রাখাইনের রোহিঙ্গা মুসলিম সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা মামলার শুনানি জানুয়ারিতে শুরু হচ্ছে। জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) শুক্রবার জানিয়েছে, ১২ থেকে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত
‘গ্লোবাল রিফিউজি ফোরাম (জিআরএফ) প্রোগ্রেস রিভিউ ২০২৫’ শুরু হচ্ছে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর জেনেভায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে ১৫-১৭ ডিসেম্বর তিনব্যাপী এই উচ্চ পর্যায়ের আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। এতে
মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের মংডু, রাথিডং ও বুথিডং টাউনশিপের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে আরকান আর্মি (এএ) সেখানকার বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী রাখাইন সম্প্রদায়ের জন্য নতুন বসতি নির্মাণ করছে। রাখাইনভিত্তিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘রোহিঙ্গাখবর’-এর এক প্রতিবেদনে
মিয়ানমারের মংডুর বাসিন্দা রোহিঙ্গা জামাল উদ্দিন ২০১২ সালে সেনা নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। কুতুপালং নিবন্ধিত ক্যাম্পে আত্মীয়ের বাসায় থাকলেও নানা জটিলতায় তিনি নিবন্ধিত হতে পারেননি। পরে চট্টগ্রামে কয়েক বছর
উখিয়া ও টেকনাফে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের বাইরে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে উঠেছে রোহিঙ্গাদের অবৈধ ভাড়া বাসার এক বিশাল নেটওয়ার্ক। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও জমির মালিকদের সরাসরি সহযোগিতায় শত শত রোহিঙ্গা পরিবার
মিয়ানমারে আজ মঙ্গলবার সকালে ৪.০ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ভূমিকম্পটি ৯ ডিসেম্বর, স্থানীয় সময় সকাল ১০:৩২ (ইউটিসি ০৪:০২) সংগঠিত, এবং এর কেন্দ্র ছিল মিয়ানমারের
কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া ছয় লাখ ৪৭ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা ও তাদেরকে আশ্রয় দেওয়া স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মানবিক সহায়তা ও পরিবেশ সুরক্ষা জোরদারে যুক্তরাজ্য ও কাতার যৌথভাবে ১১ দশমিক ২ মিলিয়ন মার্কিন
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহে যুক্তরাজ্য ও কাতার যৌথভাবে ১১.২ মিলিয়ন ডলারের তহবিল ঘোষণা করেছে। ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশনের রোববার (৭ ডিসেম্বর) প্রকাশিত বার্তায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের কক্সবাজারে
মিয়ানমারের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সাগাইং অঞ্চলের তাবাইন শহরে দেশটির সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় ১৮ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় শহরটির ব্যস্ততম একটি চায়ের
দীর্ঘায়িত হচ্ছে রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প জীবন। সব বয়সি রোহিঙ্গারা ক্যাম্পের বন্দি ও অমানবিক জীবনে প্রত্যাবাসনের অনিশ্চয়তার চরম হতাশায় ভুগছে। নিজভূমে তো বটেই, সেটি যদি সম্ভব না হয় তাহলে উন্নত দেশে পুনর্বাসনের