তিন ধাপে ভোটগ্রহণের তারিখ ঘোষণা করেছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। এ হিসাবে আগামী ২৫ জানুয়ারি নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ২৮ ডিসেম্বর ও ১১ জানুয়ারি দুই ধাপে মোট
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক রাতে পৃথক স্থানে ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের মধুরছড়া ৪ নম্বর রোহিঙ্গা
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে বসবাস করা ৫৫ শতাংশ নারী ও কন্যা শিশু প্রতিনিয়ত সুরক্ষা, শিক্ষা, পুষ্টি ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। শুধু তা-ই নয়, সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী,
মিয়ানমারের জান্তা আসন্ন সেনা-নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনে জনগণকে ভোট দিতে বাধ্য করতে সহিংসতা চালাচ্ছে এবং ভয়ভীতিও প্রদর্শন করছে। অন্যদিকে মানুষকে ভোট থেকে বিরত রাখতে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোও একই ধরনের কৌশল ব্যবহার করছে। মঙ্গলবার
মায়ানমার থেকে টেকনাফের জাদিমুড়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে এক পরিবারের ৯ জন রোহিঙ্গা উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে। স্থানীয় ও ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, অদ্য ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
রাখাইনের রোহিঙ্গা মুসলিম সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা মামলার শুনানি জানুয়ারিতে শুরু হচ্ছে। জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) শুক্রবার জানিয়েছে, ১২ থেকে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত
‘গ্লোবাল রিফিউজি ফোরাম (জিআরএফ) প্রোগ্রেস রিভিউ ২০২৫’ শুরু হচ্ছে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর জেনেভায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে ১৫-১৭ ডিসেম্বর তিনব্যাপী এই উচ্চ পর্যায়ের আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। এতে
মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের মংডু, রাথিডং ও বুথিডং টাউনশিপের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে আরকান আর্মি (এএ) সেখানকার বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী রাখাইন সম্প্রদায়ের জন্য নতুন বসতি নির্মাণ করছে। রাখাইনভিত্তিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘রোহিঙ্গাখবর’-এর এক প্রতিবেদনে
মিয়ানমারের মংডুর বাসিন্দা রোহিঙ্গা জামাল উদ্দিন ২০১২ সালে সেনা নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। কুতুপালং নিবন্ধিত ক্যাম্পে আত্মীয়ের বাসায় থাকলেও নানা জটিলতায় তিনি নিবন্ধিত হতে পারেননি। পরে চট্টগ্রামে কয়েক বছর
উখিয়া ও টেকনাফে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের বাইরে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে উঠেছে রোহিঙ্গাদের অবৈধ ভাড়া বাসার এক বিশাল নেটওয়ার্ক। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও জমির মালিকদের সরাসরি সহযোগিতায় শত শত রোহিঙ্গা পরিবার