৭/২০২৬ ১২:২৯ পিএম

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে রাজনৈতিক মতামত ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এক যুবককে মারধর, ছুরিকাঘাতের চেষ্টা, অপহরণ, আটকে রেখে নির্যাতন এবং হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন নেতা ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতাসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় অজ্ঞাত পরিচয় আরও ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) রাতে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেন মোহাম্মদ ইমাম হোসেন (৩২)।

ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বুধবার রাতে মোহাম্মদ ইমাম হোসেনের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ৯ ও ১০ জুলাই ফটিকছড়ির সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়ে ফেসবুকে দুটি পোস্ট দেন ইমাম হোসেন। পরে ১৭ জুলাই ‘ফটিকছড়ি জামায়াতে ইসলামী প্রচার বিভাগ নামের একটি ফেসবুক পেজে দলটির ভোট কমে যাওয়ার কারণ নিয়ে একটি মন্তব্য করেন। এর জেরে আসামিরা তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে হামলার পরিকল্পনা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ২০ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ফটিকছড়ি উপজেলা ভূমি অফিসের প্রধান ফটকের সামনে ইমাম হোসেনকে ঘিরে ধরে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে প্রধান আসামি ইব্রাহিম খলিল ধারালো ছুরি দিয়ে তার গলায় আঘাতের চেষ্টা করলে তিনি হাত দিয়ে ঠেকাতে গিয়ে ডান হাতে রক্তাক্ত জখম হন।

অভিযোগে বলা হয়, হামলার সময় দ্বিতীয় আসামি গিয়াস উদ্দীন রুবেল বাদীর পকেটে থাকা ৫ হাজার টাকা নিয়ে যান। পরে তাকে জোর করে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে চোখ বেঁধে অপহরণ করে ফটিকছড়ি জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে প্রায় তিন ঘণ্টা আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, জিজ্ঞাসাবাদ এবং ভয়ভীতি দেখানো হয় বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে। পরে ২১ জুলাই রাত প্রায় ৩টার দিকে মামলা করলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বাদী জানান, মুক্তি পাওয়ার পর তিনি ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। পরে স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় মামলা করেন।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আদালত চলাকালে পেপারওয়েট ছুড়ে আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক ডেস্ক রিপোর্ট বার্তা বাজার ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ণ 23 Shares facebook sharing buttonmessenger sharing buttonwhatsapp sharing buttontwitter sharing buttonlinkedin sharing buttonprint sharing button গোপালগঞ্জে আদালতের এজলাসে কাচের পেপারওয়েটের আঘাতে এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী আহত হয়েছেন। বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২–এ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীদের অভিযোগ, আদালতের বিচারক মো. সুজন মিয়া ওই পেপারওয়েট ছুড়ে মেরেছেন। আহত সাবিহা সুলতানাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই ঘটনার পর জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মৌখিক অভিযোগ করেন। পরে বিচারক সুজন মিয়ার আমলি ক্ষমতা (কগনিজেন্স পাওয়ার) প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে প্রজ্ঞাপন হয়েছে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। আদালত–সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এজলাস চলাকালে পেছনের দিকে কয়েকজন আইনজীবীর কথাবার্তা নিয়ে বিচারক সুজন মিয়া অসন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রথমে তিনি টেবিলে আঘাত করে তাদের চুপ থাকতে ইঙ্গিত দেন। এরপরও পরিস্থিতির পরিবর্তন না হওয়ায় তিনি টেবিলে থাকা একটি কাচের পেপারওয়েট দিকে ছুড়ে মারেন। সেটি শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথার ডান পাশে আঘাত হানে। আইনজীবীরা তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাবিহা সুলতানা বলেন, ‘আদালতের কার্যক্রম চলাকালে আমি এজলাসে চুপচাপ বসে আমার সেরেস্তার নথিপত্র দেখছিলাম। হঠাৎ একটি বস্তু এসে আমার মাথায় আঘাত করে। সঙ্গে সঙ্গে মাথা থেকে রক্ত পড়তে শুরু করে। পরে তাকিয়ে দেখি, সামনে একটি পেপারওয়েট পড়ে আছে।’ বুধবার রাতে তিনি জানান, তার কপালে সেলাই লাগেনি। তবে এখনো মাথায় ব্যথা আছে। জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ আলম সেলিম বলেন, ‘এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। একজন বিচারকের কাছ থেকে এটি মোটেও প্রত্যাশিত নয়। ঘটনার পর আমরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয়কে বিষয়টি অবহিত করি। সংশ্লিষ্ট বিচারককে বিচারিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার এখতিয়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেই, এটি উচ্চ আদালত পারেন। তাই আপাতত তার আদালতের কার্যক্রম অন্য বিচারকের মাধ্যমে পরিচালনার দাবি জানিয়েছি। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমাদের দাবি মেনে নিয়েছেন।’ এম এ আলম সেলিম জানান, ওই ঘটনা নিয়ে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা জজ বৃহস্পতিবার সকালে আইনজীবীদের সঙ্গে আবারও বৈঠক করবেন।

© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com