1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
কক্সবাজারে বন্যাদুর্গতদের জন্য ৩০ লাখ টাকা ও সাড়ে ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, আটক ৮ মায়ানমার নাগরিক বাংলাদেশ দেশের জন্য নতুন ভিসা কর্মসূচি চালু করল সৌদি আরব চট্টগ্রামে পাহাড়ধস-দেয়ালধসে নিহতদের পরিবারকে সহায়তা দিলেন জামায়াতের আমীর উখিয়ায় পানিবন্দি মানুষের মাঝে নষ্ট ত্রাণ বিতরণ বন্যার প্রভাবে কক্সবাজারসহ পাঁচ জেলায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত হাসিনার জন্য ফাঁসির দড়ি অপেক্ষা করছে: নাহিদ ইসলাম উখিয়ায় ৩০ বছরের পুরোনো পাতাবাড়ী সেতু ঝুঁকিপূর্ণ, দ্রুত সংস্কারের দাবি পরকীয়া প্রেমিকাসহ স্ত্রীর হাতে ধরা, পদ হারালেন জামায়াত নেতা ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা শেখ হাসিনার: রয়টার্স

উখিয়ায় পানিবন্দি মানুষের মাঝে নষ্ট ত্রাণ বিতরণ

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ১১/০৭/২০২৬ ১২:৫০ পিএম

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার সোনারপাড়া এলাকার ডেইলপাড়ায় পানিবন্দি পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা সরকারি ত্রাণসামগ্রীর মান নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ত্রাণের মধ্যে থাকা কিছু ডাল নষ্ট ও ব্যবহার অনুপযোগী ছিল।

এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসন তদন্ত করে ক্ষতিগ্রস্তদের নতুন ত্রাণ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কয়েকদিন ধরে জলাবদ্ধতায় আটকে থাকা শতাধিক পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, তেল, মরিচের গুঁড়া ও হলুদের গুঁড়া বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ পাওয়ার পর কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেন, ডালের প্যাকেটে উৎপাদন কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণের কোনো তথ্য উল্লেখ ছিল না। তাদের ভাষ্য, প্যাকেট খুলে দেখা যায় ডালের একটি অংশ জমাট বাঁধা ও আঠালো হয়ে গেছে, যা খাওয়ার উপযোগী নয়।

ডেইলপাড়ার বাসিন্দা মো. আব্দুল হামিদ বলেন, কয়েক দিন ধরে পানিবন্দি অবস্থায় কষ্টে দিন কাটানোর পরও তারা ভালো মানের খাদ্যসামগ্রী পাননি। এমন পরিস্থিতিতে নষ্ট খাদ্যসামগ্রী বিতরণে তারা হতাশ।

আরেক ভুক্তভোগী বলেন, দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তে নিম্নমানের ত্রাণ দেওয়া দুঃখজনক। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও মানসম্মত খাদ্যসামগ্রী বিতরণের দাবি জানান।

অভিযোগের বিষয়ে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার বলেন, বিষয়টি তিনি তদন্ত করে দেখেছেন। তার ভাষ্য, ত্রাণসামগ্রীর মেয়াদ শেষ হয়নি, তবে সংরক্ষণের সময় বাতাস প্রবেশ করায় কিছু প্যাকেট নষ্ট হয়ে গেছে।

তিনি আরো বলেন, প্রায় ৩০ থেকে ৫০ জনের মধ্যে এমন ত্রাণ গেছে। যারা নষ্ট ত্রাণ পেয়েছেন, তাদের পরিবর্তে ভালো মানের ত্রাণসামগ্রী দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

তারা ভবিষ্যতে ত্রাণ বিতরণের আগে খাদ্যসামগ্রীর মান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com