1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
টেকনাফে একনলা বন্দুকসহ ‘ডাকাত’ করিম আটক কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে হচ্ছে কমিটি, নেতৃত্বে থাকবেন ইউএনও-ওসি জুলাইকে ধারণ করে না তাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনে অনুপস্থিত বিরোধীদলীয় নেতা: প্রধানমন্ত্রী ওসমানী উদ্যানে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মালদ্বীপ থেকে আসা দুই যাত্রীর পায়ুপথে মিলল ৬ ‘স্বর্ণের ডিম’ প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের খবর ‘অসত্য ও ভিত্তিহীন’: প্রেস কর্মকর্তা প্রবাসীর বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখলেন জামায়াত নেতা, এলাকাবাসীর মানববন্ধন আমির হামজার মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য বন্ধে প্রশাসনকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি ড. ইউনূসকে করের ৬৬৬ কোটি টাকা দিতে বলা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল

আমরা অপেক্ষা করছি দেশে আসেন, দেখা হবে রাজপথে: শেখ হাসিনার উদ্দেশে হাফিজ উদ্দিন

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৫/০৮/২০২৬ ৫:০১ পিএম

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমেদ আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চীন-মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে বললেন, আমরা অপেক্ষা করে আছি, আসেন দেশে। দেশে আসেন দেখা হবে ইনশাআল্লাহ রাজপথে।

হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আপনাদের নির্বাচিত সরকার আমরা। ভুল হলে আমাদের শুধরিয়ে দেবেন। আমরা তো আর আওয়ামী লীগ হতে পারবো না, হতেও চাই না। আওয়ামী লীগে দেখেন, তাদের কোনও অনুসূচনা নাই। এত অন্যায়, অবিচার, খুন, গুম, মানি লন্ডারিং, হত্যা, নির্যাতন, আয়নাঘর..। এতে তারা কোনও লজ্জাবোধ করে না তো। আবার বলে, ডিসেম্বরে আসবেন, দেশে এসে পদার্পণ করবেন।

‘২৭ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। এখন ৮২ বছর বয়সে আরেকটা করবো বাংলাদেশের জন্যে। বাংলাদেশের জনগণের শাসন, গণতন্ত্র চিরস্থায়ী করে যাবো আমরা। রক্ত দিয়েছি এই দেশের জন্য। যুদ্ধে আহত হয়েছিলাম ১৯৭১ সালে, এ ধরনের বাংলাদেশ দেখার জন্য নয়’-উল্লেখ করেন তিনি।

জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের এই সরকারের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো জুলাইতে যারা আত্মাহুতি দিয়েছে, সেইসব পরিবারের রক্ষণাবেক্ষণ করা। যারা আহত, চোখের দৃষ্টি হারিয়েছে, অঙ্গ হারিয়েছে, তাদের সুস্থ করে তোলা এই সরকারের পবিত্র দায়িত্ব। যারা জীবন দিয়ে গেছে ১৯৭১ সালে, তারাও কিছু পায় নাই। আপনারাও হয়তো যা প্রাপ্য তা পাবেন না, কিন্তু এই সরকারের কাছ থেকে নিশ্চয়ই সম্মান পাবেন। গরিব দেশের যতটুকু সাধ্য আছে, সবকিছু উজাড় করে দেবো আপনাদের কল্যাণের জন্যে।’

গণতন্ত্র ও নির্বাচন প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘৭১-এর জনযুদ্ধ ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ। একইভাবে জুলাইয়ের এই যুদ্ধও ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্যে। কাউকে কাউকে বলতে শুনেছি, আমরা কি নির্বাচনের জন্য জীবন বিসর্জন দিয়েছি নাকি? নির্বাচন তো গণতন্ত্রের অনুষঙ্গ। এই দেশে যতদিন গণতন্ত্র থাকবে, সাধারণ মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, ততদিনই আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন থাকবে। সুতরাং গণতন্ত্র কোনো হেলাফেলার জিনিস নয়।’

তিনি জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে বলেন, আমাদের যাত্রাপথ সহজ নয়। মতের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থে, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আমাদের ঐক্য, সংযম ও প্রজ্ঞার পরিচয় দিতে হবে। সজাগ থাকতে হবে যাতে কোনো বিভাজন বা সংকীর্ণ স্বার্থ যেন আমাদের জাতীয় অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে না পারে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com