1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
উখিয়ায় দুই রেস্তোরাঁয় অনিয়ম, ৪ লাখ টাকা জরিমানা কক্সবাজারে নিউজিল্যান্ডের এক পরিবারের ৪ সদস্যকে নিয়ে নৌকাডুবি, নিখোঁজ ১ টাকা না দিলে বাড়ির হাঁস-মুরগি নিয়ে যান, ঘর ভেঙে দেন বনরক্ষী কামাল হোসেন অশ্রুজলে ২৫ আগস্ট স্মরণ: বিশ্বের কাছে ১০ মিনিট চাইলো লাখো রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘দুনিয়াত্তু বিচার চাই’-নিজ দেশে ফেরার আকুল আকুতিতে মুখরিত উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প রোহিঙ্গাদের প্রতি আরাকান আর্মির মনোভাব মিয়ানমার সেনাবাহিনীর চেয়েও কঠোর রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরার অধিকার রয়েছে: ১৬ কূটনৈতিক মিশন একরামুল হত্যা: সাবেক এমপি বদি ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ ট্রাইব্যুনালে

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরার অধিকার রয়েছে: ১৬ কূটনৈতিক মিশন

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৫/০৮/২০২৬ ২:১৭ পিএম

রোহিঙ্গা সংকটের নবম বার্ষিকীতে মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রতি সংহতি জানিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশে থাকা ১৬টি কূটনৈতিক মিশন। বিবৃতিতে তারা বলেছে, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিজেদের ঘরে ফেরার অধিকার রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে কূটনৈতিক মিশনগুলো জানায়, রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাত ও মানবিক সংকটের কারণে বর্তমানে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিস্থিতি নেই।

বিবৃতিতে বলা হয়, মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের ব্যাপক বাস্তুচ্যুতির নয় বছর পরও প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে অবস্থান করছে।

প্রায় এক দশক ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
কূটনৈতিক মিশনগুলো বলেছে, রাখাইনে সংঘাত বৃদ্ধি, বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা এবং ত্রাণ ও বাণিজ্য কার্যক্রমে বাধার কারণে মানবিক পরিস্থিতির আরও অবনতি হচ্ছে।

এতে বাংলাদেশসহ পুরো অঞ্চলে নতুন করে বাস্তুচ্যুতি ও ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রায় প্রাণহানির আশঙ্কা বাড়ছে।

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, এর মাধ্যমে বাস্তুচ্যুতির মূল কারণ মোকাবিলা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা পুনর্গঠন এবং মিয়ানমারে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

এ ছাড়া রোহিঙ্গাদের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা রাখাইনে ফিরে নিজেদের ঘরবাড়ি, জীবিকা ও সম্প্রদায় পুনর্গঠন করতে পারে।

যৌথ বিবৃতিতে কূটনৈতিক মিশনগুলো রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছে কানাডা, ডেনমার্ক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, জাপান, কসোভো, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক মিশন।

সূত্র: বাংলা নিউজ 24

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com