কক্সবাজারের মহেশখালীতে থানা পুলিশের অভিযানে একটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুকসহ একাধিক হত্যা মামলার আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। থানা সূত্রে জানা যায়, গত ১ নভেম্বর (শনিবার) বিকাল ৪টা ৫০ মিনিটে, গোপন
মহেশখালীতে কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলা-বারুদ ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ জিয়া বাহিনীর ৯ জন সদস্য কে আটক করা হয়েছে। শনিবার দুপুর ১২ টায় কোস্ট গার্ড
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ বুধবার বিকাল ৪ টায় কোস্ট গার্ড স্টেশন মহেশখালী কর্তৃক কক্সবাজারের মহেশখালী থানাধীন কেরুনতলী সংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান
মহেশখালীতে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকসহ ২ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী। আটকৃতরা হলেন, অনসারুল করিম এবং নুর আলম। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। যাতে বলায় হয়,গোপন সংবাদের
পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় পৃথক দুটি অভিযানে ৮ জনকে আটক করেছে মহেশখালী থানা পুলিশ। তাদের মধ্যে পুলিশের উপর হামলার মামলাসহ ১১ টি মামলার এজাহারনামীয় শহিদুল ইসলাম রিপন (৩৫) নামের একজনের
কক্সবাজারের মহেশখালীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে হত্যা চেষ্টা ও ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার এজাহারনামীয় সাত আসামিকে গ্রেফতার করেছে মহেশখালী থানা পুলিশ। পুলিশ জানায়, গত ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ খ্রি. মহেশখালী থানাধীন কালারমারছড়া
কক্সবাজারের সাগরদ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর দুর্গম পাহাড়ে অভিযান চালিয়েছে যৌথ বাহিনী। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার কালারমার ছড়া এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। এতে ১০টি আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গুলি ও অস্ত্র
কক্সবাজারের মহেশখালীতে পুলিশের টহল দলের ওপর গুলি ছুড়েছে ডাকাত দল। এতে মহেশখালী থানার এএসআই সেলিম ও কনস্টেবল সোহেলসহ ৩ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১ টার দিকে
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের ফকিরজুম পাড়া ও আঁধার ঘোনা পাহাড়ি এলাকায় অবৈধ অস্ত্র তৈরির ভ্রাম্যমাণ কারখানার সন্ধান পেয়েছে র্যাব। কারখানা থেকে বিপুল সংখ্যক অস্ত্রসহ কয়েকজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা এস এম আবু হায়দারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (৭ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার তিতা মাঝি পাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা